Monday, July 27, 2015

১০ টা রাইডিং টিপস যেগুলো আপনি হয়ত জানেন না

বাইক রাইডিং এর ক্ষেত্র্রে প্যাশন রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে । আর সেই সাথে বাইকের  সংখ্যাও । আর মানুষ দিনি বাইককে বিভিন্ন কাজে ইউজ শুরু করেছে । বর্তমানে তরুন প্রজন্মের কাছে বাইক হল একটা নেশার মত । তারা বাইক নিয়ে রেসিং , স্ট্যান্টিং প্রভৃতি করে থাকে । তাদের মজার স্থান যেন ওই একটাই ।
তাই আজ আমি বাইক রাইডিং নিয়ে বেশ কিছু টিপস দিতে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজকের এই টিপসগুলো হল বাইক রাইডিং এর সেফটি ও বিভিন্ন কলাকৌশল সম্পর্কে । ট্রাফিকের ভেতর ভাল ব্যালান্সের জন্য পেছনের ব্রেক
ইউজ করুন বেশী ট্রাফিকের ভেতর বাইক রাইড করা হল অন্যতম একটা কঠিন কাজ ।এসময় রাইডিং এর স্পীড অনেক কম থাকে এবং আপনাকে সবসময়ই আশেপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে লক্ষ্য রাখতে হয় । সাধারণত আপনি হয়ত ট্রাফিকের ভেতর বাইকের সামনের ব্রেকটাই ইউজ করেন বেশী । কারণ এর স্টপিং পাওয়ার বেশী । কিন্তু ট্রাফিকের
ভেতর সামনের ব্রেক ইউজ করলে আপনার বাইকের সমস্ত ভার গিয়ে পড়ে সামনের চাকার উপর এবং সেখান থেকে আবার এক্সেলেরেট করতে গেলে আপনাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় । যেমন অনেক সময় হার্ড ব্রেকিং এর ফলে আপনার বা্ইকটি পড়ে যেতে পারে বা আপান কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলতে পারেন । আর হঠাৎ করে সামনের ব্রেক ধরলে চাকাও স্লিপ করতে পারে । কিন্তু , আপনি যদি ট্রাফিকের ভেতর আপনার পেছনের ব্রেকটি ইউজ করেন তাহলে এটা আপনাকে আরও বেশী কন্ট্রোল দিবে । হয়তবা এর স্টপিং পাওয়ার একটু কম , তারপরও এই পেছনের ব্রেক ইউজ
করলে এটা আপনাকে ভাল ব্যাল্রন্স দেবার পাশাপাশি বাইকের বিভিন্ন পার্টসের ক্ষয়ও রোধ করে । গিয়ার অনুসারে
থ্রোটল ওপেন করুন সবসময় ব্রেকিং এর সময় গিয়ার কমিয়ে আনুন । কারণ , কম গিয়ারে বাইক বেশী RPM এ যেতে পারে না । ফলে গিয়ার কম থাকলে অটোমেটিকলি একটা ব্রেকিং হয়ে যায় । অবশ্য এটা একটা প্রাকটিসের বিষয় । আপনি আস্তে করে ব্রেকটা ধরে এবং অন্য হাতে ক্লাচ ধরে আপনার গিয়ার কমিয়ে ফেলুন ,এই সময় আপনি থ্রোটলটা এই গিয়ারে যেমন থাকা উচিৎ , অর্থাৎ যেমন থাকলে বাইকটি অতিরিক্ত শব্দ করবে না সে রকম ধরুন এবং ক্লাচ ছেড়ে দিন । এর ফলে দেখবেন আপনার বাইকের স্পীড অটোমেটিকলি কমে গেছে । পুরো ব্যাপারটা একবারে না করে
প্রাকটিসের মাধ্যমে এটাতে এ্যাকুরেসি আনুন । কর্নারিং এর জন্য আস্তে করে পেছনের ব্রেক ধরুন কর্নারিং হল সবার কাছেই একটা বেশ চ্যালেঞ্জিং জিনিস । এটা দ্রুত করতে পারলে বাইক রাইডিং এর অনেকটাই আয়ত্ত্ব হয়ে যায় । যে যত
নিখুতভাবে কর্নারিং করতে পারে , সে তত দ্রুত বাইক রাইড করতে পারে । কারণ , কর্নারে গিয়ে স্পীড কমে গেলে সেখানে একজন রাইডার অনেক পিছিয়ে পড়েন । কর্নারিং এর ক্ষেত্রে আাপনি ব্রেকিং করতে পারেন । কিন্তু আপনি
যদি এসময় সামনের ব্রেক ইউজ করেন তাহলে এটা আপনার স্পীড অনেক কমিয়ে দিবে এবং সেখান থেকে স্পীড আপ করতে আপনার বেশ টাইম লাগবে । তাই কর্নারিং এর সময় আপনার পেছনের ব্রেক ইউজ করা উচিৎ । কারণ , এটা আপনার বাইকের স্পঅড খুব একটা কমিয়ে দিবে না আবার সেফলি ও দ্রুত কর্নারিং এর সুযোগ করে দেবে । আপনি প্রথমে কর্নারিং এর সময় সামান্য পেছনের ব্রেকটা ধরে কর্নারিং করৃন । এরপর কর্নারেং এর ঠিক আগে ব্রেক এপ্লাই করুন । এভাবে ব্রেকিৃ এর টাইম পর পর কমিয়ে আনতে চেষ্ট করুন । এভাবে প্রাকটিস করলে আপনি একসময় আপনার সঠিক ব্রেকিং এর লিমিট ও টাইমিং সম্পর্কে ভালভাবে বুঝে যাবেন । এটা আপনাকে অনেক ফাস্ট কর্নারিং
করতে দিবে । এটা আপনাকে অনেক সেফটিও দিবে ।কারণ , পেছনের ব্রেক এপ্লাই করলে বাইক স্লিপ করার
সম্ভাবনাও অনেক কম থাকে । কর্নারে কেমনভাবে রাইড করবেন ধরূন আপনি এমন একটা স্থানে রয়েছেন যেখান থেকে আপনি রাস্তুর পরের অংশটুকু দেখতে পাচ্ছেন না । অর্থাৎ , আপনি একটা কর্নারে এ রয়েছেন এবং এই কর্নারের অপার পাশে আপনি কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না । এক্ষেত্রে যেখানে রোডের দুই সাইডই একসাথে মিলিত হয়েছে সেই  পয়েন্টে দেখুন । যদি দেখতে পান যে সেই পয়েন্টটি আপনার থেকে একই দুরত্বে থেকে যাচ্ছে তাহলে বুঝবেন যে মোড়টা
আপনার থেকে বেশ দূরে । যদি রাইডিং এর সময় এটা আপনার দিকে পরপর এগিয়ে আসে তাহলে বুঝবেন যে এটা বেশ সংকীণূ একটা মোড় বা কর্নার । ফলে এসময় এক্সেলেরেট না করাই ভাল । আর যদি দেখতে পন যে কর্নারের অপর পাশে আপনি দেখতে পাচ্ছেন , তাহলে এক্সেলেরিটিং শুরু করুন । প্রাকটিস করতে থাকুন ইন্জিনের জোরে শব্দ , বাইকের উজ্জ্বল রং বা বে ভাল টায়ার কোনটাই আপনাকে সেফ এবং ফাস্ট রাইডিং এ সাহায্য করবে না । কিন্তু  আপনার প্রাকটিস এটা করতে পারে । আপনার টাইম এবং টাকা বাইক রাইডিং এ প্রাকটিসের পেছনে খরচ করুন । ভাল রাইডিং গুলো প্রাকটিস করুন এবং রাইডিং এর পেছনে টাইম দিন । ভাল রাইডিং এর টেকনিকগুলো জানার
চেষ্ট করুন । এভাবেই আপনি একজন ভাল রাইডার হয়ে উঠতে পারেন । আপনার হাতের কনুই এর ব্যাবহার একথা সবাই বলে থাকেন যে ভাল রাইডিং এর জন্য আপনার ওজন সবসময় আপনার হাতের উপর ছেড়ে দিতে হবে । ফলে আপনি বেশ দ্রুত ও সেফলি রাইড করতে পারবেন । কিন্তু ব্রেকিং এর সময় এই কাজটা অনেক কঠিন হয়ে যায় ।
হাতের উপর শরীরের ভর ছেড়ে দিলে ব্রেকিং এর সময় বেশ অস্বস্তিতে পড়তে হ য় । তাই , এ্ই সময় আপনার দুই কনুই
এর ভর বাইকের ফুয়েল ট্যাঙ্কের উপর ছেড়ে দিন (স্পোর্টস বাইকের ক্ষেত্রে) । আর শরীরের ভর কনুই এর উপর ।
ফলে বিষয়টা আপনার কাছে অনেক সহজ হয়ে যাবে ।

Friday, July 24, 2015

এনড্রোয়েড মোবাইলের সব দরকারী কোড

এনড্রোয়েড মোবাইলের সব
দরকারী
কোড। না দেখলে লস আপনারই
হবে।
১.রিসেট ফোন- *2767*3855#
২.IMEI জানতে- *#06#
৩.লক স্ট্যাটাস- *#7465625#
৪.ব্যাটারী ও ফোনের তথ্য-
*#*#4636#*#*
৫.FTA এর ভার্সন- *#*#1111#*#*
৬.টাচস্কীন কোড- *#*#2664#*#*
৭.ভাইব্রেট ও ব্যাকলাইট টেষ্ট-
*#*#0842#*#*
৮.হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার
ডিটেইলস্-
*#12580*369#
৯.ডায়গনস্টিক কনফিগার-
*#9090#
১০.ডাম্প সিস্টেমো মোড-
*#9900#
১১.ক্যামেরার তথ্য জানতে-
*#*#34971539#*#*
১২.ফ্যাক্টরী হার্ড রিসেট-
*#*#7780#*#*
১৩.ডাটা ক্যাবল কন্ট্রোল-
*#872564#
১৪.জিপিএস টেষ্ট-
*#*#1472365#*#*
১৫.ওয়াইফাই ম্যাক এড্রেস-
*#*#232338#*#*
১৬.ব্লুটুথ ডিভাইস ইনফো-
*#*#232337#*#*
১৭.র্যামের ভার্সন-
*#*#3264#*#*
১৮.টাচস্কীন ভার্সন-
*#*#2663#*#*
১৯.ডিসপ্লে টেষ্ট- *#*#0#*#*
২০.প্যাকেট লুফ টেষ্ট-
*#*#0283#*#*
শে য়া র করে আপনার ওয়ালে
রাখতে
পারেন ভবিষ্যৎ এ কাজে
লাগতে পারে.

মনে রাখার সহজ টেকনিক


যে সকল দেশের মূদ্রার নাম "ডলার" সেগুলা মনে রাখার
উপায়ঃ
টেকনিকঃ- 1 (গনী মাঝির জামাই HSC পাশ করে BBA
পড়তে আস্ট্রেলিয়া গেল)
★গ- গায়ান
★নি- নিউজিল্যান্ড
★মা- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র
★ঝি- জিম্বাবুয়ে
★জা-জামাইকা
★H- হংক
★S- সিংগাপুর
★C- কানাডা
★B- বেলিজ
★B- ব্রুনাই
★A- এন্টিগুয়া অস্ট্রেলিয়া ও বারমুডা
★গেল-গ্রানাডা।

মধ্যপ্রাচ্যের দেশসমূহ মনে রাখার সহজ
কৌশল
টেকনিকঃঃ-2[ সুমি তুই আজ ওই বাম সিলিকা র
কুলে ]
★সু - সুদান/সৌদিআরব
★মি - মিশর
★তু - তুরস্ক/তিউনিসিয়া
★ই - ইরাক/ইসরাইল
★আ - আলজেরিয়া, আরব আমিরাত
★জ - জর্ডান
★ও - ওমান
★ই - ইরান/ইয়েমেন
★বা - বাহরাইন
★ম - মরক্কো
★সি - সিরিয়া
★লি - লিবিয়া
★কা - কাতার
★কু - কুয়েত
★লে - লেবানন

ভারতের ছিটমহল গুলো (১১১টি) বাংলদেশের যে সকল
জেলায় অবস্থিত
টেকনিকঃ -3 (কুলাপনী/ অথবা "লাল'নীল'পাচ'কুড়ি")
★কু---কুড়িগ্রাম (১২টি)
★লা --- লালমনিরহাট (৫৯টি)
★প ---পঞ্চগড় (৩৬টি)
★নী --- নীলফামারী (৪টি)

পারমাণবিক সাবমেরিন
আছেঃ৬টি
টেকনিকঃ ঃ-4 (UNR BF CI)(উনার BF চাই)
★UN=যুক্তরাষ্ট্র
★R=রাশিয়া
★B=ব্রিটেন
★F=ফ্রান্স
★C = চীন
★I=ভারত

বাংলাদেশে সর্বমোট নিরক্ষর মুক্ত জেলা-৭টি।
(প্রথম নিরক্ষর মুক্ত জেলা-মাগুরা)
টেকনিকঃ -5
(সিরাজ_চুমা_লাগা)
★১। সি - সিরাজগন্জ
★২। রা -রাজশাহী
★৩। জ - জয়পুরহাট
★৪। চু - চুয়াডাঙ্গা
★৫। মা- মাগুরা (১ম)
★৬। লা - লালমনিরহাট
★৭। গা - গাইবান্ধা

♦GCC ভুক্ত দেশগুলোঃ উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদ।
টেকনিকঃ-6["ওমা সৌদি বেয়াইন আমারে
কাতুকুতু"দেয়।]
★ওমা= ওমান
★সৌদি = সৌদি আরব
★বেয়াইন = বাহরাইন
★আমারে = সংযুক্ত আরব আমিরাত
★কাতু = কুয়েত
★কুতু = কাতার

♦দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোঃ
টেকনিকঃ-7[চীনতা কর মফিজ]
★চীন = চীন
★তা = তাইওয়ান
★কর= কোরিয়া (উত্তর/ দক্ষিন)
★ম = মঙ্গোলিয়া
★ফি = ফিলিপাইন
★জ = জাপান

♦OPEC ভুক্ত দেশগুলোঃ
টেকনিকঃ -8 [ইরান, ইরাকের, ইক্ষু, আম, আলু ও
লেবুতে ভেজাল নাই। সৌদি, আমারে, কাতু'কুতু দেয়।]
★এখানেঃ ইরান, ইরাক, ইকুয়েডর, অ্যঙ্গোলা,
আলজেরিয়া, লিবিয়া, ভেনেজুয়েলা, নাইজেরিয়া,
সৌদি আরব, সংযুক্ত আরব
আমিরাত, কাতার, কুয়েত।

♦CIRDAP এর অন্তর্ভুক্ত দেশগুলোঃ
টেকনিকঃ-9 [ NIPAI MTV FILM BS ] [(নিপা'ই MTV
FILM BS(ভালোবাসে)]
★N-Nepal,
★I-Iran,
★P-Pakistan,
★A-Afganistan,
★I-India.
★M-Malaysia,
★T-Thailand,
★V-Vietnam,
★F-Filipine,
★I-Indonesia,
★L-Laos,
★M-Mayanmar,
★B-Bangladesh,
★S-Srilanka,

♦পারস্য উপসাগরীয় দেশ- GCC+ ইরাক, ইরান। আরব
উপদ্বীপ- GCC+ ইয়েমেন। পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোঃ
♦ টেকনিকঃ10 ঃ[ তাজাকোচি।]
★তা = তাইওয়ান
★জা = জাপান
★কো = কোরিয়া (উত্তর, দক্ষিণ)
★চি = চীন

♦দূরপ্রাচ্যের দেশগুলোঃ
♦ টেকনিকঃ-11ঃ [তাজাকোচিফিম।]
★তা = তাইওয়ান
★জা = জাপান
★কো = কোরিয়া (উত্তর, দক্ষিণ)
★চি = চীন
★ফি = ফিলিপাইন
★ম = মঙ্গোলিয়া

♦SUPER SEVEN দেশঃ
টেকনিকঃ-12 ঃ[ “ থামাই সিতাদহ”]
★থা = থাইল্যান্ড
★মা = মালেয়েশিয়া
★ই = ইন্দনেশিয়া
★সি = সিঙ্গাপুর
★তা = তাইওয়ান
★দ = দক্ষিণ কোরিয়া
★হ = হংকং

♦FOUR IMAGINE TIGERS দেশঃ
টেকনিকঃ- 13 [“ সিতাদহ ”]
★সি = সিঙ্গাপুর
★তা = তাইওয়ান
★দ = দক্ষিণ কোরিয়া
★হ = হংকং

♦7 SISTERS: ভারতের ৭টি অঙ্গরাজ্য।
টেকনিকঃ-14 ঃ [“ আমি অমেত্রি মনা ”]
★আ = আসাম ( গোয়াহাটি )
★মি = মিজরাম ( আইজল )
★অ = অরুনাচল ( ইন্দিরাগিরি )
★মে = মেঘালয় ( শিলং )
★ত্রি = ত্রিপুরা ( আগরতলা )
★ম = মনিপুর ( ইম্ফল )
★না = নাগাল্যান্ড ( কোহিমা )
(বিঃ দ্রঃ - বন্ধনির ভিতর সংশ্লিষ্ট প্রদেশের
রাজধানি)

♦স্কেন্ডেনেভিয়ান রাষ্ট্র ৫ টিঃ
টেকনিকঃ 15ঃ [“ফিডে আসুন“]
★ফি = ফিনল্যান্ড
★ডে = ডেনমার্ক
★আ =আইসল্যান্ড
★সু = সুইডেন
★ন = নরওয়ে

♦বাল্টিক রাষ্ট্র ৩ টিঃ
টেকনিকঃ-16 “ALL”
★A = এস্তনিয়া
★L = লাটভিয়া
★L =লিথুনিয়া

♦D-8 ভুক্ত দেশঃ
টেকনিকঃ17 ঃ [“ মা বাপ নাই তুমিই” সব]
★মা =মালেয়েশিয়া
★বা =বাংলাদেশ
★পা =পাকিস্তান
★না =নাইজেরিয়া
★ই =ইরান
★তু =তুরস্ক
★মি =মিশর
★ই =ইন্দনেশিয়া
ASEAN ভুক্ত ১০টি দেশঃ

♦টেকনিকঃ-18 ঃ[ “ MTV এর FILM দেখলে BCS হবেনা ”]
★M =মালেয়েশিয়া ( কুয়ালালামপুর )
★T = থাইল্যান্ড( ব্যাংকক )
★V = ভিয়েতনাম ( হ্যানয় )
★F = ফিলিপাইন ( ম্যানিলা )
★I = ইন্দোনেশিয়া ( জাকার্তা )
★L = লাওস ( ভিয়েন তিয়েন )
★M = মায়ানমার ( নাইপিদ )
★B = ব্রুনাই ( বন্দর সেরি বেগাওয়ান )
★C = কম্বোডিয়া( নমপেন )
★S = সিঙ্গাপুর ( সিঙ্গাপুর সিটি )
( বিঃ দ্রঃ - বন্ধনির
ভিতর সংশ্লিষ্ট দেশের রাজধানি )

বিভিন্ন (Golden Cresent)
♦মাদক উৎপাদক অঞ্চল।
টেকনিক :- 19"আপাই’’
আ=আফগানিস্থান ,
পা= পাকিস্থান ,
ই=ইরান

♦(Golden Ways)
মাদক চোরাচালানের জন্য বিখ্যাত ৩টি দেশ।“
★টেকনিক:-20 "নেভাবা”
নে= নেপাল ,
ভা= ভারত ,
বা= বাংলাদেশ

♦(Golden Triangle)
মাদকের জমজমাট আসর ৩টি দেশ।“
★টেকনিক:-21"মাথাল”
মা= মায়ানমার
থা=থাইল্যন্ড
ল= লাওস
""Golden Village"""
বাংলাদেশের কুষ্টিয়া জেলার ২৬টি গাজা
উৎপাদনকারী অঞ্চল..

♦বিজ্ঞানীদের মধ্যে কার পর কে এসেছে
টেকনিকঃ-22 (SPAA)(স্পা পানির নাম মনে রাখলে হবে)
S=Socretice (সক্রেটিস)
P=Pleto (প্লেটো)
A=Aristritol (এরিস্টটল) A=Alekgender(আলেকজান্ডার)

♦মোগল সম্রাটদের মধ্যে কার পরে কে এসেছে
★টেকনিক:23(বাবার-হয়েছিল-একবার-­জ্বর-সাড়িল,ঔষধে)
বাবার=বাবর।
হয়েছিল=হুমায়ুন।
একবার= আকবর।
জ্বর= জাহাঙ্গীর।
সাড়িল= শাহাজাহান।
ঔষধ= আওরঙ্গজেব।

♦যে সব রাষ্ট্রের আইন সভার নাম "কংগ্রেস"-
টেকনিকঃ-24
(কলি BBA পড়তে নেপাল থেকে
চীনে চলিয়া গেল।)
★ক-কলম্বিয়া
★লি-লিবিয়া
★B-ব্রাজিল
★B-বলিভিয়া
★A-আমেরিকা
★নেপাল-নেপাল
★চীনে-চীন
★চলিয়া-চিলি

★★বিদেশি শব্দ মনে রাখার অসাধারণ টেকনিকঃ
-----------------------------
♦টেকনিক-25
জাপানি শব্দঃ
"[জাপানিরা জুডো, কম্ফু, কারাতে খেলে হারিকেনসহ রিক্সায়
করে হাসনাহেনা ফুল নিয়ে প্যাগোডায় যায়, সুনামির ভয়ে সামপানে চড়ে হারিকিরি করে "]
(জাপানি শব্দঃ জুডো, কম্ফু, কারাতে, হারিকেন, রিক্সা, হাসনাহেনা,
প্যাগোডা, সুনামি,সামপান, হারিকিরি )
------------------------------
------------------------------
♦টেকনিক-26
গুজরাটি শব্দঃ
[" গুজরাটিরা হরতাল এর দিন কোন জয়ন্তী হলে
খদ্দর পরে "]
(গুজরাটি শব্দঃ হরতাল,জয়ন্তী, খদ্দর পরে।)
------------------------------
------------------------------
♦টেকনিক-27
[" এক তুর্কি উজবুক দারোগা তোপের বসে তার
কুলি ও চাকরকে মুচলেকা দিয়ে বলল যদি জঙ্গলে
গিয়ে চাকু ও কাচি দিয়ে লাশ কাটতে পার তবে
আমার বাবুর্চি তোমাদের চকমক কোর্মা রেধে খাওয়াবে"]
(তুর্কি শব্দঃ উজবুক, দারোগা, তোপ, কুলি, চাকর, মুচলেকা, জঙ্গল,
চাকু, কাচি, লাশ, বাবুর্চি, চকমক, কোর্মা ।)
-----------------------------------
-----------------------------------
♦টেকনিক-28
[" ফরাসি বুর্জোয়ারা আঁতাত করলেও কুপন ছাড়া ফিরিঙ্গির মত কার্তুজ নিয়ে রেস্তোরা, ক্যাফে ডিপোতে প্রবেশ করে না "]
(ফরাসি শব্দঃ বুর্জোয়া, আঁতাত, কুপন, ফিরিঙ্গি, কার্তুজ, রেস্তোরা,
ক্যাফে, ডিপো)
------------------------------
------------------------------
♦টেকনিক- 29
[" ওলন্দাজরা হরতন রুইতন ইস্কাপন ও টেক্কাদিয়ে তাসে তুরুপ মারে "]
(ওলন্দাজ শব্দঃ হরতন, রুইতন, ইস্কাপন, ও টেক্কা,তাস, তুরুপ

♦মৌলিক রঙ মনে রাখার কৌশল:
টেকনিক:30 (আসল)

★অা = আসমানী(নীল)
★স = সবুজ
★ল = লাল

Friday, July 10, 2015

মোটরসাইকেলের ৬ টি কমন সমস্যা ও তার সমাধান

আশা করি সবাই ভাল আছেন এবং সুস্থ আছেন । আমি আজ মোটরসাইকেলের খুবই কমন ৬ টা প্রবলেম নিয়ে আলোচনা করব এবং সেই সাথে তাদের সমাধান নিয়েও আলোচনা করব । সাধারণত বাইকাররা রাইডিং এর সময় বা অন্য কোন সময় বাইক নিয়ে বিভিন্ন সমস্যায় পড়ে থাকেন এবং এটা যদি হয় রোডের মধ্যে তাহলে এটা খুবই খারাপ একটা অবস্থায় পরিণত হয় । তাই , যে মেজর প্রবলেম গুলো রাইডাররা ফেস করে থাকেন , সেগুলো নিয়েই আজকের এই পোষ্ট ।

মোটরসাইকেলের ৬ টি কমন সমস্যা ও তার সমাধান

আমি এখানে কিছু কমন প্রবলেম লিস্ট আপ করেছি এবং সেগুলো উপর আলোচনা করব । সেগুলো প্রথমে দেওয়া হল :

রাইডিং এর সময় ইন্জিন হঠাৎ করে বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং কোন মতেই স্টার্ট না নেওয়া ।
ভাল থ্রোটল রেসপন্স না করা
ব্রেকিং প্রবলেম
ইলেকট্রিক্যাল প্রবলেম
বেশী স্পীডে ভাইব্রেশন করা
মাইলেজ কমে যাওয়া
ইন্জিন বন্ধ হয়ে গেছে এবং কোনমতেই স্টার্ট হচ্ছে না :

সাধারণত এই সমস্যাটা রাইডাররা সবথেকে বেশী ফেস করে থাকে । এটা মূলত শীতকালে বেশীহয়ে থাকে এবং অনেক ক্ষন পর বাইক স্টার্ট করার সময় এটা দেখা দেয় । এটার মেইন কারণ হল ইন্জিনে ফুয়েল ভালভাবে সাপ্লাই না হওয়া ।

এই সময় চোক খোলা রেখে কয়েকবার কিক করলে ইন্জিন স্টার্ট হতে পারে । অবশ্য ফুয়েল কোয়ালিটির জন্যও এটা হতে পারে । লো কোয়ালিটির ফুয়েল অনেক সময় এই সমস্যা সৃষ্টি করে । আর আপনার বাইকের ফুয়েল লাইনটা ভালভাবে চেক করুন । যদি সেখানে কোন সমসা দেখে থাকেন সেটা ঠিক করে দিন । তারপরও কোন সমাধান না হলে স্পার্ক প্লাগ টা খুলে চেক করুন । এটা ভালভাবে পরিষ্কার করে আবার সেট করে স্টার্ট করার চেষ্টা করুন । এর পরও যদি ইন্জিন স্টার্ট না হয় তাহলে এটা হয়ত আপনার কয়েল অথবা ইন্জিনের সমস্যা যেটার জন্য আপনাকে বাইকটি সার্ভিসিং এ নিয়ে যেতে হবে ।

আর আপনি যদি পথের ভেতর ইন্জিন এর এই ধরণের সমস্যা পান তাহলে প্রথমে বাইকটি একটা সেফ স্থানে পার্ক করুন । তারপর ফুযেল লাইন চেক করুন এবং সেই সাথে ফুযেল কোয়ালিটির বিষয়টাও মাথায় রাখবেন । আপনি যদি লোয়ার সিসির বাইকে কনস্ট্যান্টলি হাই স্পীডে রাইড করতে থাকেন তাহলে এটা হতে পারে । সেক্ষেত্রে ইন্জিনকে ঠান্ডা হবার জন্য কিছু টাইম দিন । এরপর আপনি স্পার্ক প্লাগটি চেক করতে পারেন ।

থ্রোটল ভাল রেসপন্স করছে না:

আপনি যদি বাইকের ভাল থ্রোটল রেসপন্স না পেয়ে থাকেন তাহলে বেশ কিছু বিষয়ে আপনাকে নজর রাখতে হবে । প্রথমে আপনার কার্বুরেটর কেমনভাবে টিউন করা রয়েছে সেটা একটা মেইন ফ্যাক্ট । তারপর এয়ার ফিল্টার , ফুয়েল ফিল্টার এবং স্পার্ক প্লাগ প্রভৃতি চেক করুন । তারপরও যদি প্রবলেম থেকে যায় তারপর আপনাকে ফুয়েল কোয়ালিটি চেক করা উচিৎ । এগুলোই মুলত থ্রোটল রেসপন্স এর মেইন সব ফ্যাক্ট । আপনার আরও বেশী নিশ্চিত হবার জন্য আপনি স্পার্কিং টাও চেক করতে পারেন । আপনার এক্সেলেরেশন ক্যাবল টাও একবার চেক করুন । আপনার ক্লাচ প্লে ঠিক আছে কীনা সেটা চেক করুন ।


মোটরসাইকেল ব্রেকিং এর সমস্যা:

এটা যেকোন যানবাহনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ । আপনাকে বিভিন্ন স্পীডে বিভিন্ন ভাবে ব্রেকিং করতে হবে । এটা অনেকটা আপনার প্রাকটিসের ব্যাপার । আমাদের দেশে মূলত ২ ধরণের ব্রেক রয়েছে । ড্রাম ব্রেক ও ডিস্ক ব্রেক । এবং আরেকটা ডিস্ক ব্রেক যেটা হাইড্রোলিক ফুয়েল দ্বারা কন্ট্রোল করা হয় । প্রথমে ড্রাম ব্রেকের ক্ষেত্রে আসি । ড্রাম ব্রেকের ক্ষেত্রে প্রবলেম ফেস করলে প্রথমে আপনার ব্রেকিং কেবল চেক করুন । এটা যদি অনেক পুরানো হয়ে যায় তাহলে চেঞ্জ করে ফেলুন । আপনাকে ব্রেক প্যাড গুলো ঠিক আছে কীনা সেটা্ চেক করা উচিৎ । যদি ড্রাম ব্রেক এর বাইক ইউজ করে থাকেন তাহলে আপনার লং ড্রাইভে বেশী স্পীডে রাইড না করাই ভাল । বেশী ব্রেক করা মানেই ব্রেক প্যাড ক্ষয় হয়ে যাওয়া ও ব্রেকিং কোয়ালিটি খারাপ হয়ে যাওয়া । আর ব্রেকের কারণে চাকা ফ্রীলি মুভ করতে পারছে কীনা সেটা চেক করুন ।

ডিস্ক ব্রেকের ক্ষেত্রে প্রথমে হাইড্রোলিক ফুয়েল চেক করুন । এক্ষেত্রে শুধুমাত্র রিকমেন্ডেড ফুযেল ইউজ করুন । লিভারের বাকেটগুলো চেক করতে পারেন । আর আপনার ব্রেক সু গুলো রেগুলারলি চেক করুন ।

ইলেকট্রিক্যাল প্রবলেম:

এটাও বাইকের একটা কমন প্রবলেম । এটা যেহেতু খোলামেলাই থাকে তাই ধুলাবালি ও বৃষ্টির পানিন দ্বারা খুব সহজেই ড্যামেজ হয়ে যায় । ইলেকট্রিক্যাল সিস্টেমের প্রবলেমের জন্য লাইট থেকে শুরু করে পুরো ইন্জিনই বন্ধ হয়ে যেতে পারে । আপনি যদি কোন তার সংযোগ করতে যান তখন প্রথমেই সিওর হন যে সেটা সঠিকভাবে সংযুক্ত হচ্ছে ।

ইলেকট্রিক সিস্টেমের সব সংযোগ গুলো ভালভাবে চেক করুন । আপনার ব্যাটারী টাও রেগুলার চেক করা উচিৎ । সেই সাথে ব্যাটারীর এসিড লেভেল । আপনার কয়েল ভালভাবে কাজ করেছে কীনা সেটা ভালভাবে দেখুন । এটা আপনার বাইকের মাইলেজ , থ্রোটল রেসপন্স প্রভৃতির উপর প্রভাব ফেলতে পারে । আর বাইকের যেকোন ইলেকট্রিক্যাল কাজগুলো দিনের বেলায় করুন ।

টপ স্পীডে মারাত্মক ভাইব্রেশন:

যেকোন বাইকেরই একটা মিনিমাম ভাইব্রেশন থাকে । এটা কোন ব্যাপার না । কিন্তু আপনি যদি খেয়াল করেন যে আপনার বাইকটি স্বাভাবিকের থেকে বেশী ভাইব্রেট করছে সেটা আপনার বাইকের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে । আর হাই স্পীডে রাইডিং এর সময় ইন্জিন ভাইবেৃশন একটা কমন প্রবলেম । প্রথমেই আপনার চেক করা উচিৎ যে আপনার বাইকের সব বডি পার্টস ঠিকমত জয়েন করা আছে কীনা । একটা পয়েন্ট সেটা হল আপনার সিট বোল্ট । এটা ঠিক ঠাক আছে কীনা সেটা চেক করুন । আমরা এ্ই জন্য বাইকের শক এবজরভার ও সাসপেনশন সিস্টেমটাও ঠিকমত কাজ করছে কীনা সেটা চেক করতে পারি । যদি সাসপেনশনগুলো ওয়েল বেসড হয় তাহলে ওয়েল লেভেল চেক করুন ।



লো মাইলেজ:

যেখানে জ্বালানীর দাম ক্রমশ আকাশছোয়া হয়ে উঠছে সেখানে আপনাকে মাইলেজের বিষয়ে একটু ভাবতেই হয় । সবার প্রথমে ঠিকঠাক গিয়ার মিফটিং এবং একটা কনস্ট্যান্ট ইকোনোমি স্পীডে বাইক রাইড করলে সেটা একটা ভাল মাইলেজ দেয় । আর আপনার ইন্জিন অযেল ঠিকমত ও রেগুলার চেঞ্জ না করলে বাইকের মাইলেজ কমে যেতে পারে । এক্ষেত্রে কার্বুরেটর টিউনিংও একটা গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্ট । এই সমস্যায় পড়লে আপনাকে আপনার ক্লাচ প্লেট চেক করা উচিৎ । আপনার টায়ার ভালভাবে ফ্রীলি মুভ করতে পারছে কীনা সেটাও একটা ফ্যাক্ট । সেক্ষেতেত্র ব্রেক ও টায়ারের শেপ চেক করুন ।

উপরে আমি বাইকের কমন কিছু প্রবলেম তুলে ধরা চেষ্টা করেছি । আশা করি এটা আপনাদের কাজে লাগবে ।

Saturday, May 9, 2015

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের প্যাটার্ন লক

অ্যান্ড্রয়েড স্মার্টফোনের
প্যাটার্ন লক হচ্ছে অনেক গুল
নিরাপত্তা ব্যবস্থার মাঝে
একটি। এটি অনেকটা ছবির
প্যাটার্ন এর মাধ্যমে
পাসওয়ার্ড নিরাপত্তা
নিশ্চিত করে একজন
ব্যবহারকারীর ডিভাইসে। তবে
কি করবেন যখন আপনি ঠিক কি
প্যাটার্ন দিয়েছিলেন তা
ভুলে গেলে? চলুন জেনে নিই
যদি প্যাটার্ন ভুলে যায় কেউ
তবে কিভাবে লক খলা যাবে।
সাধারণত আপনি যখন আপনার
ডিভাইসে ইমেইল আইডি দিয়ে
ইন্টিগ্রেটেড করেন তখন আপনি
প্যাটার্ন ভুলে গেলে খুব সহজে
তা রিকভার করতে পারবেন।
তবে যদি আপনি ইমেইল আইডি
দিয়ে ইন্টিগ্রেটেড না করেন
তবে প্যাটার্ন ভুলে গেলে তা
আবার রিকভার করা অনেক
কঠিন কাজ। এক্ষেত্রে তিন
ভাবে আপনি প্যাটার্ন লক
উদ্ধার করতে পারেন।
প্রথম প্রক্রিয়াতে আপনাকে
যা করতে হবে এক্ষেত্রে আপনি
যখন প্যাটার্ন ভুলে যাবেন তখন
যে কোন একটি প্যাটার্ন
দিলেই ডিভাইস আপনাকে
বলবে আপনার দেয়া প্যাটার্ন
ভুল। এক্ষেত্রে আপনি ‘Forgot
pattern” অপশন সিলেক্ট করুন।
এবার আপনার স্ক্রিনে একটি
ইমেইল বক্স এবং পাসওয়ার্ড বক্স
আসবে। এখানে আপনার
ডিভাইসে যে ইমেইল আইডি
দিয়ে আপনি ইন্টিগ্রেটেড
করেছিলেন সেই আইডি এবং
তার পাসওয়ার্ড দিলেই হয়ে
যাবে। আপনাকে নতুন একটি
প্যাটার্ন কোড দেয়া হবে সেই
কোড দিয়েই আপনি ডিভাইস
আনলক করতে পারবেন।

Thursday, April 23, 2015

ঘর মশামুক্ত রাখার সহজ দুটি কৌশল


একটু বৃষ্টি আবার একটু গরম, গ্রীষ্মের এই সময়ে গরমটা অতিরিক্তই বাড়িয়ে দিয়ে থাকে। আর গরম বাড়ার সাথে সাথে একটি বিরক্তিকর জিনিসের উপদ্রবও বাড়তে থাকে। এই বিরক্তিকর উপদ্রবটি হচ্ছে মশা। অতিরিক্ত গরম লাগলেও এই মশার যন্ত্রণার কারণে মশারির ভেতরে জীবন অতিষ্ঠ হয়ে উঠে।


















মশার কয়েল, মশা মারার স্প্রে কোনো কিছু দিয়েই মশা দূর করা যায় না। আর যদি ঘরে মশার কয়েল বা স্প্রে শেষ হয়ে থাকে তাহলে তো কথাই নেই। আপনার ঘুম হারাম হয়ে যাবে সে রাতের জন্য। কিন্তু খুব সহজেই এই মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আগেকার যুগে মশার কয়েল বা স্প্রে না থাকলেও মশা কিন্তু ঠিকই ছিল। তখনকার মানুষ কি করতেন মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে? জানলে অবাক হবেন প্রকৃতিতেই রয়েছে এই মশার যন্ত্রণার সমাধান। আজকে শিখে নিন এমনই দুটি প্রাকৃতিক কার্যকরী উপায় যার মাধ্যমে ঘরকে রাখতে পারবেন একেবারেই মশা মুক্ত।

১) লেবু ও লবঙ্গের ব্যবহার
একটি গোটা লেবু খণ্ড করে কেটে নিন। এরপর কাটা লেবুর ভেতরের অংশে অনেকগুলো লবঙ্গ গেঁথে দিন। লেবুর মধ্যে লবঙ্গের পুরোটা শুধুমাত্র মাথার দিকের অংশ বাইরে থাকে এমনভাবে লবঙ্গ গেঁথে দিন। এরপর লেবুর টুকরোগুলো একটি প্লেটে রেখে ঘরের কোণায় রেখে দিন। ব্যস, এতেই বেশ কয়েকটা দিন মশার উপদ্রব থেকে মুক্ত থাকতে পারবেন। এই পদ্ধতিতে ঘরের মশা একেবারেই দূর হয়ে যাবে। আপনি চাইলে লেবুতে লবঙ্গ গেঁথে জানালার গ্রিলেও রাখতে পারেন। এতে করে মশা ঘরেই ঢুকবে না।

২) কর্পূরের ব্যবহার
মশা কর্পূরের গন্ধ একেবারেই সহ্য করতে পারে না। আপনি যেকোনো ফার্মেসীতে গিয়ে কর্পূরের ট্যাবলেট কিনে নিতে পারেন। একটি ৫০ গ্রামের কর্পূরের ট্যাবলেট একটি ছোটো বাটিতে রেখে বাটিটি পানি দিয়ে পূর্ণ করুন। এরপর এটি ঘরের কোণে রেখে দিন। তাৎক্ষণিকভাবেই মশা গায়েব হয়ে যাবে। দুদিন পর পানি পরিবর্তন করুন। আগের পানিটুকু ফেলে দেবেন না। এই পানি ঘর মোছার কাজে ব্যবহার করলে ঘরে পিঁপড়ের যন্ত্রণা থেকেও মুক্তি পাবেন।
খুব সহজেই এই মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে পারেন। আগেকার যুগে মশার কয়েল বা স্প্রে না থাকলেও মশা কিন্তু ঠিকই ছিল। তখনকার মানুষ কি করতেন মশার যন্ত্রণা থেকে মুক্তি পেতে? জানলে অবাক হবেন প্রকৃতিতেই রয়েছে এই মশার যন্ত্রণার সমাধান। আজকে শিখে নিন এমনই দুটি প্রাকৃতিক কার্যকরী উপায় যার মাধ্যমে ঘরকে রাখতে পারবেন একেবারেই মশা মুক্ত।

Tuesday, February 3, 2015

যে কোন বাক্তির ইমেইল খুঁজে পাওয়ার ৩ টি কৌশল

মার্কেটিং এর জন্য সর্ব প্রথম একটা ভাল ধারণা তৈরি করতে হয় । দুর্ভাগ্য বশত একটা ভাল ধারণা তৈরির উদ্দেশ্যে একটা সম্পর্ক শুরু করতে হয় যার জন্য সপবক্স এর প্রয়োজন হয়।
যখন আপনি একজন মার্কেটার হিসেবে যেকোনো জায়গায় একটা বাক্তিগত সম্পর্ক পাওয়ার চেষ্টা , কনটেন্ট মার্কেটিং এর জন্য পার্টনার এর সন্ধান , একটা বাণিজ্যর উন্নতির জন্য আপনার পণ্য ও সেবার সন্ধানি যেকেউ , চাকরি সন্ধানি কেউ , এটা একটা প্রায় দ্রুত কুশল পূর্ণ তালিকা যে কারো ইমেইল বের করার জন্য ।

 

কলাকৌশল ১ : AllMyTweets.net এর ব্যবহার

টুইটার মানুষের সাক্ষাতের একটা বড় স্থান ,কিন্তু কিছু সময় আপনি হয়ত পাবলিক টাইম লাইন এ নিজের পরিচিতি দিতে চান না ।তখন আপনি সোজা বার্তা পাঠান । চলুন তাহলে প্রয়োজনীয় যে কারো ইমেইল সন্ধানে মনযোগী হই ।
অনেক টুইটার বাবহারকারি তাদের কিছু পয়েন্ট এর জন্য তাদের টুইটার লাইফ ইমেইল অ্যাড্রেস এর মাধ্যমে বের হয়ে আসে ।একটা টুল এর ব্যবহার যা AllMyTweets.net নামে পরিচিত ।আপনি প্রতিটি টুইট চেক করতে পারবেনযা কখনও যে কেউ তৈরি করেছিল , এবং একটা ইমেইল অ্যাড্রেস শিকার করতে পারবেন ।
এখানে এটা কেমন করে হল ???

োোোোো
     ১। AllMyTweets.net এ যান ।
২। টার্গেটেড টুইটার হ্যান্ডল টাইপ করুন ।
৩। যখন ফলাফল আসবে তখনব্যবহার করুন “CTRL+F”(অথবা“EDIT –> FIND”যদি শর্টকাট ব্যবহার করতে চান ) এবং ইমেইল টার্মটি সন্ধান করুন ।
৪। কীওয়ার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন টুইট এ যান যেমন “email” , এবং আপনি আরও কিছু সংযজন করতে পারেন টুইট এর সাথে ইমেইল অ্যাড্রেস এর জন্য ।

কলাকৌশল ২ : ইমেইল ফর্মুলার পথ অনুসরণ করে ।

বছর খানেক আগে আমি যখন বাণিজ্য উন্নতির জন্য কাজ করতাম “Dyn” এ , আমি ব্যবহার করার চেষ্টা করতাম এবং যে কারো নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে ইমেইল জানার চেষ্টা করতাম ,শেষ নাম , এবং ডোমেইন । যদি আপনি ভাগ্যবান অনুভব করেন এবং এই পথ চান , তাহলে শুধু পদক্ষেপ ২ লাফ দিয়ে পার হন । যদি আপনি ফরমুলাইক কিছু চান তাহলে পদক্ষেপ ১ হতে শুরু করুন ।
পদক্ষেপ ১ :   বৃহৎ শর্টকাটRob Ousbey, COO at Distilled Mediaযে এই ডকুমেন্টটি তৈরি করেছে সে আপনাকে একজন বাক্তির প্রথম নাম , শেষ নাম , এবং কোম্পানি ডোমেইন । একবার আপনি এই ৩ টি দফা প্রদান করলে ,ইহা আপনাকে কিছু জাদুময় ফলাফল ফেরত দিবে যা রক ওয়েল তইরিতে একটা অন্য হিট লিখা হবে, এবং আপনাকে একটা ফরম্যাট ইউসুয়াল ইমেইল তালিকা দিবে ।
্্্্্্
সুতরাং এখন যদি আপনার অনেক ইমেইল তালিকা থাকে,কিন্তু সেগুলোর একটাও সঠিক কিনা তা জানার কোন পথ থাকবে না , ঠিক ?
এখানে পদক্ষেপ ২ এর জন্য ২ টা উপায় আছে যার মাধ্যমে আপনি ব্যবহার উপযোগী ইমেইল অ্যাড্রেস খুঁজে বের করতে পারবেন ।

পদক্ষেপ ২ (ক): তথ্যপূর্ণ ইমেইল অ্যাড্রেস গুলো নিন এবং রাপ্রটিভ ব্যবহার করুন 

আপনি হয়তো আগে থেকেই রাপ্রটিভ সম্পর্কে জানেন, কিন্তু যদি আপনি না জানেন তাহলে এখনই ইন্সটল করুন ।
রাপ্রটিভ একটা বৃহৎ জিমেইল প্লাগিন যা আপনাকে Linkedin অ্যাকাউন্ট এসোসিয়েটএর সাথে ইমেইল অ্যাড্রেস দেখাবে । আসলে Linkedin এর নিজস্ব রাপ্রটিভ আছে ।
পদক্ষেপ ১ থেকে সব ইমেইলগুলো কপি এবং পেস্ট করুন একটা বার্তা লিখনে “To” জিমেইল এ প্রদান করুন ।
মমমমম
এখন প্রতিটি প্রচ্ছন্ন ইমেইল অ্যাড্রেস এ এক এক করে ক্লিক করুন এবং কিছু সময় অপেক্ষা করুন উপর্যুক্ত তথ্যর জন্য । কিন্তু যদি আপনার তার একটা ইমেইল এসোসিয়েট থাকে তাহলে Linkedin,আপনি তাদের ইমেইল টুগল করার সাথে সাথেতাদের সামাজিক তথ্যগুলো জনপূর্ণ হয় ।

পদক্ষেপ ২ (খ): MailTester.com ব্যবহার করুন 

MailTester.com হয়তো অনলাইনে সদব্যবহারকৃত একটি টুল ।কিন্তু এটা আপনার টার্গেটকৃত মেইল সার্ভার সেট আপ এর ওপরও নির্ভর করে। পদক্ষেপ ১ হতে একটা মেইল নেন , এবংMailTester.com. যান ।
MailTester আপনার দেওয়া মেইলটি নিবে এবং আপনাকে বলবে যে এটা কোন মেইল সার্ভার এর অস্তিত্ব । কিছু সময় মেইল সার্ভার ভেরিফিকেসন ব্লক রাখে , কিন্তু আমি এটাই বলব যে ৭৫% সময়াপ্নি ভ্যালিড ইমেইল অ্যাড্রেস পাবেন ।
MailTester আপনার সন্ধানকৃত ইমেইল অ্যাড্রেস এর কোড রঙিন করবেন এক এক করে যেভাবে আপনি তা সেখানে রাখবেন ।
today work
  • যদি তা হলুদ রঙ এ দেখায় তাহলে বুঝতে হবে তার ভেরিফিকেসন ব্লক আছে ।
  • যদি ইহা লাল রঙ নিক্ষেপ করে তাহলে বুঝতে হবে যে ইমেইল অ্যাড্রেস টি ভ্যালিড নয় ।
  • যদি ইহা সবুজ দেখায় তাহলে বুঝতে হবে যে ইমেইল অ্যাড্রেস টি ভ্যালিড এবং তা পাওয়া গেছে ।

বববব

কলাকৌশল ৩ : বাক্তিগত টার্গেট ওয়েব সাইট এর জন্য একটা “whoisদেখুন

নেটওয়ার্ক জগতে , যেকোনো জায়গায় ডোমেইন তালিকাভুক্তকরনে আপনাকে অবশ্যই ইনফো এসোসিয়েট এর সাথে সেই ডোমেইন নিয়ে যোগাযোগ করতে হবে , এবং সেই ইনফো পাবলিক এর প্রয়োজনীয় হতে হবে। আপনি কি আপনার বাক্তিগত টার্গেট ওয়েব সাইট পেয়েছেন ? , কিন্তু সেগুলো কি যোগাযোগের ইনফো ? অথবা এটা কি একটা আরম্ভ ? , এবং তারা কি এর প্রতিষ্ঠাতা ?
নয়তো তারা ব্যবহার করবে whois protection service (অপরের হইয়া কাল করার একটা ক্ষমতা যা তাদের ইমেইল এর সাথে চুক্তি করে “Dyn calls” , “গোপনীয় তালিকাভুক্তকরন ” হিসেবে), প্রায় সময় আপনি একটি “whois” ব্যবহার করতে পারেন তাদের তথ্য পেতে ।
কেমন করে :

১। আমার সুপারিশকৃত সাইট এ যানWhois.com.
২। আপনার টার্গেটেড ডোমেইন টাইপ করুন ।নিশিন্ত করুন আপনি ছেড়ে যাচ্ছেন “http://” অংশ ।
৩। ফলাফল দেখুন এবং একটা ইমেইল অ্যাড্রেস সন্ধানে আপনাকে সক্ষম হতে হবেযদি টার্গেট ব্যবহার না করেন“whois” সংরক্ষনে ।যেমন ফলাফল দেখাবে তার একটি নমুনা নিম্নে দেখান হল ।
রররররররররররর
শেষে এসব কলাকৌশল আপনাকে আপনার টার্গেটকৃত ইমেইল অ্যাড্রেস খুঁজে পেতে নাও সহায়তা করতে পারে , কিন্তু অধিকাংশ সময় তারা আপনাকে সাহায্য করবে তার থেকেও বেশি যেমনমাইকেল জেকসন টপ ১০ পাওয়ার জন্য রক ওয়েলকে সাহায্য করতেন ।