Thursday, April 21, 2016

নাম্বার গোপন রেখে কল করবেন যে ভাবে!



ভাবছেন কাউকে কল করবেন? কিন্তু সে যতি নাম্বার যেনে নিয়ে আবার বিরক্ত করে! এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু এই তথ্য প্রযুক্তির যুগে সব কিছুই সম্ভব হচ্ছে আর মোবাইল নাম্বার গোপন রাখা যাবেনা তা কি হয়। হ্যা পাঠক ঠিক এমনই এক সিস্টেম আবিস্কার করে বের হয়েছে অ্যাপস।
এখন শুধু পরিক্ষার পালা। আসলেই কি কাজ করবে এই আবিস্কার? চলুন দেখে নেওয়া যাক বিষয়টি কি হচ্ছে...
ফোন করবেন। কথা বললেন। অথচ আপনার নম্বরটি থাকবে না রিসিভারের কাছে। যাকে বলে ম্যাজিক। পুরোদমে ফ্ল্যাটিং আর নো কেস। পড়ে নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে ? কী করে এটা সম্ভব? আরে বাপু সব তো অ্যাপসের কেরামতি। নানা ধরনের অ্যাপস অবশ্য আগে থেকেই রয়েছে। তবে সেগুলি ব্যবহার করার জন্য একটি ভুয়া নম্বর ব্যবহার করতে হয়। কিন্তু এখন আর এই সব ঝামেলা নেই। জেনে নিন, কিভাবে মোবাইল নম্বর গোপন রেখে কল করা যায় তার নিয়মাবলী।
Voxox, Lifehacker, Spoofcard, Tracebust, CallerIDFaker- এসব অ্যাপের সাহায্যে কাওকে ফোন করার সময় বদলে ফেলা যায় নিজের মোবাইল নম্বর। এক্ষেত্রে অ্যাপটি ব্যবহারকারীর আসল নম্বর লুকিয়ে রাখে এবং ব্যবহারকারীর দেওয়া অন্য একটি ভুয়া নম্বর প্রদর্শন করে থাকে। এসব অ্যাপের মধ্যে সবচেয়ে জনপ্রিয় Tracebust অ্যাপ। তবে প্রাথমিকভাবে এর ট্রায়াল ভার্সন ব্যবহার করা যাবে। কিন্তু পরবর্তীতে ব্যবহারের জন্য টাকা দিয়ে কিনতে হবে।

Saturday, February 20, 2016

মশা থেকে চিরতরে রেহাই!

মশার গুষ্টি উদ্ধার করতে আপনাকে সাহায্য করবে এই পদ্ধতিটি।
সারা বছর মশার প্রচন্ড উপদ্রব-এ আমরা প্রচুর বিরক্ত। মশা থেকে মুক্ত থাকার জন্য আপনার মনে হয়তোবা কয়েলের ছবি ভাসছে। কিন্তু একবারও ভেবে দেখেছেন, এক বছরে আপনি কয়েলের পিছনে কত টাকা খরচ করেছেন? আর সব থেকে বড় কথা হলো, কয়েল মানব শরীরের জন্য কতটা ক্ষতিকর সেটা কি আপনি জানেন? এ্যারোসল যদি ব্যবহার করার চিন্তা থাকে তবে সেক্ষেত্রে সেটা মানব শরীরের জন্য আরো ভয়াবহ ক্ষতিকর। অথবা ইলেকট্রিক ব্যাট আছে কিন্তু মশার সাথে কতদিন ব্যাডমিন্টন খেলবেন? ১০টা মারবেন ১০০ মশা সামনে এসে হাজির হবে। আপনি মরে যাবেন কিন্তু আপনার মশা মারা আর শেষ হবে না!
মশা মারার কয়েলের ক্ষতিকর দিকঃ
১। আপনি যদি একটি মশার কয়েল টানা ৮ ঘন্টা জ্বালিয়ে রাখেন তাহলে ১৩৭টি সিগারেটের পরিমান বিষাক্ত ধোঁয়া আপনি গিলছেন।
২। কয়েলে যে গুঁড়া দেখেন সেটা এতটাই সূক্ষ্ম যে তা সহজেই আমাদের শ্বাসনালীর এবং ফুসফুসের পথে গিয়ে জমা হয়ে বিষাক্ততা তৈরি করে।
৩। কয়েলের ধোঁয়া চোখের ভীষন ক্ষতি করে, দীর্ঘদিন ব্যবহারে চোখের ভয়াবহ ক্ষতিসাধন হতে পারে।
৪। কয়েল মশাকে তাৎক্ষনিক মারে কিন্তু মানব দেহে স্লো পয়জনিং করে, ধীরে ধীরে মানুষ মৃত্যুর দিকে ধাবিত হয়।
এ্যারোসলেক্ষতিকর দিকঃ
১। এ্যারোসল হার্টের জন্য খুবই ক্ষতিকর। মানব দেহের হার্ট সরাসরি এ্যারোসলের দ্বারা ক্ষতিগ্রস্থ হয়।
২। এ্যারোসলের ক্যামিকেল চোখের ক্ষতি করে, দীর্ঘদিনের ব্যবহারে চোখের কার্যক্ষমতা পুরোপুরি নষ্ট হয়ে যেতে পারে।
আসুন জেনে নেই মাত্র ২০ টাকা খরচ করে পুরো ১ বছর মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন।
কিভাবে বানাবেন?
প্রয়োজনীয় উপকরণগুলো সবার আগে একসাথে যোগাড় করে নিন।
উপাদানঃ
– দুই লিটারের একটি প্লাস্টিকের বোতল
– এক গ্লাসের তিন ভাগের দুই ভাগ ইষৎ গরম পানি
– এক কাপের তিন ভাগের ২ ভাগ ব্রাউন সুগার
– এক চামচ ইষ্ট

ইষ্টঃ
যেকোন সুপার স্টোর কিংবা বড় জেনারেল স্টোরগুলোতে ইস্টের বিভিন্ন সাইজের বোতল পাওয়া যায়। সেখান থেকে ক্রয় করে নিতে পারেন। ইস্ট সাধারণত এক প্রকার ছত্রাক তবে এই খাবার জিনিস তৈরির কাজে ব্যবহৃত হয়। পাউরুটির তৈরির জন্য অন্যতম প্রয়োজনীয় উপাদান এই ইস্ট।
প্রস্তুত প্রক্রিয়াঃ
মশা থেকে মুক্ত থাকতে হলে আপনাকে প্রস্তুত প্রানালী ধাপে ধাপে অনুসরন করতে হবে। প্রথমে প্লাষ্টিকের বোতলটি উপর থেকে ৩/৪ ইঞ্চি রেখে একটি চাকু দিয়ে কেটে ফেলুন। তারপর নিচের বড় (বোতল) অংশটিতে ব্রাউন সুগার বা খোলা চিনা বা পরিশোধিত চিনি ঢেলে দিন। নাড়ানোর কোন প্রয়োজন নেই। তারপর এক কাপ ফুটানো পানি ঢালুন। তারপর এক চামচের তিন ভাগের দুই ভাগ ইষ্ট ছেড়ে দিন। এবার বোতলের উপরের অংশটিকে চিৎ করে বড় বোতলের ভেতর বসিয়ে দিন।
খেয়াল রাখবেন বোতলের উপরের অংশের মুখের ছিপিটি যেন অবশ্যই খোলা রাখেন। কারন ওখান থেকেই মশা ভেতরে ঢুকবে। এরপর একটি টেপ দিয়ে বড় এবং ছোট অংশটির জোরা শক্ত করে লাগিয়ে দিন। ব্যস! হয়ে গেলো মশা মারার হোমমেড ফাঁদ। এবার ফাঁদটিকে ঘরের যেকোন কোনায় রেখে দিন। চলতে পারবেন পুরো এক বছর।
সর্তকতাঃ
বাচ্চাদের নাগালের বাইরে রাখুন। যাতে তারা ভুলে খেয়ে না ফেলে।

Tuesday, February 16, 2016

ছারপোকা ধ্বংসের কার্যকরি উপায়?

ছারপোকার কামড়ে মানুষের শরীরে নানান ধরনের রোগ ছড়ায়। স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের হলসহ বাসা-বাড়িতেও এখন ছারপোকার যন্ত্রনা। ছারপোকা তাড়ানোর জন্য আমরা নানান পদক্ষেপ নেই কিন্তু ছাড়পোকা বিনাশ হয় না। তাহলে চলুন পাঠক জেনে নেই সেই ছারপোক ধ্বংসের কার্যকারি উপায়-
সম্প্রতি একটি সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে, ছারপোকারা কীটনাশক সহ্য করার ক্ষমতা আগের তুলনায় প্রায় ৫০ গুণ বৃদ্ধি পয়েছে৷ বাড়িতে উপদ্রব করে এমন ২১ প্রজাতির ছারপোকার ওপর গবেষণা শেষে বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, এদের ধ্বংস করতে হলে আগে যে কীটনাশক ব্যবহার করতে হতো, এখন তার শক্তি আগের চেয়ে হাজার গুণ বেশি দরকার৷বিজ্ঞানীরা বলেছেন, প্রচলিত কীটনাশক এখন আর ছারপোকা ধ্বংসে কাজ করছে না।
কারণ, এগুলির ১৪টি জিনে কিছু পরিবর্তন হয়েছে। এই পরিবর্তনের ফলে এদের চামড়া মোটা হয়ে গিয়েছে। সেই কারণে, কীটনাশক এসব কীটের শরীরে ঢুকতেই পারে না। জিনগত কিছু পরিবর্তনের ফলে ছারপোকার স্নায়ুতন্ত্রে আঘাত করতে পারছে না কীটনাশক।
কোনও কোনও প্রজাতির ছারপোকা আবার কীটনাশক হজম করে ফেলার শক্তিও অর্জন করেছে। আমেরিকা ইউনিভার্সিটি অব কেন্টাকির পতঙ্গ বিশারদ ও গবেষক সুবা পালি জানান, কষ্টসহিষ্ণু ছারপোকার শরীরে ঘটে যাওয়া নানা পরিবর্তন এদের কীটনাশক থেকে রক্ষা করছে। তাঁদের মতে, উপদ্রুত জায়গায় ৩০ থেকে ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপ দিয়ে ছারপোকা মারাটাই সবচেয়ে কার্যকর হবে৷ তাছাড়া বাড়ির আসবাবগুলি রোদে দিয়েও ছারপোকা মারা যায়। কারণ, রোদের হাত থেকে বাঁচার উপায় এখনো ‘আবিষ্কার’ করতে পারেনি ছারপোকারা৷ বিজ্ঞানীরা জানিয়েছেন, বিশ্বব্যাপী জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও দেশে-বিদেশে মানুষের চলাচল বেড়ে যাওয়ার ফলে চ্যাপ্টা আকারের ছারপোকা এখন সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ছে। বিশেষভাবে সস্তা হোটেলগুলিতে এর উপদ্রব৷
- See more at: http://www.bd24live.com/bangla/article/80190/index.html#sthash.3moyWwxy.dpuf

Friday, February 5, 2016

jokes

একজন প্রকৌশলী আর একজন কম্পিউটার প্রোগ্রামার ট্রেনে ভ্রমণ করছেন পাশাপাশি আসনে বসে।
অনেক দূরের পথ। দীর্ঘ সময় লাগবে। কম্পিউটার প্রোগ্রামার বললেন, আসুন, সময় কাটানোর জন্য একটা মজার খেলা খেলি।
প্রকৌশলী বললেন, প্রকৌশলীরা মজার খেলা কী, তা জানে না।
প্রোগ্রামার বললেন, খুব সোজা। আমি শিখিয়ে দিচ্ছি। আমি আপনাকে একটা প্রশ্ন করব। আপনি যদি উত্তর পারেন, আমি আপনাকে দেব ১০ ডলার। আর আপনি যদি উত্তর না পারেন, আপনি আমাকে দেবেন ১০ ডলার। একই ভাবে আমাকে প্রশ্ন করবেন আপনি। আমি পারলে আপনি আমাকে দেবেন ১০ ডলার, না পারলে আমি আপনাকে দেব ১০ ডলার।
প্রকৌশলী হাই তুলে বললেন, ভাই, আমি ক্লান্ত, একটু ঘুমিয়ে নিই।
প্রোগ্রামার বললেন, আচ্ছা, আপনি দেবেন ১০ ডলার, কিন্তু আমি দেব ১০০ ডলার।
প্রকৌশলী বললেন, আচ্ছা।
প্রোগ্রামারের প্রথম প্রশ্ন: বলুন তো পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্ব কত?
প্রকৌশলী বললেন, জি না। জানি না। তিনি পকেট থেকে ১০ ডলার বের করে প্রোগ্রামারের হাতে দিয়ে দিলেন। তারপর বললেন, এবার আপনি বলুন, কোন প্রাণী তিনটা পা নিয়ে পাহাড়ে ওঠে আর চারটা পা নিয়ে পাহাড় থেকে নামে।
প্রোগ্রামার বললেন, ঠিক আছে। আমি গুগল করে বলছি। তিনি গুগল করলেন। বন্ধুদের ই-মেইল করলেন। এই প্রশ্নের উত্তর কারও জানা নেই।
তিনি তখন ১০০ ডলার বের করে প্রকৌশলীর হাতে দিয়ে বললেন, এবার আপনি বলুন তো এই প্রশ্নের উত্তর কী? কোন প্রাণী তিন পা নিয়ে পাহাড়ে ওঠে, চার পা নিয়ে নামে।
প্রকৌশলী পকেটে হাত দিয়ে ১০ ডলার বের করে প্রোগ্রামারের হাতে দিয়ে দিলেন।
প্রকৌশলী আর ডাক্তারের বাহাসের কৌতুকটা পুরোনো।
দুজন ডাক্তার আর দুজন ইঞ্জিনিয়ার ট্রেনে উঠেছেন।
প্রকৌশলীরা জিজ্ঞেস করলেন, আচ্ছা ডাক্তার ভাইয়েরা, আপনারা কটা টিকিট কেটেছেন।
ডাক্তাররা বললেন, দুইটা। আপনারা?
একটা।
চেকার এলে কী করবেন?
দেখেন কী করি।
যখন চেকার এল, তখন দুই প্রকৌশলী গিয়ে এক বাথরুমে ঢুকল। চেকার বাথরুমের দরজায় টোকা দিলে তাঁরা একটা টিকিট বের করে দিলেন। চেকার টিকিট পরখ করে চলে গেল।
ডাক্তার দুজন অবাক।
ফেরার সময় আবার প্রকৌশলী দুজন জিজ্ঞেস করলেন ডাক্তার দুজনকে, আপনারা কটা টিকিট করেছেন?
ডাক্তাররা বলল, একটা। আপনারা?
আমরা করি নাই।
কী করবেন চেকার এলে?
দেখেন না কী করি।
চেকার আসছে। ডাক্তার দুজন গিয়ে বাথরুমে ঢুকল। ইঞ্জিনিয়ার সেই দরজায় গিয়ে নক করল। ডাক্তাররা টিকিট বের করে দিল। সেই টিকিট নিয়ে দুই ইঞ্জিনিয়ার আরেকটা বাথরুমে ঢুকে গেল।
কৌতুক দুইটাই হাসির। কিন্তু এর অন্তর্নিহিত বাণী প্রকৌশলীদের জন্য ভালো নয়। কারণ, এর মাধ্যমে আমরা এই বার্তা পাই যে প্রকৌশলীরা চালাক, কিন্তু সেই চালাকি তাঁরা ফাঁকি দেওয়ার জন্য ব্যবহার করেন। একজন প্রকৌশলী হিসেবে আমি এই কৌতুক দুইটারই প্রতিবাদ জানাই। বিশেষ করে দ্বিতীয়টার। আমরা প্রকৌশলীরা সব সময় টিকিট কেটেই ট্রেনে উঠি। টিকিট ছাড়া ট্রেনে ওঠার অপবাদ আমাদের কেউ দিতে পারবে না।
বিভিন্ন পেশাজীবীর বাহাস নিয়ে অনেক কৌতুক প্রচলিত আছে।
ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, রাজনীতিবিদদের মধ্যে কথার প্রতিযোগিতা হচ্ছে।
কোন পেশা সবার আগে পৃথিবীতে এসেছে।
ডাক্তার বললেন, অবশ্যই ডাক্তারি পেশা। প্রথম মানুষ এল পৃথিবীতে, তাদের সন্তান জন্ম নিল, শুরু হয়ে গেল ডাক্তারি।
ইঞ্জিনিয়ার বললেন, না, না। তারও আগে মহাবিশ্ব ছিল লন্ডভন্ড। সৃষ্টিকর্তা সেসবকে সুশৃঙ্খল করলেন। সেটা অবশ্যই একটা ইঞ্জিনিয়ারিং কাজ। কাজেই প্রকৌশলবিদ্যাই পৃথিবীর আদিতম বিদ্যা।
পাত্রী চাই, পাত্রী চাই, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের জন্য পাত্রী চাই। মাসিক আয় দুই লাখ টাকা। ঢাকায় বাড়ি আছে এমন পাত্রী চাই। বাড়ির ফটোসমেত যোগাযোগ করুন
রাজনীতিবিদ তখন মিটিমিটি হাসছেন।
বাকি দুজন বললেন, কী ব্যাপার, আপনি হাসেন কেন?
রাজনীতিবিদ বললেন, ইঞ্জিনিয়ারিং বিদ্যা মহাবিশ্বকে সুশৃঙ্খল করল বটে, কিন্তু মহাবিশ্বটাকে বিশৃঙ্খল করলটা কে?
এসবই কৌতুক। কৌতুক বলা শেষ। এবার বলি একটা টৌতুক। শুনতে পেলাম, আমাদের ঢাকা শহরের একটা ফ্লাইওভার বানানো যখন প্রায় শেষ, তখন টের পাওয়া গেছে, এগুলো আসলে যেসব গাড়ি রাস্তার ডান দিক দিয়ে যায়, সেসবের জন্য ডিজাইন করা। আমাদের দেশে এবং বিলাতে ড্রাইভাররা বসেন গাড়ির ডান পাশে। আমেরিকায় ড্রাইভাররা বসেন গাড়ির বাঁ দিকে। আমরা রাস্তার বাঁ দিকে চলি। আমেরিকানরা রাস্তার ডান দিকে চলে। এই জন্য ব্রিটিশরা বলে থাকে, আমেরিকার সবকিছু উল্টো। তারা রাস্তার ডান দিক দিয়ে চলে, তেলকে বলে গ্যাস আর ফুটবল খেলে হাত দিয়ে।
তো আমরা চলি ব্রিটিশ নিয়মে, ফ্লাইওভার নাকি বানিয়ে ফেলেছি আমেরিকান নিয়মে, এখন নাকি অনেকটা কেঁচে গণ্ডূষ করতে হবে। ভেঙে আবার বানাতে হবে। এটার সত্য-মিথ্যা জানি না। যদি সত্য হয়, বোঝাই যাচ্ছে ডিজাইনাররা আমেরিকান কোনো কপি বুক থেকে ডিজাইনটা নিয়ে ঢাকার রাস্তায় হুবহু বসিয়ে দিয়েছেন।
আমরা এ ধরনের ঘটনা ডাক্তারির ক্ষেত্রে ঘটেছে বলে সংবাদপত্রে কখনো কখনো পড়েছি। যেমন, ডান পায়ে সমস্যা, ডাক্তার সাহেব ভুলে বাঁ পা কেটে ফেলেছেন। কৌতুক আছে, রোগী বলছে, ডাক্তার সাহেব গতবার যে দাঁত তুলেছিলেন, খুব ব্যথা পেয়েছিলাম, এবার যে সহজেই উঠে গেল, ব্যাপার কী! ডাক্তার বললেন, ইয়ে মানে, ভুলে দাঁত ভেবে আমি আপনার আলজিব তুলে ফেলেছি।
কৌতুকের কোনো আগা-মাথা নেই, আলজিব তুললে মানুষ কথা বলবে কী করে?
সম্প্রতি অধ্যাপক আনিসুজ্জামান প্রকৌশলীদের নিয়ে একটা বক্তৃতা দিয়েছেন। তাতে তিনি আফসোস করেছেন, দেশের সবচেয়ে মেধাবী ছাত্ররা প্রকৌশলী হয়, তা সত্ত্বেও দেশের নীতিনির্ধারণী বিষয়ে প্রকৌশলীদের অংশ নেওয়ার সুযোগ খুব কম। বিষয়টা অবশ্যই চিন্তা করার মতোই। মেধাবীরা দেশের উন্নয়নে ও নীতিনির্ধারণে আরও বেশি করে অংশ নিক, সেটা সবাই চাইব। যেমন চাইব, মেধাবীরা শিক্ষকতায় আসুন। এবং মর্যাদা পান। সম্মান পান।
আমরা ছোটবেলায় কবিতা পড়েছিলাম, ‘বাদশাহ আলমগীর—/ কুমারে তাঁহার পড়াইত এক মৌলভী দিল্লীর।’ সেই শাহজাদা তার শিক্ষকের পায়ে পানি ঢেলে দিচ্ছিল, তা দেখে বাদশা রেগে যান এবং বলেন, আমি খুব দুঃখ পেয়েছি, আপনার ছাত্র কেন শুধু পানি ঢেলে দেবে। কেন সে নিজ হাতে আপনার পা প্রক্ষালন করে দেয়নি।
সেই দিল্লিও নেই। সেই আলমগীরও নেই। কিন্তু সেই শিক্ষকও কি আছেন? আমাদের মূল্যবোধের ব্যাপক বদল ঘটেছে। পত্রিকায় বিজ্ঞাপন ছাপা হয়েছে—পাত্রী চাই, পাত্রী চাই, মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকের জন্য পাত্রী চাই। মাসিক আয় দুই লাখ টাকা।
তাহলে আর এই বিজ্ঞাপনকে আমরা কেন দোষ দেব? পাত্রী চাই। ঢাকায় বাড়ি আছে এমন পাত্রী চাই। বাড়ির ফটোসমেত যোগাযোগ করুন।

Thursday, January 21, 2016

১৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি বানান মনে রাখার কৌশল


১৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি বানান মনে রাখার কৌশল


1. Lieutenant (লেফটেনেন্ট) ➫ সামরিক কর্মী। ✎ Lie u ten ant ➫ মিথ্যা তুমি দশ পিপড়া।
2. Psychological (সাইকোলজিক্যাল) ➫ মনস্তাত্ত্বিক। ✎ Psy cholo gi cal ➫ পিসি চলো যাই কাল।
3. Assassination (এ্যাসএ্যাসিনেশন) ➫ গুপ্তহত্যা। ✎ Ass ass i nation -গাধার উপরে গাধা, তার উপরে আমি, আমার উপরে জাতি।
4. Questionnaire ➫ প্রশ্নমালা। ✎ Question nai re ➫ কোশ্চেন নাই রে।
5. Assessment ➫ কর নির্ধারণ। ✎ Ass e ss men t ➫ গাধায় ই ডাবল ss মানুষেতে নাই।
6. Hallucination ➫ অমুলক / অলীক কিছু দেখা বা তাতে বিশ্বাস। ✎ Hall u ci nation-হলে তুমি! ছি জাতি।
7. Diarrhoea ➫ উদারাময়। ✎ Dia rr hoea ➫ ডায়াল করো ডাবল rr হোয়ে যাবে।
8. Bureaucracy ➫ আমলাতন্ত্র। ✎ Burea u cracy ➫ বুড়িয়া তুমি cracy.
9. Restaurant ➫ রেস্টুরেন্ট। ✎ Rest a u r ant ➫ বিশ্রাম এ তুমি আর পিপড়া।
10. Parallel ➫ সমান্তরাল। ✎ Par all e l ➫ পার করো সকলকে ই।
11. Illegitimate ➫ অবৈধ। ✎ Illeg i tim ate ➫ অসুস্থ পায় আমি টিম খেয়েছিলাম।
12. Miscellaneous ➫ বিবিধ। ✎ Mis cell an e o us-মিস করলে একটি সেলে ই ও আমাদের সাথে থাকবে। (cell-ক্ষুদ্র কক্ষ)।

কিছু প্রয়োজনীয় ইংরেজি বানানঃ
1) ☆ Accommodation(বাসস্থান)
2) ☆ Brilliant(মেধাবী)
3) ☆ Bulletin(বুলেটিন)
4) ☆ Burglar(চোর)
5) ☆ Challenge(চ্যালেন্জ)
6) ☆ Cigarette(সিগরেট)
7) ☆ Colonel(কর্নেল)
8) ☆ Commission(কমিশন)
9) ☆ Committee(কমিটি)
10) ☆ Guerrilla(গেরিলা যুদ্ধা)
11) ☆ Leisure(অবসর)
12) ☆ Maintenance(ভরণপোষণ)
13) ☆ Millennium(সহস্রাব্দ)
14) ☆ Misspell(ভুল বানান করা)
15) ☆ Questionnaire(প্রশ্নমালা)
কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি বানান,যেগুলো আমরা প্রায়ই ভুল করি…….
16) Aberration ➫ বিপদগামিতা/নীতিভ্রংশ
17) Accessory ➫ অপরাধের সহযোগী
18) Acclivity ➫ উর্ধ্বমুখী ঢাল/চড়াই
19) Amateur ➫ শৌখিন/অপেশাদার
20) Ammunition ➫ গোলা-বারুদের ভাণ্ডার
21) Anaemia ➫ রক্তাল্পতা
22) Anesthesia ➫ অনুভূতিবিলোপ/অবেদন
23) Apocalypse ➫ (জগতের ভবিষ্যত পরিণতি বিষয়ে) ঈশ্বরলব্ধ দিব্যজ্ঞান
24) Archipelago ➫ দ্বীপপুঞ্জ
25) Assassin ➫ গুপ্তঘাতক
26) Avaricious ➫ লোলুপ/লোভী
27) Besiege ➫ অবরোধ করা/চারিদিক থেকে আক্রমণ করা
28) Bourgeois ➫ সম্পদশালী/মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোক
29) Camouflage ➫ ছদ্মবেশ/কপটবেশ
30) Celestial ➫ স্বর্গীয়/দিব্য
31) Cemetery ➫ সমাধিক্ষেত্র/গোরস্থান
32) Colonel ➫ উচ্চতর পদমর্যাদার সেনাপতি/কর্নেল
33) Commemoration ➫ স্মৃতিরক্ষার্থে অনুষ্ঠান
34) Commencement ➫ সূচনা/আরম্ভ
35) Commodity ➫ পণ্যদ্রব্য
36) Complaisant ➫ সৌজন্যপূর্ণ/সন্তোষ উৎপাদনে আগ্রহী
37) Contemporaneous ➫ সমকালীন/
সমসাময়িক
38) Contemptuous ➫ ঘৃণ্য/অবজ্ঞেয়
39) Councillor/Counsellor ➫ পরিষদের সদস্য/উপদেষ্টা
40) Counterfeit ➫ জাল/নকল
41) Curriculum ➫ পাঠ্যসূচি
42) Delinquency ➫ দুষ্কৃতি/অপকর্ম
43) Dilettante ➫ (কাব্য/সঙ্গীত বিষয়ে) অগভীর জ্ঞানসম্পন্ন
44) Disciplinarian ➫ কঠোর শাসক
45) Dyspepsia ➫ অজীর্ণ রোগ/বদহজম
46) Elephantiasis ➫ গোদ/পা ফোলা রোগ
47) Embarrassment ➫ অস্বস্তি/মানসিক দুশ্চিন্তা
48) Encyclopedia ➫ বিশ্বকোষ/জ্ঞানকোষ
49) Erroneous ➫ অশুদ্ধ/ভ্রান্ত
50) Etiquette ➫ শিষ্টাচার/নম্র আচরণ
51) Etiquette ➫ নম্র আচরণ/শিষ্টাচার
52) Exaggerate ➫ অতিরঞ্জিত করা
53) Factitious ➫ অস্বাভাবিক/কৃত্রিম
54) Flicker ➫ মিট মিট করা
55) Gargantuan ➫ প্রকাণ্ড/সুবিপুল/দানবীয়
56) Grandeur ➫ মহিমা/বিশালতা
57) Gymnasium ➫ শরীরচর্চা কেন্দ্র
58) Hereditary ➫ বংশানুক্রমিক/কৌলিক
59) Hippopotamus ➫ জলহস্তী
60) Homogeneous ➫ সমজাতীয়
61) Honorary ➫ অবৈতনিক/সম্মানসূচক
62) Humorous ➫ রসিকতাপূর্ণ
63) Hyacinth ➫ কচুরিপানা
64) Idiosyncrasy ➫ স্বভাব বৈশিষ্ট্য/আচরণ
65) Inapplicable ➫ অপ্রযোজ্য/অনুপযুক্ত
66) Incorrigible ➫ অশোধনীয়/অপ্রতিকার্য
67) Infinitesimal ➫ অতিক্ষুদ্র/অনীয়ান
68) Inheritance ➫ উত্তরাধিকার
69) Interruption ➫ ব্যাঘাত/বিঘ্ন/বাধা
70) Irreconcilable ➫ বিসঙ্গত/অসদৃশ
71) Irresponsible ➫ দায়িত্বহীন/বেপরোয়া
72) Irreversible ➫ অপরিবর্তনীয়
73) Itinerant ➫ পরিভ্রমী/ভ্রমণশীল
74) Jewelry ➫ রত্নখচিত অলঙ্কারাদির সমগ্র
75) Magniloquent ➫ বাগাড়ম্বরপূর্ণ/বড় বড় কথা বলে এমন
76) Malediction ➫ অভিশাপ
77) Manoeuvre ➫ কৌশল
78) Masquerade ➫ ভান বা ছদ্মবেশ ধারণ করা
79) Mediterranean ➫ ভূমধ্যসাগরীয়
80) Mellifluous ➫ সুমধুর/সুললিত
81) Mellifluous ➫ সুমধুর/সুললিত
82) Mercenary ➫ ভাড়াটে সৈনিক বা কর্মী
83) Millennium ➫ সহস্রাব্দ/বর্ষসহস্রক
84) Millionaire ➫ কোটিপতি/অতি ধনাঢ্য ব্যক্তি
85) Monotonous ➫ একঘেয়ে/বৈচিত্র্যহীন
86) Multifarious ➫ নানাবিধ/বিচিত্র
87) Nauseous ➫ বিতৃষ্ণাজনক
88) Omelet ➫ ডিম ভাজা/মামলেট
89) Omission ➫ বর্জন/বাতিল
90) Opprobrious ➫ অশোভন
91) Orthodoxy ➫ গোঁড়ামি
92) Oscillate ➫ দোলানো/আন্দোলিত করা
93) Palliate ➫ প্রশমন/লাঘব করা
94) Pedagogue ➫ স্কুলশিক্ষক/পণ্ডিতপ্রবর
95) Peevish ➫ বিরক্তিকর
96) Phthisis ➫ যক্ষ্মারোগ
97) Physique ➫ দৈহিক গঠন
98) Pomegranate ➫ ডালিম
99) Predecessor ➫ পূর্বসূরী
100) Procession ➫ মিছিল/শোভাযাত্রা
101) Prodigious ➫ অতিবৃহৎ
102) Prolegomenon ➫ গ্রন্থাভাষ/ভূমিকা
103) Pseudonym ➫ ছদ্মনাম
104) Pulchritude ➫ দৈহিক সৌন্দর্য
105) Questionnaire ➫ প্রশ্নাবলী
106) Receipt ➫ প্রাপ্তি
107) Recommendation ➫ সুপারিশ/পরামর্শ
108) Reconciliation ➫ সামঞ্জস্যবিধান/
মীমাংসা
109) Reconnaissance ➫ তথ্যসংক্রান্ত অভিযান
110) Referendum ➫ গণভোট
111) Regeneration ➫ আধ্যাত্মিক পুনর্জম্ম/
নবজন্মলাভ
112) Reminiscence ➫ স্মৃতিচারণ
113) Rendezvous ➫ মিলনস্থল
114) Rhinoceros ➫ গণ্ডার
115) Sanatorium ➫ স্বাস্থ্যকেন্দ্র
116) Scissors ➫ কাঁচি
117) Shaggy ➫ রুক্ষ/মোটা ও অপরিপাটি
118) Simultaneous ➫ যুগপৎ/সমকালীন
119) Sobriety ➫ আত্মনিয়ন্ত্রণ/সংযম
120) Souvenir ➫ স্মৃতিচিহ্ন
121) Stereotype ➫ গৎবাঁধা/অপরিবর্তনীয়
122) Successive ➫ ক্রমাগত/পারস্পরিক
123) Superiority ➫ শ্রেষ্ঠতা/উৎকৃষ্টতা
124) Superstition ➫ কুসংস্কার/অন্ধবিশ্বাস
125) Thesaurus ➫ ভাব-অভিধান
126) Transliterate ➫ ভিন্ন ভাষায় রূপান্তর করা
127) Unparalleled ➫ অতুলনীয়/অদ্বিতীয়
128) Vehement ➫ প্রবল/ব্যগ্র/উদ্দাম
129) Vendetta ➫ বংশানুক্রমিক প্রতিহিংসা
130) Veterinary ➫ পশুচিকিৎসক
131) Vicissitude ➫ উত্থানপতন/পরিবর্তন

Saturday, August 15, 2015

দেখে নিন আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কে কে ভিজিট করেছে!

কীভাবে দেখবেন কে কে আপনার ফেসবুক প্রফাইল ভিজিট করেছে এবং সবচেয়ে বেশি কে
ভিজিট করেছে (অ্যাপ ছাড়া)আমরা অনেক সময় কৌতুহল বশত জানতে চাই যে “ কে কে আমার
প্রফাইল ভিজিট করলো ?”আবার অনেক সময় জানতে ইচ্ছে করে “ ফেসবুকের কোন বন্ধুটা চুপটি
করে এসে কে আমার এফবি প্রফাইলসবচেয়ে বেশি উলটে পালটে ঘুরে ঘুরে দেখেছে ?”
সামান্য কিছু পদ্ধতিতে দেখুন কিভাবে মেটাবেন আপনার কৌতুহল।
১) প্রথমে আপনার ফেসবুক একাউন্ট এলগিন করুন।
২) তারপর আপনার প্রফাইল পেজেপ্রবেশ করুন।
৩) এখন কিবোর্ড থেকে Ctrl+Uপ্রেস করুন একসাথে, আপনি আপনারপ্রফাইল পেজের সোর্স কোড দেখতে পাবেন।
৪) এখন কিবোর্ড থেকে CTRL+Fপ্রেস করুন। যে বক্স আসবে অর্থাৎ একটা সার্চ বক্স আসবে সেখানে
এই লিখাটা দিন তারপর সার্চ করুন{“list”:
৫) {“list”: এখানে অনেকগুলি আইডিনাম্বার থাকবে কমা দিয়ে। প্রথমে যেই আইডিটা থাকবেসেইটা হচ্ছে যে সবচেয়ে বেশি আপনার প্রফাইল ভিজিট করেছে
তার আইডি।
৬) এখন চিন্তা করছেন নাম নাদেখা গেলে আইডি নাম্বার দিয়ে কি করবেন ? তো যেকোনএকটা আইদি নাম্বার কপি করেন তারপর নতুন একটা টেব খুলে
এইভাবে দিয়ে এন্টার প্রেস করুনদেখেন কীভাবে ঐ ব্যক্তির পুরা প্রফাইল চলে আসতেছে।
http://www.facebook.com/
Facebook_Profile_Id এখানে Facebook
Profile Id এর জায়গায় আপনার
কাক্ষিত আইডি টি দিবেন।
উদাহরণঃ http://
www.facebook.com/123456789012
বিঃদ্রঃ যদি {“list”: দিয়ে সার্চ
দেওয়ার পর লম্বা লিস্ট শো করে
তাহলে উপরে View থেকে wrap Long
Lines এ টিক দিলেই সবগুলি নিচের
ছবির মত দেখা যাবে।