Thursday, January 21, 2016

১৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি বানান মনে রাখার কৌশল


১৪৩টি গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি বানান মনে রাখার কৌশল


1. Lieutenant (লেফটেনেন্ট) ➫ সামরিক কর্মী। ✎ Lie u ten ant ➫ মিথ্যা তুমি দশ পিপড়া।
2. Psychological (সাইকোলজিক্যাল) ➫ মনস্তাত্ত্বিক। ✎ Psy cholo gi cal ➫ পিসি চলো যাই কাল।
3. Assassination (এ্যাসএ্যাসিনেশন) ➫ গুপ্তহত্যা। ✎ Ass ass i nation -গাধার উপরে গাধা, তার উপরে আমি, আমার উপরে জাতি।
4. Questionnaire ➫ প্রশ্নমালা। ✎ Question nai re ➫ কোশ্চেন নাই রে।
5. Assessment ➫ কর নির্ধারণ। ✎ Ass e ss men t ➫ গাধায় ই ডাবল ss মানুষেতে নাই।
6. Hallucination ➫ অমুলক / অলীক কিছু দেখা বা তাতে বিশ্বাস। ✎ Hall u ci nation-হলে তুমি! ছি জাতি।
7. Diarrhoea ➫ উদারাময়। ✎ Dia rr hoea ➫ ডায়াল করো ডাবল rr হোয়ে যাবে।
8. Bureaucracy ➫ আমলাতন্ত্র। ✎ Burea u cracy ➫ বুড়িয়া তুমি cracy.
9. Restaurant ➫ রেস্টুরেন্ট। ✎ Rest a u r ant ➫ বিশ্রাম এ তুমি আর পিপড়া।
10. Parallel ➫ সমান্তরাল। ✎ Par all e l ➫ পার করো সকলকে ই।
11. Illegitimate ➫ অবৈধ। ✎ Illeg i tim ate ➫ অসুস্থ পায় আমি টিম খেয়েছিলাম।
12. Miscellaneous ➫ বিবিধ। ✎ Mis cell an e o us-মিস করলে একটি সেলে ই ও আমাদের সাথে থাকবে। (cell-ক্ষুদ্র কক্ষ)।

কিছু প্রয়োজনীয় ইংরেজি বানানঃ
1) ☆ Accommodation(বাসস্থান)
2) ☆ Brilliant(মেধাবী)
3) ☆ Bulletin(বুলেটিন)
4) ☆ Burglar(চোর)
5) ☆ Challenge(চ্যালেন্জ)
6) ☆ Cigarette(সিগরেট)
7) ☆ Colonel(কর্নেল)
8) ☆ Commission(কমিশন)
9) ☆ Committee(কমিটি)
10) ☆ Guerrilla(গেরিলা যুদ্ধা)
11) ☆ Leisure(অবসর)
12) ☆ Maintenance(ভরণপোষণ)
13) ☆ Millennium(সহস্রাব্দ)
14) ☆ Misspell(ভুল বানান করা)
15) ☆ Questionnaire(প্রশ্নমালা)
কতিপয় গুরুত্বপূর্ণ ইংরেজি বানান,যেগুলো আমরা প্রায়ই ভুল করি…….
16) Aberration ➫ বিপদগামিতা/নীতিভ্রংশ
17) Accessory ➫ অপরাধের সহযোগী
18) Acclivity ➫ উর্ধ্বমুখী ঢাল/চড়াই
19) Amateur ➫ শৌখিন/অপেশাদার
20) Ammunition ➫ গোলা-বারুদের ভাণ্ডার
21) Anaemia ➫ রক্তাল্পতা
22) Anesthesia ➫ অনুভূতিবিলোপ/অবেদন
23) Apocalypse ➫ (জগতের ভবিষ্যত পরিণতি বিষয়ে) ঈশ্বরলব্ধ দিব্যজ্ঞান
24) Archipelago ➫ দ্বীপপুঞ্জ
25) Assassin ➫ গুপ্তঘাতক
26) Avaricious ➫ লোলুপ/লোভী
27) Besiege ➫ অবরোধ করা/চারিদিক থেকে আক্রমণ করা
28) Bourgeois ➫ সম্পদশালী/মধ্যবিত্ত শ্রেণীর লোক
29) Camouflage ➫ ছদ্মবেশ/কপটবেশ
30) Celestial ➫ স্বর্গীয়/দিব্য
31) Cemetery ➫ সমাধিক্ষেত্র/গোরস্থান
32) Colonel ➫ উচ্চতর পদমর্যাদার সেনাপতি/কর্নেল
33) Commemoration ➫ স্মৃতিরক্ষার্থে অনুষ্ঠান
34) Commencement ➫ সূচনা/আরম্ভ
35) Commodity ➫ পণ্যদ্রব্য
36) Complaisant ➫ সৌজন্যপূর্ণ/সন্তোষ উৎপাদনে আগ্রহী
37) Contemporaneous ➫ সমকালীন/
সমসাময়িক
38) Contemptuous ➫ ঘৃণ্য/অবজ্ঞেয়
39) Councillor/Counsellor ➫ পরিষদের সদস্য/উপদেষ্টা
40) Counterfeit ➫ জাল/নকল
41) Curriculum ➫ পাঠ্যসূচি
42) Delinquency ➫ দুষ্কৃতি/অপকর্ম
43) Dilettante ➫ (কাব্য/সঙ্গীত বিষয়ে) অগভীর জ্ঞানসম্পন্ন
44) Disciplinarian ➫ কঠোর শাসক
45) Dyspepsia ➫ অজীর্ণ রোগ/বদহজম
46) Elephantiasis ➫ গোদ/পা ফোলা রোগ
47) Embarrassment ➫ অস্বস্তি/মানসিক দুশ্চিন্তা
48) Encyclopedia ➫ বিশ্বকোষ/জ্ঞানকোষ
49) Erroneous ➫ অশুদ্ধ/ভ্রান্ত
50) Etiquette ➫ শিষ্টাচার/নম্র আচরণ
51) Etiquette ➫ নম্র আচরণ/শিষ্টাচার
52) Exaggerate ➫ অতিরঞ্জিত করা
53) Factitious ➫ অস্বাভাবিক/কৃত্রিম
54) Flicker ➫ মিট মিট করা
55) Gargantuan ➫ প্রকাণ্ড/সুবিপুল/দানবীয়
56) Grandeur ➫ মহিমা/বিশালতা
57) Gymnasium ➫ শরীরচর্চা কেন্দ্র
58) Hereditary ➫ বংশানুক্রমিক/কৌলিক
59) Hippopotamus ➫ জলহস্তী
60) Homogeneous ➫ সমজাতীয়
61) Honorary ➫ অবৈতনিক/সম্মানসূচক
62) Humorous ➫ রসিকতাপূর্ণ
63) Hyacinth ➫ কচুরিপানা
64) Idiosyncrasy ➫ স্বভাব বৈশিষ্ট্য/আচরণ
65) Inapplicable ➫ অপ্রযোজ্য/অনুপযুক্ত
66) Incorrigible ➫ অশোধনীয়/অপ্রতিকার্য
67) Infinitesimal ➫ অতিক্ষুদ্র/অনীয়ান
68) Inheritance ➫ উত্তরাধিকার
69) Interruption ➫ ব্যাঘাত/বিঘ্ন/বাধা
70) Irreconcilable ➫ বিসঙ্গত/অসদৃশ
71) Irresponsible ➫ দায়িত্বহীন/বেপরোয়া
72) Irreversible ➫ অপরিবর্তনীয়
73) Itinerant ➫ পরিভ্রমী/ভ্রমণশীল
74) Jewelry ➫ রত্নখচিত অলঙ্কারাদির সমগ্র
75) Magniloquent ➫ বাগাড়ম্বরপূর্ণ/বড় বড় কথা বলে এমন
76) Malediction ➫ অভিশাপ
77) Manoeuvre ➫ কৌশল
78) Masquerade ➫ ভান বা ছদ্মবেশ ধারণ করা
79) Mediterranean ➫ ভূমধ্যসাগরীয়
80) Mellifluous ➫ সুমধুর/সুললিত
81) Mellifluous ➫ সুমধুর/সুললিত
82) Mercenary ➫ ভাড়াটে সৈনিক বা কর্মী
83) Millennium ➫ সহস্রাব্দ/বর্ষসহস্রক
84) Millionaire ➫ কোটিপতি/অতি ধনাঢ্য ব্যক্তি
85) Monotonous ➫ একঘেয়ে/বৈচিত্র্যহীন
86) Multifarious ➫ নানাবিধ/বিচিত্র
87) Nauseous ➫ বিতৃষ্ণাজনক
88) Omelet ➫ ডিম ভাজা/মামলেট
89) Omission ➫ বর্জন/বাতিল
90) Opprobrious ➫ অশোভন
91) Orthodoxy ➫ গোঁড়ামি
92) Oscillate ➫ দোলানো/আন্দোলিত করা
93) Palliate ➫ প্রশমন/লাঘব করা
94) Pedagogue ➫ স্কুলশিক্ষক/পণ্ডিতপ্রবর
95) Peevish ➫ বিরক্তিকর
96) Phthisis ➫ যক্ষ্মারোগ
97) Physique ➫ দৈহিক গঠন
98) Pomegranate ➫ ডালিম
99) Predecessor ➫ পূর্বসূরী
100) Procession ➫ মিছিল/শোভাযাত্রা
101) Prodigious ➫ অতিবৃহৎ
102) Prolegomenon ➫ গ্রন্থাভাষ/ভূমিকা
103) Pseudonym ➫ ছদ্মনাম
104) Pulchritude ➫ দৈহিক সৌন্দর্য
105) Questionnaire ➫ প্রশ্নাবলী
106) Receipt ➫ প্রাপ্তি
107) Recommendation ➫ সুপারিশ/পরামর্শ
108) Reconciliation ➫ সামঞ্জস্যবিধান/
মীমাংসা
109) Reconnaissance ➫ তথ্যসংক্রান্ত অভিযান
110) Referendum ➫ গণভোট
111) Regeneration ➫ আধ্যাত্মিক পুনর্জম্ম/
নবজন্মলাভ
112) Reminiscence ➫ স্মৃতিচারণ
113) Rendezvous ➫ মিলনস্থল
114) Rhinoceros ➫ গণ্ডার
115) Sanatorium ➫ স্বাস্থ্যকেন্দ্র
116) Scissors ➫ কাঁচি
117) Shaggy ➫ রুক্ষ/মোটা ও অপরিপাটি
118) Simultaneous ➫ যুগপৎ/সমকালীন
119) Sobriety ➫ আত্মনিয়ন্ত্রণ/সংযম
120) Souvenir ➫ স্মৃতিচিহ্ন
121) Stereotype ➫ গৎবাঁধা/অপরিবর্তনীয়
122) Successive ➫ ক্রমাগত/পারস্পরিক
123) Superiority ➫ শ্রেষ্ঠতা/উৎকৃষ্টতা
124) Superstition ➫ কুসংস্কার/অন্ধবিশ্বাস
125) Thesaurus ➫ ভাব-অভিধান
126) Transliterate ➫ ভিন্ন ভাষায় রূপান্তর করা
127) Unparalleled ➫ অতুলনীয়/অদ্বিতীয়
128) Vehement ➫ প্রবল/ব্যগ্র/উদ্দাম
129) Vendetta ➫ বংশানুক্রমিক প্রতিহিংসা
130) Veterinary ➫ পশুচিকিৎসক
131) Vicissitude ➫ উত্থানপতন/পরিবর্তন

Saturday, August 15, 2015

দেখে নিন আপনার ফেসবুক প্রোফাইলে কে কে ভিজিট করেছে!

কীভাবে দেখবেন কে কে আপনার ফেসবুক প্রফাইল ভিজিট করেছে এবং সবচেয়ে বেশি কে
ভিজিট করেছে (অ্যাপ ছাড়া)আমরা অনেক সময় কৌতুহল বশত জানতে চাই যে “ কে কে আমার
প্রফাইল ভিজিট করলো ?”আবার অনেক সময় জানতে ইচ্ছে করে “ ফেসবুকের কোন বন্ধুটা চুপটি
করে এসে কে আমার এফবি প্রফাইলসবচেয়ে বেশি উলটে পালটে ঘুরে ঘুরে দেখেছে ?”
সামান্য কিছু পদ্ধতিতে দেখুন কিভাবে মেটাবেন আপনার কৌতুহল।
১) প্রথমে আপনার ফেসবুক একাউন্ট এলগিন করুন।
২) তারপর আপনার প্রফাইল পেজেপ্রবেশ করুন।
৩) এখন কিবোর্ড থেকে Ctrl+Uপ্রেস করুন একসাথে, আপনি আপনারপ্রফাইল পেজের সোর্স কোড দেখতে পাবেন।
৪) এখন কিবোর্ড থেকে CTRL+Fপ্রেস করুন। যে বক্স আসবে অর্থাৎ একটা সার্চ বক্স আসবে সেখানে
এই লিখাটা দিন তারপর সার্চ করুন{“list”:
৫) {“list”: এখানে অনেকগুলি আইডিনাম্বার থাকবে কমা দিয়ে। প্রথমে যেই আইডিটা থাকবেসেইটা হচ্ছে যে সবচেয়ে বেশি আপনার প্রফাইল ভিজিট করেছে
তার আইডি।
৬) এখন চিন্তা করছেন নাম নাদেখা গেলে আইডি নাম্বার দিয়ে কি করবেন ? তো যেকোনএকটা আইদি নাম্বার কপি করেন তারপর নতুন একটা টেব খুলে
এইভাবে দিয়ে এন্টার প্রেস করুনদেখেন কীভাবে ঐ ব্যক্তির পুরা প্রফাইল চলে আসতেছে।
http://www.facebook.com/
Facebook_Profile_Id এখানে Facebook
Profile Id এর জায়গায় আপনার
কাক্ষিত আইডি টি দিবেন।
উদাহরণঃ http://
www.facebook.com/123456789012
বিঃদ্রঃ যদি {“list”: দিয়ে সার্চ
দেওয়ার পর লম্বা লিস্ট শো করে
তাহলে উপরে View থেকে wrap Long
Lines এ টিক দিলেই সবগুলি নিচের
ছবির মত দেখা যাবে।

Monday, July 27, 2015

মোটরসাইকেল এর জ্বালানী সাশ্রয়ের ১০টি কৌশল

আপনি যে রাস্তায় বাইক চালান এবংআপনার বাইকের অবস্থা এ দুটি বিষয়ের আপনার জ্বালানী ব্যবহারের
পরিমাণের উপর প্রভাব রয়েছে।এখানে জ্বালানী সাশ্রয়ের ১০ টি উপায় ( 10 Tips For Fuel Efficiency) রয়েছে যেগুলো আপনাকে জ্বালানী এবং অর্থ দুটোই বাঁচাতে সাহায্য করবে ।
এটা আপনাকে পৃথিবীকে বাঁচাতেওসাহায্য করবে এবং অতিরিক্ত সুবিধা হিসেবে পরিবেশকেও সাহায্য করবে। বাইক চালানো একটি সখ যা মানুষ
লালন করে আসছে তখন থেকে যখনথেকে প্যাডেলযুক্ত পরিবহন ব্যবস্থাপ্রবর্তিত হয়েছে । যেহেতু এটা জৈব জ্বালানী দ্বারা চলে, এটি প্রচুর দূষণ
সৃষ্টি করে। তাই পরিবেশ পরিস্কাররাখা এবং একটি জ্বালানী সাশ্রয়ী ও ভালো বাইকের জন্য নিন্মের ধাপগুলো অনুসারান করুন ।

১.আপনার বাইকের ব্যবহার সীমিত করুনঃ
যানবাহন যাত্রার শুরুতে এবং স্বল্পদূরত্বের যাত্রায় বেশী জ্বালানী খরচ করে এবং দূষণ ঘটায় । এর একটি কারণহতে পারে ক্যাটালাইটিক কনভার্টার ( অনুঘটক রুপান্তরক)সঠিকভাবে কাজ করছে না । সাধারণত পাঁচ কিলোমিটারের কম দূরত্বেইঞ্জিন এদের সর্বোচ্চ পরিচালন তাপমাত্রায় পৌঁছাতে দেয় না ।অনেকগুলো ভ্রমণের পরিবর্তে অপ্রয়োজনীয় ভ্রমণগুলোর জন্য একটিপরিকল্পনা করুন যাতে সেগুলো এক ভ্রমণে করা যায় এবং সময় ও জ্বালানীউভয়ই বাচানো যায় । হাটা বা সাইকেলের সাহায্যে কাছের ভ্রমণগুলো সম্পন্ন করুন । এটা প্রতি কিলোমিটারে গ্রিন হাউস গ্যাসেরনিঃসরণ প্রতি কেজিতে চার ভাগের এক কমাবে সাথে সাথেআপনাকে স্বাস্থ্যকর ব্যায়ামও দেবে ।

২. সঠিক গিয়ারে বাইক চালানঃ
আপানার প্রয়োজনের চেয়ে নীচের গিয়ারে বাইক চালালে জ্বালানীর অপচয় হয় এবং কোনায় কিংবাপাহাড়ে উঠার সময় ইঞ্জিনের সর্বোচ্চ শক্তি প্রয়োগ করলেও জ্বালানীর অপচয়হয় । যখন বাইক উপরে গিয়ারের জন্য প্রস্তুত হবে যত দ্রুত সম্ভব গিয়ার উপরেতুলুন কিন্তু স্বাভাবিকের চেয়ে বেশী গতি বৃদ্ধি করে নয় ।

৩. শান্তভাবে বাইকচালানঃ
থামা/চলা এভাবে বাইক চালালে বাইক কম জ্বালানী সাশ্রয়ী ও দূষণীয় হয় । ব্যস্ত সময়ে ভ্রমণ পরিহার করুন এবংজ্যাম যুক্ত রাস্তা যখন সম্ভব পরিহার করুন ।

৪. ধীরে ধীরে গতিবাড়ানঃ
ইঞ্জিনের বেশী ঘূর্ণন মানেই বেশীপেট্রলের ব্যবহার । আপনার সামনের গাড়ির চেয়ে নিরাপদ দূরত্বে চালানএতে আপনি যানজটের সাথে তালমিলিয়ে চলতে পারবেন ।এটা অপ্রয়োজনীয় গতি বৃদ্ধি এবং যত্রতত্র ব্রেক করা কমাবে যেটা জ্বালানীর অপচয় কমাবে । এটা আপনাকে নিরাপদও রাখবে ।

৫.বুদ্ধিমত্তার সাথে জ্বালানীর অপচয়রোধ করুনঃ
যদি আপনার ইঞ্জিন বন্ধ করা সম্ভব হয়তাহলে এক বা দুই মিনিটের কেনাকাটার সময় ইঞ্জিন বন্ধ রাখুন ।আধুনিক বাইকসমূহ কার্যত কোন জ্বালানীর অপচয় করে না তাই ফিরেএসে ইঞ্জিন চালু করলে আপনার জ্বালানীর বেশী অপচয় হবে না ।

৬.গতি কমিয়ে সাস্রয় করুনঃ
যখন সম্ভব অতিরিক্ত গতি পরিহার করুন ।৮৫ মাইল বেগে বাইক চালালে সেটি ২৫% বেশী জ্বালানী খরচ করে যখনআপনি ৭০ মাইল বেগে বাইক চালাবেন ।

৭.নিয়মিত টায়ারের চাপ পরীক্ষা করুনঃ
প্রতি মাসে অন্তত একবার এবং দীর্ঘভ্রমণের পূর্বে টায়ারের চাপ পরীক্ষা করুন । কম চাপের টায়ার শুধুমাত্রবিপদজনক নয় এটা আপনার জ্বালানীর ব্যবহারও বাড়াবে । যখন টায়ারেরচাপ পরীক্ষা করা হবে তখন এর ফোলা অংশের গভীরতাও মাপা উচিত এটাজানার জন্য যে এগুলো আইনত উপযোগী।

৮.কম ওজন নিয়ে ভ্রমণ করুনঃ
বাইক যত বেশী ওজন বহন করবে তত বেশীজ্বালানী ব্যবহার করবে । আপনার বাইককে গাড়ির মতো ব্যবহার করবেননা এবং দুই জনের বেশী যাত্রী বহন করবেন না ।

৯. আপনার বাইককে ভালভাবে রক্ষনাবেক্ষণ করুনঃ
আপনার বাইককে ভালোভাবে ওনিয়মিত রক্ষনাবেক্ষণ করুন । উৎপাদকের পরামর্শ অনুযায়ী নিয়মিত সার্ভিসিং করান ।

১০.গণপরিবহন ব্যবহার করুনঃ
 একা বাইক চালানোর পরিবর্তেসাইকেল বা বাসে চড়ুন । কাজে যাওয়ার সময় আপনার বাইক আপনার বন্ধুবা অন্য কারো সাথে শেয়ার করুন ,এতে পেট্রলের খরচ দ্বিগুণ কমে যাবে । এটা হল অনেকগুলো ভালো উপায়ের একটি যা দুজনেরই তেল খরচ কমাবে এবং পরিবেশ ও প্রাকৃতিক তেলের নিঃসরণ কমাবে। একটি পরিস্কার স্পার্ক প্লাগ ও অয়েল ফিল্টারের মাধ্যমে আপনি নিজেই তেলের খরচ ২০% কমিয়ে ফেলতে পারেন । অন্যদিকে চালকের জন্য সরবরাহকৃত
ম্যানুয়ালটি পড়লে আপনি সর্বাধিক মাইলেজের উপায় খুঁজে পাবেন । তাই আপনার জ্বালানী খরচ কমানোর জন্য এটা হল মোটরসাইকেল জ্বালানী সাশ্রয়ী করার ১০টি কৌশল।

বাইক রাইডিং এর ক্ষেত্রে ১০ টি মারাত্মক সেফটি টিপস

বর্তমান সময়ে বাইক রাইডিং একটাপ্যাশন এবং অনেকের ক্ষেত্রে এটা একটা নেশায় পরিণিত হয়েছে । কিন্তু আমরা সবাই’ই জানি যে বাইকরাইডিং এ অনেক রিস্ক রয়েছে এবং সেগুলো মোকাবেলা করেই বাইক
রাইড করতে হয় । না হলে আপনি বাযেকোন রাইডারই এক্সিডেন্টের সম্মুখীন হতে পারে এবং বাইক
এক্সিডেন্টের ফলে প্রতিদিনই অনেক মানুষ আহত হচ্ছে এমনকী অনেকে মারাও যাচ্ছে । তাই রাইডিং এর আগে কীভাবে সেফলি বাইক রাইড করা যায় সে বিষয়ে আমাদের জানা উচিৎ । আর এটাই আমাদের আজকের আলোচনার বিষয । আজ আমি আপনাদের বাইক রাইডিং এর কিছু সেফটি টিপস
দিব যেগুলো আশা করি আপনাদের কাজে লাগবে ।

হেলমেট:
আমরা সবাই জানি যে হেলমেট এর মতগুরুত্বপূর্ণ জিনিস রাইডিং রে ক্ষেত্রে আর হয় না । এটা রাইডারের মাথার সেফটি দিয়ে থাকে এবং
বেশীরভাগ এক্সিডেন্টে রাইডারের মাথাই ইনজুরি হয়ে থাকে । তাই , রাইডিং এর আগে সব রাইডারের
একটা ভাল এবং তার সাথে ফিটএকটা হেলমেট চয়েজ করা দরকার । এটা খুব টাইট বা খুব লুস হবার কোন দরকার নেই । এটা যেন আপনার মাথার সাথে
পারফেক্টলি ফিট হয় । আর এটা কেনারসময় ডিজাইন বা স্টাইল না দেখে এটার সেফটি পাওয়ার দেখে কেনাই ভাল ।

মনোযোগীতা:
রাইডং এর সময় বাইকারের এটেশনসবসময় রোডের দিকে থাকাই ভাল । না হলে অনাকাঙ্খিত দূর্ঘটনা ঘটতে পারে । আপনার চোখ সবসময় রোডের
উপর রাখুন । অন্যমনস্ক ভাবে রাইডিংএক্সিডেন্টের অন্যতম প্রধান কারণ । আর আপনার সামনে বা পেছনে কোন বাইক বা অন্য কোন যানবাহন আছে কীনা সেটার দিকে লক্ষ্য রাখুন । টার্ণিংএর সময় পুরো রোডের দিকে ভালভাবে খেয়াল করে টার্ণ করুন ।
রাস্তার ট্রাফিকের বিষয়টা এক্ষেত্রে মাথায় রাখুন ।

প্যাসেঞ্জার:
রোডে সিঙ্গেল রাইড করছেন এমনপাবলিক খুব কমই দেখা যায় ।সবসময়ই বাইকের পেছনে একজন সহ রাইডিং এর বিষয়টা বেশী নজরে পড়ে । রাইডিং
এর ক্ষেত্রে প্যাসেঞ্জারও একটা ভাইটাল রোল প্লে করে । রাইডিং এর আগে আপনার পেছনের যাত্রী ঠিকমত
বসতে পেরেছে কীনা সেটা লক্ষ্যরাখুন । অনেক সময় পেছনে বসা কারোর নড়াচড়া বা অনাকাঙ্খিত মুভমেন্টের কারণেও বিপদ ঘটে থাকে । আর আপনি
একজন প্যাসেঞ্জার নিয়ে রাইড করতেকতটা অভিজ্ঞ সেটাও একটা বিষয় । আপনাকে সবসময় মাথায় রাখতে হবে যে আপনার পেছনে একজন বসে আছে
এবং সেই অনুসারে রাইড করা উচিৎ । ‌

আবহাওয়া:
খারাপ আবহাওয়াতে আপনার রাইডিং এ না যাওয়াই ভাল । কারণ বৃষ্টির সময় রোড ভেজা থাকার
কারণে আপনার বাইকের চাকা খুব সহজেই স্লিপ করতে পারে । খুব ইমারজেন্সি কোন দরকার ছাড়া বৃষ্টির সময় আপনার বাইক নিয়ে না বের হওয়াই
ভাল । যদিও আপনি অভিজ্ঞ এবং ভালরাইডার হন , তারপরও বৃষ্টির সময় রিস্ক না নেওয়াটাই বেটার । আর বৃষ্টির সময় রাইডিং এ গেলে অবশ্যই বাইক খুব
আস্তে রাইড করবেন এবং ব্রেকিং এর সময় হার্ড ব্রেকিং থেকে বিরত থাকবেন ।

টেকনোলজি:
বর্তমানে নতুন টেকনোলজির এন্টি লক ব্রেকিং সিস্টেমের ফলে ব্রেকিং সিস্টেম একটা অন্যরকম উচ্চতায় চলে গেছে । কিন্তু , এটা বর্তমানে
বেশীরভাগ রাইডারের কাছেই নতুনএকটা বিষয় এবং বেশিরভাগ রাইডার এটা সম্পর্কে ভালভাবে বুঝে উঠতে পারেননি । এটা যখন আপনার চাকাকে
লক করে দেয় তখন নতুন রাইডার হলেভয়ে বা অন্য যেকোন কারণে আপনি বাইকের কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলতে পারেন । তাই , নতুন কোন টেকনোলজি
ভালভাবে প্রাকটিস করে ইউজ শুরু করুন ।

হেডফোন বন্ধ রাখুন:
রাইডিং এর সময় এটেনশন যে একটাগুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্ট সেটা আগেও বলেছি ।যেকোন প্রকার অমনোযোগীতা
আপনার বিপদ ডেকে আনতে পারে ।তাই , রাইডিং এর সময় কানে হেডফোন দিয়ে গান শোনা বা কথা
বলা থেকে বিরত থাকুন । কারণ , এটাএকই সাথে আপনাকে অমনোযোগী করে দেয় এবং আশেপাশের কোন যানবাহনের হর্ন আপনি শুনতে পাবেন
না কানে হেডফোন থাকলে ।

স্কিল:
মোটরসাইকেল রাইডিং অবশ্যই একটাস্কিল এর বিষয় , এবং আপনি কত ভালভাবে মোটরসাইকেল রাইড করতে পারেন সেটা আপনার স্কিলের উপর
ডিপেন্ড করে । আর এক্ষেত্রে সবারনিজের স্কিল ফলো করাই উচিৎ ।কোনসময়্ই আপনার স্কিলের সাথে অন্য
কারও স্কিল তুলনা করবেন না , কারণ ,আপনি যার রাইডিং স্টাইল নল করতে চাইছেন তার স্কিল আপনার মত নাও হতে পারে । তাই , এটা একটা
বোকামী । রাইডিং এর মাধ্যমেআপনার নিজের স্কিল ডেভলপ করুন । সেটাই সবথেকে ভাল । ‌

এ্যাপিয়ারেন্স:
রাইডারের এপিয়ারেন্স রাইডিং এরক্ষেত্রে সবসময় ভাল হওয়া উচিৎ ।আপনার উচিৎ রাইডিং এর সময় একটা ভাল বুট পড়ে রাইড করা । এটা আপনার
গিয়ার শিফটিং এর সময় সহায়তা করাসহ যেকোন দূর্ঘটনা থেকে আপনার পাকে সুরক্ষা দেয় । রাইডিং এর সময় ইন্জিনের তাপে আপনার পা পুড়ে
যাবার সম্ভাবনা থাকে । একটা ভালরাইডিং বুট আপনাকে এটা থেকেও নিরাপত্তা দিতে পারে । আর আপনার জুতার সোল সবসময় একটু অমসৃণ হওয়া উচিৎ,  কারণ , সোল নরম ও মসৃন হলে আপনার পা
স্লিপ করতে পারে ।

বাইকারের ড্রেস:
খুব টাইট বা ঢিলাঢোলা ড্রেসআপকোন রাইডারের জন্যই ভাল না ।কারণ এটা আপনাকে ভাল নিরাপত্তা
দিতে পারে না । আপনার ড্রেসহিসেবে লেদার একটা প্রথম চয়েজ হতে পারে কারণ আপনি বাইক থেকে
পড়ে গেলে এটা আপনার বডিকেইনজুরি থেকে রক্ষা করে । আর এমনড্রেস চয়েজ করবেন না যেটা
বাতাসের বাধা সৃষ্টি করতে পারে ।কারণ , হাই স্পীডে বাতাসের বাধার কারণে অনেক সময় মারাত্মক সমস্যা
হয়ে থাকে । ‌

আইন সম্পর্কে জানুন:
একজন রাইডারের জন্য ফাইনাল টিপসহল রাইডারের উচিৎ একটা মোটরসাইকেল সেফটি কোর্স করা ।
মোটরসাইকেলের লাইসেন্স করার সময়আপনাকে এই কোর্সের জন্য পরীক্ষা করে নেওয়া হয় । এই সময় আপনি আপনার দেশের ট্রাফিক সেফটি আইন সম্পর্কে জানতে পারবেন এবং কীভাবে
ইমারজেন্সী সিচুয়েশনে বাইক কন্ট্রোল করতে হয় সেই বিষয়েও জানতে পারবেন । এই সময় ইনস্ট্রাকটর
আপনাকে মোটরসাইকেল মেইনটেইন্সএবং আনসেফ সিচুয়েশন কীভাবে হ্যান্ডেল করতে হয় সে বিষয়েও টিপস দিবে । মোটামোটি আপনি এই সময়
মোটরসাইকেলের সেফটি বিষয়ে
অনেক কিছু জানতে পারবেন ।

১০ টা রাইডিং টিপস যেগুলো আপনি হয়ত জানেন না

বাইক রাইডিং এর ক্ষেত্র্রে প্যাশন রয়েছে এমন মানুষের সংখ্যা দিন দিন বেড়েই চলেছে । আর সেই সাথে বাইকের  সংখ্যাও । আর মানুষ দিনি বাইককে বিভিন্ন কাজে ইউজ শুরু করেছে । বর্তমানে তরুন প্রজন্মের কাছে বাইক হল একটা নেশার মত । তারা বাইক নিয়ে রেসিং , স্ট্যান্টিং প্রভৃতি করে থাকে । তাদের মজার স্থান যেন ওই একটাই ।
তাই আজ আমি বাইক রাইডিং নিয়ে বেশ কিছু টিপস দিতে হাজির হলাম আপনাদের কাছে । আজকের এই টিপসগুলো হল বাইক রাইডিং এর সেফটি ও বিভিন্ন কলাকৌশল সম্পর্কে । ট্রাফিকের ভেতর ভাল ব্যালান্সের জন্য পেছনের ব্রেক
ইউজ করুন বেশী ট্রাফিকের ভেতর বাইক রাইড করা হল অন্যতম একটা কঠিন কাজ ।এসময় রাইডিং এর স্পীড অনেক কম থাকে এবং আপনাকে সবসময়ই আশেপাশের পরিস্থিতি সম্পর্কে লক্ষ্য রাখতে হয় । সাধারণত আপনি হয়ত ট্রাফিকের ভেতর বাইকের সামনের ব্রেকটাই ইউজ করেন বেশী । কারণ এর স্টপিং পাওয়ার বেশী । কিন্তু ট্রাফিকের
ভেতর সামনের ব্রেক ইউজ করলে আপনার বাইকের সমস্ত ভার গিয়ে পড়ে সামনের চাকার উপর এবং সেখান থেকে আবার এক্সেলেরেট করতে গেলে আপনাকে অনেক ঝামেলা পোহাতে হয় । যেমন অনেক সময় হার্ড ব্রেকিং এর ফলে আপনার বা্ইকটি পড়ে যেতে পারে বা আপান কন্ট্রোল হারিয়ে ফেলতে পারেন । আর হঠাৎ করে সামনের ব্রেক ধরলে চাকাও স্লিপ করতে পারে । কিন্তু , আপনি যদি ট্রাফিকের ভেতর আপনার পেছনের ব্রেকটি ইউজ করেন তাহলে এটা আপনাকে আরও বেশী কন্ট্রোল দিবে । হয়তবা এর স্টপিং পাওয়ার একটু কম , তারপরও এই পেছনের ব্রেক ইউজ
করলে এটা আপনাকে ভাল ব্যাল্রন্স দেবার পাশাপাশি বাইকের বিভিন্ন পার্টসের ক্ষয়ও রোধ করে । গিয়ার অনুসারে
থ্রোটল ওপেন করুন সবসময় ব্রেকিং এর সময় গিয়ার কমিয়ে আনুন । কারণ , কম গিয়ারে বাইক বেশী RPM এ যেতে পারে না । ফলে গিয়ার কম থাকলে অটোমেটিকলি একটা ব্রেকিং হয়ে যায় । অবশ্য এটা একটা প্রাকটিসের বিষয় । আপনি আস্তে করে ব্রেকটা ধরে এবং অন্য হাতে ক্লাচ ধরে আপনার গিয়ার কমিয়ে ফেলুন ,এই সময় আপনি থ্রোটলটা এই গিয়ারে যেমন থাকা উচিৎ , অর্থাৎ যেমন থাকলে বাইকটি অতিরিক্ত শব্দ করবে না সে রকম ধরুন এবং ক্লাচ ছেড়ে দিন । এর ফলে দেখবেন আপনার বাইকের স্পীড অটোমেটিকলি কমে গেছে । পুরো ব্যাপারটা একবারে না করে
প্রাকটিসের মাধ্যমে এটাতে এ্যাকুরেসি আনুন । কর্নারিং এর জন্য আস্তে করে পেছনের ব্রেক ধরুন কর্নারিং হল সবার কাছেই একটা বেশ চ্যালেঞ্জিং জিনিস । এটা দ্রুত করতে পারলে বাইক রাইডিং এর অনেকটাই আয়ত্ত্ব হয়ে যায় । যে যত
নিখুতভাবে কর্নারিং করতে পারে , সে তত দ্রুত বাইক রাইড করতে পারে । কারণ , কর্নারে গিয়ে স্পীড কমে গেলে সেখানে একজন রাইডার অনেক পিছিয়ে পড়েন । কর্নারিং এর ক্ষেত্রে আাপনি ব্রেকিং করতে পারেন । কিন্তু আপনি
যদি এসময় সামনের ব্রেক ইউজ করেন তাহলে এটা আপনার স্পীড অনেক কমিয়ে দিবে এবং সেখান থেকে স্পীড আপ করতে আপনার বেশ টাইম লাগবে । তাই কর্নারিং এর সময় আপনার পেছনের ব্রেক ইউজ করা উচিৎ । কারণ , এটা আপনার বাইকের স্পঅড খুব একটা কমিয়ে দিবে না আবার সেফলি ও দ্রুত কর্নারিং এর সুযোগ করে দেবে । আপনি প্রথমে কর্নারিং এর সময় সামান্য পেছনের ব্রেকটা ধরে কর্নারিং করৃন । এরপর কর্নারেং এর ঠিক আগে ব্রেক এপ্লাই করুন । এভাবে ব্রেকিৃ এর টাইম পর পর কমিয়ে আনতে চেষ্ট করুন । এভাবে প্রাকটিস করলে আপনি একসময় আপনার সঠিক ব্রেকিং এর লিমিট ও টাইমিং সম্পর্কে ভালভাবে বুঝে যাবেন । এটা আপনাকে অনেক ফাস্ট কর্নারিং
করতে দিবে । এটা আপনাকে অনেক সেফটিও দিবে ।কারণ , পেছনের ব্রেক এপ্লাই করলে বাইক স্লিপ করার
সম্ভাবনাও অনেক কম থাকে । কর্নারে কেমনভাবে রাইড করবেন ধরূন আপনি এমন একটা স্থানে রয়েছেন যেখান থেকে আপনি রাস্তুর পরের অংশটুকু দেখতে পাচ্ছেন না । অর্থাৎ , আপনি একটা কর্নারে এ রয়েছেন এবং এই কর্নারের অপার পাশে আপনি কিছুই দেখতে পাচ্ছেন না । এক্ষেত্রে যেখানে রোডের দুই সাইডই একসাথে মিলিত হয়েছে সেই  পয়েন্টে দেখুন । যদি দেখতে পান যে সেই পয়েন্টটি আপনার থেকে একই দুরত্বে থেকে যাচ্ছে তাহলে বুঝবেন যে মোড়টা
আপনার থেকে বেশ দূরে । যদি রাইডিং এর সময় এটা আপনার দিকে পরপর এগিয়ে আসে তাহলে বুঝবেন যে এটা বেশ সংকীণূ একটা মোড় বা কর্নার । ফলে এসময় এক্সেলেরেট না করাই ভাল । আর যদি দেখতে পন যে কর্নারের অপর পাশে আপনি দেখতে পাচ্ছেন , তাহলে এক্সেলেরিটিং শুরু করুন । প্রাকটিস করতে থাকুন ইন্জিনের জোরে শব্দ , বাইকের উজ্জ্বল রং বা বে ভাল টায়ার কোনটাই আপনাকে সেফ এবং ফাস্ট রাইডিং এ সাহায্য করবে না । কিন্তু  আপনার প্রাকটিস এটা করতে পারে । আপনার টাইম এবং টাকা বাইক রাইডিং এ প্রাকটিসের পেছনে খরচ করুন । ভাল রাইডিং গুলো প্রাকটিস করুন এবং রাইডিং এর পেছনে টাইম দিন । ভাল রাইডিং এর টেকনিকগুলো জানার
চেষ্ট করুন । এভাবেই আপনি একজন ভাল রাইডার হয়ে উঠতে পারেন । আপনার হাতের কনুই এর ব্যাবহার একথা সবাই বলে থাকেন যে ভাল রাইডিং এর জন্য আপনার ওজন সবসময় আপনার হাতের উপর ছেড়ে দিতে হবে । ফলে আপনি বেশ দ্রুত ও সেফলি রাইড করতে পারবেন । কিন্তু ব্রেকিং এর সময় এই কাজটা অনেক কঠিন হয়ে যায় ।
হাতের উপর শরীরের ভর ছেড়ে দিলে ব্রেকিং এর সময় বেশ অস্বস্তিতে পড়তে হ য় । তাই , এ্ই সময় আপনার দুই কনুই
এর ভর বাইকের ফুয়েল ট্যাঙ্কের উপর ছেড়ে দিন (স্পোর্টস বাইকের ক্ষেত্রে) । আর শরীরের ভর কনুই এর উপর ।
ফলে বিষয়টা আপনার কাছে অনেক সহজ হয়ে যাবে ।

Friday, July 24, 2015

এনড্রোয়েড মোবাইলের সব দরকারী কোড

এনড্রোয়েড মোবাইলের সব
দরকারী
কোড। না দেখলে লস আপনারই
হবে।
১.রিসেট ফোন- *2767*3855#
২.IMEI জানতে- *#06#
৩.লক স্ট্যাটাস- *#7465625#
৪.ব্যাটারী ও ফোনের তথ্য-
*#*#4636#*#*
৫.FTA এর ভার্সন- *#*#1111#*#*
৬.টাচস্কীন কোড- *#*#2664#*#*
৭.ভাইব্রেট ও ব্যাকলাইট টেষ্ট-
*#*#0842#*#*
৮.হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার
ডিটেইলস্-
*#12580*369#
৯.ডায়গনস্টিক কনফিগার-
*#9090#
১০.ডাম্প সিস্টেমো মোড-
*#9900#
১১.ক্যামেরার তথ্য জানতে-
*#*#34971539#*#*
১২.ফ্যাক্টরী হার্ড রিসেট-
*#*#7780#*#*
১৩.ডাটা ক্যাবল কন্ট্রোল-
*#872564#
১৪.জিপিএস টেষ্ট-
*#*#1472365#*#*
১৫.ওয়াইফাই ম্যাক এড্রেস-
*#*#232338#*#*
১৬.ব্লুটুথ ডিভাইস ইনফো-
*#*#232337#*#*
১৭.র্যামের ভার্সন-
*#*#3264#*#*
১৮.টাচস্কীন ভার্সন-
*#*#2663#*#*
১৯.ডিসপ্লে টেষ্ট- *#*#0#*#*
২০.প্যাকেট লুফ টেষ্ট-
*#*#0283#*#*
শে য়া র করে আপনার ওয়ালে
রাখতে
পারেন ভবিষ্যৎ এ কাজে
লাগতে পারে.