Tuesday, February 3, 2015

যে কোন বাক্তির ইমেইল খুঁজে পাওয়ার ৩ টি কৌশল

মার্কেটিং এর জন্য সর্ব প্রথম একটা ভাল ধারণা তৈরি করতে হয় । দুর্ভাগ্য বশত একটা ভাল ধারণা তৈরির উদ্দেশ্যে একটা সম্পর্ক শুরু করতে হয় যার জন্য সপবক্স এর প্রয়োজন হয়।
যখন আপনি একজন মার্কেটার হিসেবে যেকোনো জায়গায় একটা বাক্তিগত সম্পর্ক পাওয়ার চেষ্টা , কনটেন্ট মার্কেটিং এর জন্য পার্টনার এর সন্ধান , একটা বাণিজ্যর উন্নতির জন্য আপনার পণ্য ও সেবার সন্ধানি যেকেউ , চাকরি সন্ধানি কেউ , এটা একটা প্রায় দ্রুত কুশল পূর্ণ তালিকা যে কারো ইমেইল বের করার জন্য ।

 

কলাকৌশল ১ : AllMyTweets.net এর ব্যবহার

টুইটার মানুষের সাক্ষাতের একটা বড় স্থান ,কিন্তু কিছু সময় আপনি হয়ত পাবলিক টাইম লাইন এ নিজের পরিচিতি দিতে চান না ।তখন আপনি সোজা বার্তা পাঠান । চলুন তাহলে প্রয়োজনীয় যে কারো ইমেইল সন্ধানে মনযোগী হই ।
অনেক টুইটার বাবহারকারি তাদের কিছু পয়েন্ট এর জন্য তাদের টুইটার লাইফ ইমেইল অ্যাড্রেস এর মাধ্যমে বের হয়ে আসে ।একটা টুল এর ব্যবহার যা AllMyTweets.net নামে পরিচিত ।আপনি প্রতিটি টুইট চেক করতে পারবেনযা কখনও যে কেউ তৈরি করেছিল , এবং একটা ইমেইল অ্যাড্রেস শিকার করতে পারবেন ।
এখানে এটা কেমন করে হল ???

োোোোো
     ১। AllMyTweets.net এ যান ।
২। টার্গেটেড টুইটার হ্যান্ডল টাইপ করুন ।
৩। যখন ফলাফল আসবে তখনব্যবহার করুন “CTRL+F”(অথবা“EDIT –> FIND”যদি শর্টকাট ব্যবহার করতে চান ) এবং ইমেইল টার্মটি সন্ধান করুন ।
৪। কীওয়ার্ড ব্যবহার করে বিভিন্ন টুইট এ যান যেমন “email” , এবং আপনি আরও কিছু সংযজন করতে পারেন টুইট এর সাথে ইমেইল অ্যাড্রেস এর জন্য ।

কলাকৌশল ২ : ইমেইল ফর্মুলার পথ অনুসরণ করে ।

বছর খানেক আগে আমি যখন বাণিজ্য উন্নতির জন্য কাজ করতাম “Dyn” এ , আমি ব্যবহার করার চেষ্টা করতাম এবং যে কারো নামের প্রথম অক্ষর দিয়ে ইমেইল জানার চেষ্টা করতাম ,শেষ নাম , এবং ডোমেইন । যদি আপনি ভাগ্যবান অনুভব করেন এবং এই পথ চান , তাহলে শুধু পদক্ষেপ ২ লাফ দিয়ে পার হন । যদি আপনি ফরমুলাইক কিছু চান তাহলে পদক্ষেপ ১ হতে শুরু করুন ।
পদক্ষেপ ১ :   বৃহৎ শর্টকাটRob Ousbey, COO at Distilled Mediaযে এই ডকুমেন্টটি তৈরি করেছে সে আপনাকে একজন বাক্তির প্রথম নাম , শেষ নাম , এবং কোম্পানি ডোমেইন । একবার আপনি এই ৩ টি দফা প্রদান করলে ,ইহা আপনাকে কিছু জাদুময় ফলাফল ফেরত দিবে যা রক ওয়েল তইরিতে একটা অন্য হিট লিখা হবে, এবং আপনাকে একটা ফরম্যাট ইউসুয়াল ইমেইল তালিকা দিবে ।
্্্্্্
সুতরাং এখন যদি আপনার অনেক ইমেইল তালিকা থাকে,কিন্তু সেগুলোর একটাও সঠিক কিনা তা জানার কোন পথ থাকবে না , ঠিক ?
এখানে পদক্ষেপ ২ এর জন্য ২ টা উপায় আছে যার মাধ্যমে আপনি ব্যবহার উপযোগী ইমেইল অ্যাড্রেস খুঁজে বের করতে পারবেন ।

পদক্ষেপ ২ (ক): তথ্যপূর্ণ ইমেইল অ্যাড্রেস গুলো নিন এবং রাপ্রটিভ ব্যবহার করুন 

আপনি হয়তো আগে থেকেই রাপ্রটিভ সম্পর্কে জানেন, কিন্তু যদি আপনি না জানেন তাহলে এখনই ইন্সটল করুন ।
রাপ্রটিভ একটা বৃহৎ জিমেইল প্লাগিন যা আপনাকে Linkedin অ্যাকাউন্ট এসোসিয়েটএর সাথে ইমেইল অ্যাড্রেস দেখাবে । আসলে Linkedin এর নিজস্ব রাপ্রটিভ আছে ।
পদক্ষেপ ১ থেকে সব ইমেইলগুলো কপি এবং পেস্ট করুন একটা বার্তা লিখনে “To” জিমেইল এ প্রদান করুন ।
মমমমম
এখন প্রতিটি প্রচ্ছন্ন ইমেইল অ্যাড্রেস এ এক এক করে ক্লিক করুন এবং কিছু সময় অপেক্ষা করুন উপর্যুক্ত তথ্যর জন্য । কিন্তু যদি আপনার তার একটা ইমেইল এসোসিয়েট থাকে তাহলে Linkedin,আপনি তাদের ইমেইল টুগল করার সাথে সাথেতাদের সামাজিক তথ্যগুলো জনপূর্ণ হয় ।

পদক্ষেপ ২ (খ): MailTester.com ব্যবহার করুন 

MailTester.com হয়তো অনলাইনে সদব্যবহারকৃত একটি টুল ।কিন্তু এটা আপনার টার্গেটকৃত মেইল সার্ভার সেট আপ এর ওপরও নির্ভর করে। পদক্ষেপ ১ হতে একটা মেইল নেন , এবংMailTester.com. যান ।
MailTester আপনার দেওয়া মেইলটি নিবে এবং আপনাকে বলবে যে এটা কোন মেইল সার্ভার এর অস্তিত্ব । কিছু সময় মেইল সার্ভার ভেরিফিকেসন ব্লক রাখে , কিন্তু আমি এটাই বলব যে ৭৫% সময়াপ্নি ভ্যালিড ইমেইল অ্যাড্রেস পাবেন ।
MailTester আপনার সন্ধানকৃত ইমেইল অ্যাড্রেস এর কোড রঙিন করবেন এক এক করে যেভাবে আপনি তা সেখানে রাখবেন ।
today work
  • যদি তা হলুদ রঙ এ দেখায় তাহলে বুঝতে হবে তার ভেরিফিকেসন ব্লক আছে ।
  • যদি ইহা লাল রঙ নিক্ষেপ করে তাহলে বুঝতে হবে যে ইমেইল অ্যাড্রেস টি ভ্যালিড নয় ।
  • যদি ইহা সবুজ দেখায় তাহলে বুঝতে হবে যে ইমেইল অ্যাড্রেস টি ভ্যালিড এবং তা পাওয়া গেছে ।

বববব

কলাকৌশল ৩ : বাক্তিগত টার্গেট ওয়েব সাইট এর জন্য একটা “whoisদেখুন

নেটওয়ার্ক জগতে , যেকোনো জায়গায় ডোমেইন তালিকাভুক্তকরনে আপনাকে অবশ্যই ইনফো এসোসিয়েট এর সাথে সেই ডোমেইন নিয়ে যোগাযোগ করতে হবে , এবং সেই ইনফো পাবলিক এর প্রয়োজনীয় হতে হবে। আপনি কি আপনার বাক্তিগত টার্গেট ওয়েব সাইট পেয়েছেন ? , কিন্তু সেগুলো কি যোগাযোগের ইনফো ? অথবা এটা কি একটা আরম্ভ ? , এবং তারা কি এর প্রতিষ্ঠাতা ?
নয়তো তারা ব্যবহার করবে whois protection service (অপরের হইয়া কাল করার একটা ক্ষমতা যা তাদের ইমেইল এর সাথে চুক্তি করে “Dyn calls” , “গোপনীয় তালিকাভুক্তকরন ” হিসেবে), প্রায় সময় আপনি একটি “whois” ব্যবহার করতে পারেন তাদের তথ্য পেতে ।
কেমন করে :

১। আমার সুপারিশকৃত সাইট এ যানWhois.com.
২। আপনার টার্গেটেড ডোমেইন টাইপ করুন ।নিশিন্ত করুন আপনি ছেড়ে যাচ্ছেন “http://” অংশ ।
৩। ফলাফল দেখুন এবং একটা ইমেইল অ্যাড্রেস সন্ধানে আপনাকে সক্ষম হতে হবেযদি টার্গেট ব্যবহার না করেন“whois” সংরক্ষনে ।যেমন ফলাফল দেখাবে তার একটি নমুনা নিম্নে দেখান হল ।
রররররররররররর
শেষে এসব কলাকৌশল আপনাকে আপনার টার্গেটকৃত ইমেইল অ্যাড্রেস খুঁজে পেতে নাও সহায়তা করতে পারে , কিন্তু অধিকাংশ সময় তারা আপনাকে সাহায্য করবে তার থেকেও বেশি যেমনমাইকেল জেকসন টপ ১০ পাওয়ার জন্য রক ওয়েলকে সাহায্য করতেন ।

Friday, January 16, 2015

শর্টকার্ট ভাইরাসে আক্রান্ত কম্পিউটারের চিকিৎসা

আমরা অনেকেই ইদানিং শর্টকাট ভাইরাসের জ্বালাতনে অতিষ্ঠ। অনেকেই পোস্ট করেন এটি রিমুভের বিষয়ে। এটা আসলে কোন ভাইরাস নয়, এটা একটি "VBS Script"।

শর্টকাট ভাইরাস স্থায়ীভাবে রিমুভের জন্য আপনাকে কয়েকটি ধাপ অনুসরণ করতে হবে।
অনাক্রান্ত কম্পিউটারের জন্য:

১. RUN এ যান।
২. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
৩. Stop script after specified number of seconds: এ 1 দিয়ে APPLY করুন।
এবার কারো পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাস আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।
আক্রান্ত কম্পিউটারের জন্য:
১. কী বোর্ডের CTRL+SHIFT+ESC চাপুন।
২. PROCESS ট্যাবে যান।
৩. এখানে wscript.exe ফাইলটি সিলেক্ট করুন।
৪. End Process এ ক্লিক করুন।
৫. এবার আপনার কম্পিউটারের C:/ ড্রাইভে যান।
৬. সার্চ বক্সে wscript লিখে সার্চ করুন।
৭. wscript নামের সব ফাইলগুলো SHIFT+DELETE দিন।
৮. যেই ফাইলগুলো ডিলিট হচ্ছে না ওইগুলো স্কিপ করে দিন।
৯. এখন RUN এ যান।
১০. wscript.exe লিখে ENTER চাপুন।
১১. Stop script after specified number of seconds: এ 1 দিয়ে APPLY করুন।
ব্যাস হয়ে গেল আপনার কম্পিউটার শর্টকাট ভাইরাস মুক্ত। এবার অন্য কারো পেনড্রাইভের শর্টকাট ভাইরাস আর আপনার কম্পিউটারে ডুকবে না।
আক্রান্ত পেনড্রাইভের জন্য:
১. আপনার পেনড্রাইভটি কম্পিউটারের সাথে সংযুক্ত করুন।
২. এবার cmd তে যান।
৩. আপনার পেনড্রাইভের ড্রাইভ লেটারটি লিখে ইন্টার দিন। (যেমন: I:)
৪. নিচের কোডটি নির্ভুলভাবে লিখুন।
৫. কোডঃ attrib -s -h /s /d *.*
৬. ইন্টার কী চাপুন।
৭. এবার দেখুন পেনড্রাইভে রাখা আপনার ফাইলগুলো পুনরায় দেখাচ্ছে কিনা?
৮. এবার আপনার গুরুত্বপূর্ণ ডাটাগুলো রেখে পেনড্রাইভ ফরম্যাট করে দিন।
হয়ে গেল আপনার পেনড্রাইভ শর্টকাট ভাইরাস মুক্ত।

(সংগৃহীত)

Thursday, January 8, 2015

বাংলা জোকস

একজন নারীর বেষ্ট ফ্রেন্ড কে? পুত্র না তার বাবা !!!!!!
সাইকোলজির টিচার ক্লাশে ঢুকেই বললেন – আজ পড়াবো না। সবাই খুশি।
,
টিচার ক্লাশের মাঝে গিয়ে একটা বেঞ্চে বসলেন। বাইরে বৃষ্টি, বেশ গল্পগুজব করার মত একটা পরিবেশ।ষ্টুডেন্ডদের মনেও পড়াশুনার কোন প্রেশার নেই।
,
টিচার খুব আন্তরিকতার সাথেই পাশের মেয়েটাকে বললেন– জননী তোমার কি বিয়ে হয়েছে? মেয়েটা একটু লজ্জা পেয়ে বলল- জ্বী স্যার। আমার একটা দুই বছরের ছেলে আছে।
,
টিচার চট করে দাঁড়ালেন। খুব হাসি হাসি মুখ নিয়ে বললেন- আমরা আজ আমাদেরই একজনের প্রিয় মানুষদের নাম জানবো। এই কথা বলেই মেয়েটার দিকে তাকিয়ে বললেন – মা আজকে তুমিই টিচার। এই নাও চক, ডাষ্টার।
,
যাও তোমার প্রিয় দশ জন মানুষের নাম লেখো। মেয়েটা বোর্ডে গিয়ে দশ জন মানুষের নাম লেখলো। টিচার বললেন

এরা কারা? তাদের পরিচয় ডান পাশে লেখো। মেয়েটা এদের পরিচয় লেখলো।
,
সংসারের সবার নামের পাশে দুই একজন বন্ধু, প্রতিবেশীর নামও আছে। টিচার এবার বললেন – লিষ্ট থেকে পাঁচ জনকে মুছে দাও। মেয়েটা তার প্রতিবেশী,
আর ক্লাশমেটদের নাম মুছে দিলো।
টিচার একটু মুচকি হাসি দিয়ে বললেন, আরো তিন জনের নাম মুছো। মেয়েটা এবার একটু ভাবনায় পড়লো। ক্লাশের অন্য ষ্টুডেন্টরা এবার সিরিয়াসলি নিলো বিষয়টাকে। খুব মনযোগ দিয়ে দেখছে মেয়েটার সাইকোলজি কিভাবে কাজ করছে। মেয়েটার হাত কাঁপছে।
,
সে ধীরে ধীরে তার বেষ্ট ফ্রেন্ডের নাম মুছলো। এবং বাবা আর মায়ের নামও মুছে দিলো। এখন মেয়েটা রিতিমত কাঁদছে।
,
যে মজা দিয়ে ক্লাশটা শুরু হয়েছিলো, সেই মজা আর নেই। ক্লাশের অন্যদের মাঝেও টানটান উত্তেজন। লিষ্টে আর বাকী আছে দুইজন। মেয়েটার হাজবেন্ড আর সন্তান। টিচার এবার বললেন, আরো একজনের নাম মুছো। কিন্তু মেয়েটা ঠায় দাঁড়িয়ে রইলো। কারো নাম মুছতে সে আর পারছেনা। টিচার বললেন – মা গো,
,
এইটা একটা খেলা। সাইকোলজিক্যাল খেলা। জাষ্ট প্রিয় মানুষদের নাম মুছে দিতে বলেছি, মেরে ফেলতে তো বলিনি!!!
,
মেয়েটা কাঁপা কাঁপা হাত নিয়ে ছেলের নামটা মুছে দিলো।
টিচার এবার মেয়েটার কাছে গেলেন,
পকেট থেকে একটা গিফ্ট বের করে বললেন– তোমার মনের উপর দিয়ে যে ঝড়টা গেলো তার জন্য আমি দুঃখিত।
আর এই গিফ্ট বক্সে দশটা গিফ্ট আছে।
তোমার সব প্রিয়জনদের জন্য।
,
এবার বলো, কেন তুমি অন্য নামগুলো মুছলে। মেয়েটা বলল- প্রথমে বন্ধু আর প্রতিবেশীদের নাম মুছে দিলাম।
,
কারন তবু আমার কাছে বেষ্ট ফ্রেন্ড আর পরিবারের সবাই রইলো। পরে যখন আরো তিন জনের নাম মুছতে বললেন, তখন বেষ্ট ফ্রেন্ড আর বাবা মায়ের নাম মুছে দিলাম। ভাবলাম, বাবা মা তো আর চিরদিন থাকবে না। আর বেষ্ট ফ্রেন্ড না থাকলে কি হয়েছে?
,
আমার কাছে আমার পুত্র আর তার বাবাই বেষ্ট ফ্রেন্ড। কিন্তু সবার শেষে যখন এই দুইজন থেকে একজনকে মুছতে বললেন তখন আর সিদ্ধান্ত নিতে পারছিলাম না।
,
পরে ভেবে দেখলাম, ছেলেতো বড় হয়ে একদিন আমাকে ছেড়ে চলে গেলেও যেতে পারে। কিন্তু ছেলের বাবাতো কোন দিনও আমাকে ছেড়ে যাবে না।


●ম্যানেজার : ভালো কথা। যদি কিছু না মনে করেন একটা প্রশ্ন করতে পারি..?
বৃদ্ধা : করুন।
ম্যানেজার : মানে, আপনি কি করেন..?
বৃদ্ধা : আপনাকে বলতে আপত্তি নেই। আমি আসলে বিভিন্ন ব্যাপারে বিভিন্ন জনের সাথে বাজি ধরি এবং জিতেও যাই।
ম্যানেজার : তাই নাকি..?
বৃদ্ধা : একদম সত্যি। এই দেখুন, আমি আপনার সাথে বাজি রাখতে পারি যে আপনি পরচুল পরে
আছেন। ধরুন বাজি পাঁচ লাখ টাকার।
কমবয়সী ম্যানেজার একমাথা ঘন চুল নেড়ে বৃদ্ধাকে বললেন : আপনি কি মজা করছেন..?
বৃদ্ধা : একদমই না। আপনার সাহস থাকলে লড়ুন বাজি। তবে পাঁচ লাখ টাকা তো কম নয়, তাই আগামী কাল আমার উকিলকে নিয়ে আসব, তার সামনেই ফয়সলা হবে। আপনি রাজি থাকলে আগামীকাল সকাল দশটায়
আমি আসব। আপনি রাজি..? ম্যানেজার প্রথমে একটু অপ্রস্তুত হলেও, মনে মনে ভাবলেন পাঁচলাখ টাকা তো কম নয়। আর আমার চুল যে আমার নিজের তা আমার থেকে আর ভালো কে জানবে।
তিনি একটু সময় নিয়ে বৃদ্ধা কে বললেন..."ঠিক আছে, আমি রাজি। তাহলে আগামীকাল সকাল
দশটা। এইকথাই রইল। বৃদ্ধা তাকে ধন্যবাদ দিয়ে বিদায় নিলেন। সারা রাত ম্যানেজারের ঠিক করে
ঘুম হলোনা। পাঁচ লাখ টাকা আর বৃদ্ধার মুখ মাথার মধ্যে ঘুরতে লাগলো। মনে মনে ভাবলেন যে
বৃদ্ধা নিশ্চয়ই আসবেননা। কিন্তু মন থেকে চাপা উৎকন্ঠাটাও দূর করতে পারলেন না। পরের দিন
সকালে যথাসময় ব্যাঙ্কে এলেন। কি অবাক কান্ড ! ঠিক দশটার সময় সেই বৃদ্ধা শহরের সবচেয়ে নামী উকিল কে নিয়ে তার ঘরে ঢুকলেন।
ম্যানেজার সাহেব তাদের কে সসম্মানে বসতে দিলেন। বৃদ্ধা বললেন---"ম্যানেজার মশায়, যেহেতু অনেক টাকার ব্যাপার, আমি কিন্তু নিজের হাতে জিনিস টা ভালো করে পরীক্ষা করতে চাই।"
ম্যানেজার সাহেব মনে মনে একটু অসন্তুষ্ট হলেও মুখে বললেন---"ঠিক আছে, আপনি তা করতেই
পারেন। এতো টাকার ব্যাপার যখন।"
বৃদ্ধা উঠে এসে ম্যানেজার বাবুর চুল ধরে টানতে লাগলেন। ম্যানেজার বাবু চুপ করে বসে থাকলেন। হঠাৎ লক্ষ্য করলেন উকিল বাবু উঠে দেওয়ালে মাথা
ঠুকছেন। ম্যানেজার বাবু হতভম্ব হয়ে বললেন---"কি হলো ? কি হলো..?"
উকিল বাবু মাথা ঠুকতে ঠুকতে বললেন---"আমার বিশ লাখ টাকা গেল। উনি আমার সাথে বাজি লড়েছিলেন যে উনি আমার
সামনে শহরের সবচেয়ে বড়ো ব্যাঙ্কের ম্যানেজারের চুল ধরে টানবেন এবং ম্যানেজার বাবু
চুপ করে সহ্য করবেন।"

এক মহিলা তার বাড়ি থেকে বেরিয়ে দেখলো উঠানের সামনে তিনজন বৃদ্ধ ব্যক্তি বসে আছেন। তিনি তাদের কাউকেই চিনতে পারলেন না। তাই বললেন,
‘আমি আপনাদের কাউকেই চিনতে পারলাম না, কিন্তু আপনারা হয়তো ক্ষুধার্ত।আপনারা ভেতরে আসুন, আমি আপনাদের খাওয়ার ব্যবস্থা করছি তারা জিজ্ঞেস করলেন ‘ বাড়ির কর্তা কি আছেন?’ মহিলা বললেন,’না’। ‘তিনি বাইরে গেছেন।’‘তাহলে আমরা আসতে পারবো না।‘
সন্ধ্যায় যখন বাড়ির কর্তা ঘরে ফিরে সব শুনলেন তখন তিনি বললেন, 'যাও তাদের বলো যে আমি ফিরেছি এবং তাদের ঘরে আসার জন্যে অভ্যর্থনা জানাচ্ছি।‘মহিলা বাইরে গেলেন এবং তাদের ভেতরে আসতে বললেন। কিন্তু তারা বললো, ‘আমরা এভাবে যেতে পারি না।'মহিলা জিজ্ঞেস করলেন,’ ' কিন্তু কেন? আবার কি সমস্যা?’বৃদ্ধ লোকেদের মধ্যে একজন বললেন, ’আমাদের মধ্যে একজনের নাম সম্পদ।‘ আরেকজনের দিকে নির্দেশ করে বললেন, ’তার নাম সাফল্য এবং আমি ভালবাসা।এখন আপনি ভেতরে গিয়ে সিদ্ধান্ত নিন আমাদের কাকে আপনি ভেতরে ঢুকতে দেবেন।'মহিলা যখন ভেতরে গিয়ে সব খুলে বললেন তখন তার স্বামী অত্যন্ত খুশি হয়ে গেলেন এবং  বললেন,'আসাধারন!চল আমরা সম্পদকে ডাকি,তাহলে আমরা ধনী হয়ে যাব!'তার স্ত্রী এতে সম্মতি দিলেন  না,’নাহ,আমার মনে হয় আমাদের সাফল্যকেই ডাকা উচিত।' তাদের মেয়ে ঘরের অন্য প্রান্তে বসে সব শুনছিলো।সে বলে উঠলো,'তোমাদের কি মনে হয় না আমাদের ভালবাসাকেই ডাকা উচিত? তাহলে আমাদের ঘর ভালবাসায় পূর্ন হয়ে উঠবে।'লোকটি বললো,‘ঠিক আছে আমরা তাহলে আমাদের মেয়ের কথাই শুনবো, তুমি বাইরে যাও এবং ভালবাসাকেই আমাদের অতিথি হিসেবে ডেকে নিয়ে এসো।‘মহিলাটি বাইরে গেলেন এবং বললেন’আপনাদের মধ্যে ভালবাসা কার নাম? অনুগ্রহ করে তিনি ভেতরে আসুন,আপনিই আমাদের অতিথি।'ভালবাসা নামের বৃদ্ধ উঠে দাড়ালেন এবং বাড়ির দিকে হাটতে শুরু করলেন,বাকী দুজনও উঠে দাড়ালেন এবং তাকে অনুসরন করতে লাগলেন।মহিলাটি এতে ভীষন অবাক হয়ে গেলেন এবং বললেন, 'আমিতো শুধু ভালবাসা নামের বৃদ্ধকে ভেতরে আসার আমন্ত্রন জানিয়েছি,আপনারাকেন তার সাথে আসছেন?’বৃদ্ধ লোকেরা বললো,'আপনি যদি সম্পদ আর সাফল্যকে আমন্ত্রন করতেন তবে আমাদের বাকী দুজন বাইরেই থাকতাম,কিন্তু আপনি যেহেতু ভালবাসাকে আমন্ত্রন জানিয়েছেন,সে যেখানে যায়,আমরা দুইজনও সেখানেই যাই। যেখানেই ভালবাসা থাকে,সেখানেই সম্পদ ও সাফল্যও থাকে।‘ 
##
এক লোক রাতে মদ খেয়ে মাতাল হয়ে বাসায় ফিরে দেখে বউ ঘুমিয়ে পডছে, তো সেও বউয়ের পাশে শুয়ে পডল।
রাতে সে স্বপ্ন দেখল সে মরে গেছে, পর জগতে যেয়ে সে ঈশ্বরকে বলছে তাকে আরেকবার দুনিয়ায় পাঠাতে। ঈশ্বর
তাকে মুরগী বানিয়ে পাঠিয়ে দিছে । দুনিয়ায় এসে সে একটা ডিম পাডল, ডিম দেখে তো সে হতভম্ব, একটা স্বর্ণের ডিম ,
সে খুশি হয়ে আরেকটা ডিম পাডল, এটাও স্বর্ণের , এবার সে আরেকটা ডিম পাডতে জোর দিল I হটাত খেয়াল হল কে যেন তাকে পিটাচ্ছে,.
.
.
.ঘুম ভেঙ্গে দেখে বউ তাকে পিটাচ্ছে আর বলছে হারামি টয়লেট করে বিছানাডা শেষ কইরা দিল.. ...!!!!


##
এক নোয়াখাইল্লা কল সেন্টারে ফোন দিল। ওপাশ থেকে বললো বাংলার জন্য এক চাপুন ইংরেজির জন্য দুই চাপুন।
→ আপা, নোয়াখালির জন্য কত চাইপ্তাম,
→ বাংলার জন্য ...
→ আরে আমি কইতাছি নোয়াখালির জন্য কত চাইপ্তাম...!
কেউ কিছু বলে না দেইখা লোক টা বাংলাই বেছে নিলো।
→ তানিয়া বলছি কিভাবে সাহায্য
করতে পারি ?
→ হেলু আফা আমারে এক্কান ফেসবুক আইডি খুলি দেনতো।
→ দেখুন ফেসবুক আইডি খুলতে হলে তো আপনার ইন্টারনেট সংযোগ লাগবে সেজন্য আপনাকে আগে. . . .
→ আরে ঐসব ইন্টারনেট, ফিন্টার্নেট দরকার নাই আপনি আমারে এক্কান ফেসবুক আইডি খুলে দেন নাম দিবেন  'নোয়াখালির হোলা তিনশো টেয়া তোলা'।
→ দেখুন স্যার ফেসবুক আইডি খুলতে হলে আপনি নিকটস্থ সাইবার ক্যাফে ...
→ আচ্ছা আমি কফি খাইয়া লইতেছি আপনি আইডি খুলে রাখবেন, আমি দুই মিনিট পরে ফোন দিমুনি। কেউ হেতেরে গরুর ট্যাবলেট খাওয়া, খাওইয়া বুদ্ধি বাড়া...


##  
ছেলেরা মেয়েদের ঠোঁটে KISS দিতে বেশী পছন্দ করে কেন????

কারন…মেয়েদের মুখ সবসময় বকবক করে, তাই এটাই মেয়েদের মুখ কিছুক্ষনের জন্য বন্ধ করে রাখার সবচেয়ে ভাল
উপায়..........!!!!! ছেলেরা কি একমত??


##
তিন চোর গ্রামের একটা বাড়িতে গিয়েছিল গরু চুরি করতে। তো বাড়ির মালিক টের পায় এবং বেশি সাহস দেখাইতে গিয়ে একা একা গেল চোর ধরতে। তো চোর তিনটা বুদ্ধি করল বেটারে একটা অভিনব শাস্তি দিবে। তো চোর তিনটা মালিককে ধরে গরুর সাথে উলঙ্গ করে দড়ি দিয়ে বেধেরেখে চলে গেল। পরের দিনসকালে বাড়ির লোকজন তার বাধন খুলে দিল, তো সে সাথে সাথে একটা লাঠি খুজতে লাগল জামা কাপড় না খুজেই একটা লাঠি পেয়ে সাথে সাথে গরুর
বাছুরটিকে পেটাচ্ছেআর বলতে লাগল "কাল সারারাত বললাম আমি তোর মা না, তারপরেও সে সারারাত দুধ মনে কইরা আমারটা চুষতেছিল কেন ???



## 

Saturday, January 3, 2015

My

Hi, I am the right person whom do you want. I am so much experienced in Wordpress web development. I hope I will Fulfill all of your demand. Keep faith on me. Thanks


For Css/jquery bangla video download from youtube (shuily sadia)   https://www.youtube.com/channel/UC9gaT9NyjdoQESSoXT3dK_g

Monday, December 29, 2014

ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনার কাজ (বিভাগঃ ঘরে বসে আয়)

ফ্রিল্যান্সিং – শব্দটি শুনলে অনেকেরই মাথায় প্রথম যে ব্যাপারটা আসে, হয়তো এটা প্রোগ্রামার বা ডিজাইনারদের জন্য কিছু। হয়তো কিছুটা সত্যি, কারণ এখন পর্যন্ত আইটি ব্যাকগ্রাউন্ডের মানুষরাই ফ্রিল্যান্সিং জগতে প্রাধান্য নিয়ে রেখেছে। বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস, সবচেয়ে বেশি কাজ করছে টেকি ফ্রিল্যান্সাররা। তবে আসলেই কি তাই? মোটেও না আইটি ছাড়া আর আরেকটি কাজের জগত যার চাহিদা অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলোতে অনেক। সেটি হল ব্যবসায় এবং ব্যবস্থাপনা।

দুই পর্বের ধারাবাহিক লেখায় প্রথম পর্বে “ইল্যান্স” মার্কেটপ্লেসে ব্যবসায় ব্যবস্থাপনার ফ্রিল্যান্স কাজ নিয়ে আলোচনা করা হল। আগামী পর্বে হবে “ওডেস্ক”মার্কেটপ্লেস নিয়ে।
এ পর্বের লেখাটিতে ইল্যান্সে ব্যবসা ব্যবস্থাপনার কাজের চাহিদা, কিভাবে পাওয়া যায় এবং অন্যান্য টিপস নিয়ে লিখেছেন “ইল্যান্স বাংলাদেশের” কান্ট্রি ম্যানেজার সাইদুর মামুন খান
ইল্যান্সে ব্যবসায় সম্পর্কিত কি কি পাওয়া যায়?
এই ক্যাটাগরিতে প্রধানত ২টি বিভাগ রয়েছে – মার্কেটিং এবং কনসাল্টিংকনসাল্টিং বিষয়ক কাজগুলোর মাঝে সবচেয়ে বেশি চাহিদা আছে অ্যাকাউন্টিং, ফাইনান্সিয়াল প্ল্যানিং, ম্যানেজমেন্ট কনসাল্টিং, ফাইনান্সিয়াল রিপোর্টিং ইত্যাদি। আর মার্কেটিং বিষয়ক কাজগুলোর মাঝে আছে সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং, ইমেইল মার্কেটিং, মার্কেটিং এবং বিজনেস প্ল্যান তৈরি ইত্যাদি। এর মাঝে আপনি আপনার দক্ষতা এবং অভিজ্ঞতা অনুযায়ী যেকোনোটি বেছে নিতে পারেন। যেমন, আপনার যদি বিবিএ অথবা অ্যাকাউন্টিং ব্যাকগ্রাউন্ড থাকে, আপনি কুইক-বুক বা অন্য ভালো একটি অ্যাকাউন্টিং প্রোগ্রাম শিখে নিয়ে সহজেই শুরু করে দিতে পারেন অ্যাকাউন্টিং সার্ভিস দেয়া। আপনার যদি ব্যবসায় পরিকল্পনা তৈরি নিয়ে অভিজ্ঞতা থাকে (যেটা কিনা বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় বিভাগে দ্বিতীয়-তৃতীয় বর্ষেই শেখানো হয়) তাহলে আপনি শুরু করে দিতে পারেন বাইরের বিভিন্ন কোম্পানির জন্য বিজনেস প্ল্যান তৈরি করা।
উদাহরণ দিয়ে যদি বলি, ধরুন কানাডার একটি কোম্পানির লোন দরকার, এবং তার জন্য ব্যাংকে বিজনেস প্ল্যান জমা দিতে হবে। এই কাজ কানাডার কেউ করে দিতে হাজার হাজার ডলার নিবে। যেহেতু কোম্পানি নতুন, তাই অনেকেই কাজটি স্বল্পমূল্যে বাইরের কোন দেশ থেকে করিয়ে নিতে চায়। তখনি কাজগুলো আসে ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসেযদি দক্ষতা থাকে, তাহলে আপনিও পেয়ে যেতে পারেন এমনি একটি কাজ। ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এভাবেই কিন্তু অনেকে ব্যবসায় সম্পর্কিত কাজ করে থাকে। শুধু যে বিজনেস প্ল্যান, তা কিন্তু না। এভাবে পেতে পারেন ফেসবুক মার্কেটিং এর কাজ, ইমেইল মার্কেটিং এর কাজ ইত্যাদি।
এ ধরনের কাজে আয় কেমন হতে পারে?
আমাদের মার্কেটপ্লেস ইল্যান্সে বাংলাদেশ থেকে সবচেয়ে বেশি ঘণ্টা-প্রতি আয় হয় যেই বিভাগে, তা কিন্তু ব্যবসায় ৮ ব্যবস্থাপনা বিভাগ। ইল্যান্সে বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সারদের ঘণ্টা-প্রতি গড় আয় যেখানে ৮ ডলার, যেখানে ব্যবসায় ৭ ব্যবস্থাপনা বিভাগের ফ্রিল্যান্সাররা ঘণ্টা-প্রতি আয় করছেন প্রায় ১৯ ডলার। অপরদিকে মার্কেটিং নিয়ে যারা কাজ করছেন, তাদের ঘণ্টা-প্রতি গড় আয় হল প্রায় ৯ ডলার। শুধু সেলস এবং মার্কেটিং নিয়ে কাজ করেন, এমন এক ফ্রিল্যান্সার শুধু ২০১২ সালেই আয় করেছেন ১৮,২০০ ডলার। অপরদিকে ব্যবস্থাপনা নিয়ে কাজ করেন এমন এক ফ্রিল্যান্সার ২০১২ সালে আয় করেছেন ৬,০০০ ডলার। শুধু সেলস এবং মার্কেটিং বিভাগেই বাংলাদেশি ফ্রিল্যান্সাররা সবাই মিলে ২০১২ সালে আয় করেছে প্রায় ১,৮৫,০০০ ডলার
কাদের জন্য ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা এবং বিপণন জাতীয় কাজ?
ব্যবসায় শিক্ষা নিয়ে পড়াশোনা আছে, অথবা বাণিজ্য বিভাগে পড়াশোনা করছেন, এমন ফ্রিল্যান্সাররা হতে পারেন ব্যবসায় বিভাগের কাজগুলোর জন্য আদর্শ। এর মূল কারণ হল, আমাদের দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় গুলোতে যা যা শেখানো হয়, মূলত সেগুলোই কিন্তু অনলাইন মার্কেটপ্লেসে করা যায়। যেমন, মার্কেট রিসার্চ করে মার্কেটিং প্ল্যান তৈরি করা, বিজনেস প্ল্যান তৈরি করা, অ্যাকাউন্টিং এর বিভিন্ন হিসেব মিলিয়ে রিপোর্ট তৈরি করা, কারও বিজনেস মিটিংয়ের জন্য প্রেজেন্টেশন তৈরি করে দেয়া, ইত্যাদি বিষয়ে কিন্তু আমাদের দেশের বিশ্ববিদ্যালয়েরশিক্ষার্থীরাযথেষ্ট দক্ষ। এবং ইংরেজিতে যোগাযোগের দক্ষতাও কিন্তু তাদের কম নয়। এই দক্ষতা যদি তারা অনলাইন মার্কেটপ্লেসে নিয়ে আসতে পারে, তাহলে উপার্জনের দারুণ একটি পথ তৈরি তো হবেই, তার সাথে হয়ে যাবে আন্তর্জাতিক কোম্পানি অথবা ক্লায়েন্টের সাথে কাজ করার অভিজ্ঞতা।
তবে ব্যক্তিগতভাবে যদি বলি, শুধু উপার্জনটাই নয়, এর ফল অনেক সুদূরপ্রসারী হতে পারে। যেমন, আমাদের দেশের বাণিজ্য বিভাগের অনেক শিক্ষার্থী দেখা যায় পড়াশোনা শেষে ভালো একটি চাকরি খুঁজে পায়না, কারণ প্রতিদ্বন্দ্বিতা অনেক বেশি। অনেকেই দেখে যে ইন্টার্ভিউ বোর্ডে গেলেই অভিজ্ঞতা চায়সেক্ষেত্রে তারা যদি পড়াশোনার পাশাপাশি সপ্তাহে অন্তত ১০-১৫ ঘণ্টা যদি ফ্রিল্যান্স কাজ করে, তাহলে স্নাতক শেষ করতে করতে তাদের হয়ে যাবে ১-২ বছরের আন্তর্জাতিক মানের কাজ করার অভিজ্ঞতা। এবং সেটা কিন্তু যে কারও ক্যারিয়ারে হতে পারে দারুণ একটি সংযোজন আর যারা চাকরি না করে নিজেই কিছু করতে চায়, তাদের এই ১-২ বছরে যথেষ্ট মূলধন জমে যেতে পারে যা দিয়ে তারা পরবর্তীতে নিজের কিছু দাঁড় করাতে পারবে, হতে পারে সেটা তার সব ক্লায়েন্ট নিয়ে একটি আন্তর্জাতিক ব্যবসায় প্রতিষ্ঠান
কিভাবে আপনিও ব্যবসায় সম্পর্কিত কাজগুলো করতে পারেন?
প্রথমেই বলবো আপনি কোন কাজটি ভালো পারেন, কি ধরনের সার্ভিস আপনি অনলাইনে দিবেন তা আগে থেকেই ঠিক করে নেয়া। আপনার দক্ষতা যদি হয় যোগাযোগ ও বিপণনে, তাহলে আপনি সোশ্যাল মিডিয়া মার্কেটিং শিখে নিতে পারেন। যদি আপনার মার্কেট রিসার্চ করে বিজনেস প্ল্যান বা মার্কেটিং প্ল্যান তৈরি করার দক্ষতা ও অভিজ্ঞতা থাকে, তাহলে সেই কাজগুলোই আপনি ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসে করতে পারেন। এই ক্ষেত্রে অবশ্য আপনাকে তেমন কোন কোর্স করতে হবেনা, তবে চাইলে “বিজনেস প্ল্যান প্রো” নামের সফটওয়্যারটি শিখে নিতে পারেন, তাহলে বিজনেস প্ল্যান তৈরি আপনার জন্য অনেক সহজ হয়ে যাবে। যদি অ্যাকাউন্টিং সম্পর্কিত কাজ পেতে চান, তাহলে “কুইক-বুক” সফটওয়্যারটি শেখা আপনার জন্য খুবই সহায়ক হবে, কেননা ফ্রিল্যান্স মার্কেটপ্লেসগুলোতে “কুইক-বুক” জানা অ্যাকাউন্টেন্টদের অনেক চাহিদা রয়েছে।
তবে হ্যাঁ, সবকিছুর উপরে যেটা দরকার সেটা হল ভালো ইংরেজি জ্ঞান। কারণ আপনি যখন অনলাইন মার্কেটপ্লেসে কাজ করবেন, আপনার এবং আপনার ক্লায়েন্টের যোগাযোগের একমাত্র মাধ্যম কিন্তু ইংরেজি ভাষা। সেকারণে ভালো কাজ পেতে, এবং ক্লায়েন্টকে ভালোভাবে কাজ বুঝিয়ে দিতে ইংরেজি ব্যবহারের কোন বিকল্প নেই।
কোথা থেকে শুরু করবেন?
অনলাইনে ব্যবসায় সম্পর্কিত কাজ পেতে ঘুরে আসতে পারেন বিভিন্ন বিশ্বখ্যাত মার্কেটপ্লেসে, যেমন আমাদের ইল্যান্স মার্কেটপ্লেসটিতে রয়েছে (www.elance.com)আমাদের মার্কেটপ্লেসে প্রতিদিন প্রচুর ব্যবসায় ও বিপণন সম্পর্কিত কাজ পোস্ট হয়ে থাকে। যেমন, ইল্যান্সে প্রতিদিন গড়ে বিপণন বিষয়ক কাজ পোস্ট হয় প্রায় ১০০টি, এবং ব্যবসায় বিষয়ক কাজ পোস্ট হয় গড়ে ১৫-২০টি । কাজ শুরু করতে প্রথমেই আপনাকে যে কাজটি করতে হবে তা হল www.elance.com–এ গিয়ে একটি ফ্রি প্রোফাইল তৈরি করতে হবে, এবং প্রোফাইলটি আপনার নাম, ছবি, পড়াশোনা এবং কাজের অভিজ্ঞতার তথ্য, ইত্যাদি দিয়ে পূরণ করতে হবে। প্রোফাইল তৈরি হয়ে গেলে আপনি ওয়েবসাইটটির “ফাইন্ড ওয়ার্ক” সেকশনে গেলেই দেখতে পাবেন প্রচুর জব লিস্ট করা আছে। আপনি সেখান থেকেই ব্যবসায় সম্পর্কিত জবগুলোতে অ্যাপ্লাই করা শুরু করে দিতে পারবেন। তবে হ্যাঁ, অ্যাপ্লাই করার আগে অবশ্যই জবের বর্ণনা ভালোমতো পড়ে নিবেন, এবং পড়ার পর যদি মনে হয় কাজটি আপনি পারবেন, তবেই অ্যাপ্লাই করবেন। আর অ্যাপ্লাই করার সময় খেয়াল রাখবেন আপনার প্রপোজাল (কভার লেটার) যদি প্রফেশনাল হয়। যদি আপনার অ্যাপ্লিকেশান ক্লায়েন্টের পছন্দ হয়, তাহলে আপনাকে সে কাজে সেই কাজটির জন্য হায়ার করে নিবে, এবং এভাবেই শুরু হয়ে যাবে আপনার ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার
সবার শেষে আবারো বলছি, ফ্রিল্যান্সিং যে শুধু প্রোগ্রামার বা ডিজাইনারদের জন্য, তা নয়। যদি দক্ষতা এবং আত্মবিশ্বাস থাকে, তাহলে বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থী এবং পেশাজীবীরাও অনলাইনে তৈরি করে নিতে পারেন দারুণ একটি ক্যারিয়ার খেয়াল রাখবেন, চাকরি থেকে কিন্তু চাইলে একজন কর্মীকে বাদ দিয়ে দেয়া যায়, কিন্তু আপনার ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার থেকে কিন্তু আপনাকে কেউ বাদ দিতে পারবেনা তাই একবার শুরু করে দিলে এই ক্যারিয়ার সারাজীবন আপনার উপার্জনের একটি পথ হয়ে থাকবে এমনি যদি কোন কারণে দেশের বাইরে যেতে হয়, অথবা শহর পরিবর্তন করতে হয়, তাওআপনাকেআপনারপেশাবাকাজছাড়তেহবেনা তাই আজকে থেকেই নিজেকে জড়িয়ে নিতে পারেন আধুনিক যুগে কাজ করার এই নতুন ধরনের পেশায়, এবং নিজের কাজের অভিজ্ঞতা কে নিয়ে যেতে পারেন এক নতুন উচ্চতায়
কারও কোন প্রশ্ন থাকলে ইমেইলের মাধ্যমে যোগাযোগ করতে পারেন এখানেঃ elancebangladesh@gmail.com
ধন্যবাদ,
সাইদুর মামুন খান
কান্ট্রি ম্যানেজার, বাংলাদেশ
ইল্যান্স।

ক্যারিয়ার গড়ুন গ্রাফিক ডিজাইনে

গ্রাফিক্স ডিজাইন বর্তমান সময়ে একটি জনপ্রিয় পেশা। এ কাজটি একই সাথে আনন্দদায়ক এবং সৃজনশীল। যদি আপনার মাঝে ক্রিয়েটিভিটি থাকে আর স্বাধীনভাবে কাজ করতে চান তাহলে গ্রাফিক ডিজাইনার হিসেবে গড়ে তুলতে পারেন নিজেকে। বিস্তৃত কর্মক্ষেত্র আর তুমুল চাহিদা থাকার কারণে একজন প্রফেশনাল গ্রাফিক ডিজাইনারের গ্রহণযোগ্যতা খুবই বেশি। তবে নিজেকে আন্তর্জাতিক মানের ডিজাইনার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইলে পাড়ি দিতে হবে দীর্ঘ পথ, জানতে হবে নিত্য-নতুন কলা-কৌশল।

গ্রাফিক্স ডিজাইন কি?

সহজ কথায় বললে গ্রাফিক্স ডিজাইন হল এমন একটি প্রক্রিয়া যার মাধ্যমে যে কোন তথ্য বা ছবি শৈল্পিক উপায়ে উপস্থাপন করা হয়। একজন ডিজাইনার তার কাজের মাধ্যমে খুব সহজেই ব্যবহারকারির মধ্যে প্রভাব ফেলতে পারেন এবং সংক্ষিপ্ত ও নান্দনিক উপায়ে তথ্য পৌঁছে দিতে পারেন।



যা জানতে হবেঃ

গ্রাফিক ডিজাইনার হওয়ার জন্য আপনাকে গ্র্যাজুয়েট হওয়ার প্রয়োজন নেই তবে ইংরেজিতে মোটামুটি দক্ষতা থাকলে অনেক ভালো করতে পারবেন। অনলাইনে ঘাঁটাঘাঁটি কিংবা বিদেশি বায়ারের সাথে যোগাযোগের জন্য ইংরেজি জানা একটি পূর্বশর্ত। এ ছাড়া কম্পিউটার অপারেট করা জানতে হবে অর্থাৎ বেসিক কম্পিউটিং সম্পর্কে ধারণা থাকা আবশ্যক। ইন্টারনেট সংযোগ থাকলে খুবই ভালো হয়; তাহলে আপনি যে কোন বিষয়ে অনলাইন থেকে সাহায্য নিতে পারবেন। ডিজাইনের কাজের জন্য প্রয়োজন ইমেজ এডিটিং সফটওয়্যার যেমন অ্যাডোবি ফটোশপ, অ্যাডোবি ইলাস্ট্রেটর প্রভৃতি। যদি আপনার মন হয়ে থাকে সৃজনশীল অর্থাৎ আপনার যদি আঁকাআঁকি করতে ভালো লাগে তাহলে সেটা অবশ্যই প্লাস পয়েন্ট।

কিভাবে শিখবেনঃ
  • ভালো প্রতিষ্ঠানে প্রশিক্ষণ নেয়া
  • প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারের অধীনে কাজ করা
  • অন্যের কাজ অনুসরণ করা
  • অনলাইনে সার্চ করা
  • মানসম্মত টিউটোরিয়াল দেখা

গ্রাফিক্স ডিজাইনারের কাজের ক্ষেত্র

যে কোন পণ্য বা সার্ভিসের প্রচারণার জন্য দৃষ্টিনন্দন ও আকর্ষণীয় ডিজাইনের বিকল্প নেই। তাই ডিজাইনারকে কাজ করতে হয় মানুষের বয়স, আচার-আচরণ, পেশা, চাহিদা প্রভৃতি দিকগুলো বিবেচনা করে। আগেই বলা হয়েছে গ্রাফিক্স ডিজাইনারদের কাজের ক্ষেত্র বিস্তৃত। তবে সাধারণভাবে গ্রাফিক ডিজাইনের যেসব ক্ষেত্র বিদ্যমান তা হলঃ

লোগো তৈরিঃ

লোগো হচ্ছে একটি কোম্পানির পরিচয় বা ব্র্যান্ড। লোগোর মাধ্যমে একটি প্রতিষ্ঠানকে চেনা যায় খুব সহজেই। বিশ্বের নামকরা ব্র্যান্ড অ্যাপল, স্যামসাং, গুগল কিংবা ফেইসবুক এবং বাংলাদেশের ব্র্যান্ড আড়ং, গ্রামীণফোন, প্রাণ কিংবা প্রথম আলো শুধুমাত্র তাদের লোগো দেখেই চিনতে পারা যায়। মানসম্মত দৃষ্টিনন্দন লোগো কিন্তু একজন গ্রাফিক ডিজাইনারকেই তৈরি করতে হয়। শুধু প্রতীক নয় লোগোর সাথে কালারিংও ব্র্যান্ডিং এর ক্ষেত্রে ভূমিকা রাখে। লোগো যেমন লোকাল বিজনেসে প্রয়োজন হয় তেমনি তা অনলাইনেও বহুল চাহিদা সম্পন্ন একটি বিষয়।




ওয়েব ডিজাইনঃ

এটা বলার অপেক্ষা রাখে না যে অনলাইন উৎকর্ষের এই যুগে ওয়েবসাইটের চাহিদা ও প্রয়োজনীয়তা কতটুকু। বর্তমানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শুরু করে সামাজিক সংগঠন এমনকি ব্যক্তিগত ওয়েবসাইটও অনেকে তৈরি করতে চান। আর ব্যবসার প্রসারে ওয়েবসাইট অতি প্রয়োজনীয় একটি হাতিয়ার। ওয়েবসাইট ডিজাইনের জন্য একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের ভূমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সুদৃশ্য বাটন তৈরি, ব্যানার তৈরি, ইমেজ এডিটিং, আইকন তৈরি প্রভৃতি কাজ করা ছাড়াও একজন গ্রাফিক ডিজাইনার পিএসডি টেম্পলেটের মাধ্যমে একটি সম্পূর্ণ ওয়েব সাইটের আর্কিটেকচার তৈরি করতে পারেন।  

ভিজিটিং কার্ড তৈরিঃ

ডিরেক্ট মার্কেটিং বা ব্র্যান্ডিং এর জন্য ভিজিটিং কার্ডের গুরুত্ব অপরিসীম। ব্যক্তি এবং প্রতিষ্ঠান উভয়েরই পরিচিতি বৃদ্ধির জন্য ভিজিটিং কার্ড জনপ্রিয় একটি মাধ্যম। ভিজিটিং কার্ডের পরিসর ছোট হওয়ার কারণে এখানে ডিজাইন করতে হয় সুন্দরভাবে যাতে সংক্ষেপে ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে ফুটিয়ে তোলা যায়। ভিজিটিং কার্ড গ্রাফিক ডিজাইনের একটি অন্যতম ক্ষেত্র। লোকাল মার্কেটেই শুধু নয়, অনলাইনেও আপনার ডিজাইনকৃত ভিজিটিং কার্ড সেইল করে আয় করতে পারবেন।




বিজ্ঞাপন তৈরিঃ

পন্যের প্রচারণার জন্য বিজ্ঞাপন সবচেয়ে বড় মাধ্যম। সংক্ষিপ্ত অথচ তথ্যপূর্ণ, নান্দনিক এবং বিনোদনমূলক বিজ্ঞাপন ক্রেতাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সহজেই। একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের সৃজনশীলতা ও দক্ষতার উপর নির্ভর করে একটি বিজ্ঞাপন আবেদন তৈরি করতে পারবে কিনা। বিজ্ঞাপন প্রচারের জন্যও রয়েছে নানা মাধ্যম। অনলাইন, প্রিন্ট কিংবা ইলেকট্রনিক মিডিয়া যেখানে প্রচারের জন্যই হোক সবরকমের দক্ষতা একজন গ্রাফিক ডিজাইনারের থাকতে হবে।  
এর বাইরেও ব্রশিয়র ডিজাইন, পোস্টার ডিজাইন, টি-শার্ট ডিজাইন সহ রয়েছে আরও অনেক ক্ষেত্র। শুধুমাত্র একটি ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করে শুরু করতে পারেন ডিজাইনার হিসেবে আপনার ক্যারিয়ার। 


কোথায় জব পাবেনঃ

- বিজ্ঞাপন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান
- পত্রিকা/ম্যাগাজিন/প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান
- অনলাইন মার্কেট প্লেইস  
- প্রিন্টিং এবং ডিজাইনিং প্রতিষ্ঠান
- ওয়েব ডেভেলপিং প্রতিষ্ঠান

যেসব বিষয়ে আপনাকে যত্নবান হতে হবেঃ

->ভালো প্রতিষ্ঠান থেকে যথাযথ প্রশিক্ষণ নেয়া
->নিজে থেকে কিছু করার চেষ্টা করা (ক্রিয়েটিভিটি)
->নিজেকে আপ-টু-ডেট রাখা
->প্রতিষ্ঠিত ডিজাইনারদের কাজ অনুসরণ করা
->কাজের স্যাম্পল/টেম্পলেট তৈরি করে রাখা
->মার্কেটিং করা 


যারা এখনো ভাবছেন কি করা যায়, দ্বিধা-দ্বন্দে দিন কাটাচ্ছেন তারা নিঃসন্দেহে শুরু করে দিন গ্রাফিক্স ডিজাইন শেখার কাজ। দেশে বিদেশে আপনার জন্য কাজের ক্ষেত্র প্রস্তুত। উচ্চমানের চাহিদা সম্পন্ন একটি প্রফেশন হচ্ছে গ্রাফিক ডিজাইন।

লেখকঃ সাদিক আহমদ

কেমন হবে একজন ফ্রিল্যান্সারের প্রোফাইল



কোথাও চাকরীর আবেদন করতে হলে যেমন প্রতিষ্ঠানের নিকট আপনার বায়ো-ডাটা জমা দিতে হয় ঠিক তেমনি ফ্রিল্যান্সিং করতে হলেও একটি “ভার্চুয়াল” বায়ো-ডাটার প্রয়োজন হয়। এখানে সুবিধা হচ্ছে আপনাকে বারবার বায়ো-ডাটা জমা দিতে হবে না। শুধু নির্ধারিত মার্কেটপ্লেসে একটি প্রোফাইল তৈরি করবেন ব্যস। বাকি কাজ ক্লায়েন্ট / বায়ারের। তারাই নিজ উদ্যোগে আপনার প্রোফাইল দেখে নিবে। বলে রাখা ভাল যে ফ্রিল্যান্সিং কখনোই কোন চাকরি নয় বরং তার চাইতেও ভাল কিছু। তবে নিজেকে একজন সফল ফ্রিল্যান্সার হিসেবে প্রমান করার পূর্বশর্ত হচ্ছে মার্কেটপ্লেসে একটি সাজানো গোছানো প্রোফাইল প্রস্তুত করা। অগোছালো বা অপূর্ণ প্রোফাইল দিয়ে হয়তো টুকটাক কিছু কাজ পাওয়া যাবে কিন্তু চূড়ান্ত সফলতা পাওয়া সম্ভব নয়। আমার এই টিউনটিতে কিভাবে নিজের প্রোফাইল সুন্দর করে সাজাবেন তা বর্ণনা করবো। তাহলে চলুন শুরু করা যাকঃ
প্রোফাইল পিকচার বা ছবিঃ

আপনার ফ্রিল্যান্সার প্রোফাইলে ঢুকেই সর্বপ্রথম যা চোখে পরে তা হচ্ছে আপনার ছবি। প্রোফাইল পিকচার হিসাবে কোন ছবি বাছাই করার ক্ষেত্রে সতর্ক হউন।মন গড়া ভাবে যেনতেন ছবি ব্যবহার থেকে বিরত থাকা অত্যাবশ্যকীয় ।এমন কোন ছবি ব্যবহার করবেন না যেখানে আপনার ব্যক্তিত্বে আঘাত হানে। আপাদ-মস্তক কোন ছবি দিবেন নাকারন প্রোফাইল পিকচারের জায়গাটি অনেক ছোট হয়ে থাকে।এরকম ছবিতে আপনার চেহারা সম্পূর্ণরুপে বুঝা যাবে না। আবার কোথাও ভেকেশানে গিয়েছিলেন সেখানে চরম আনন্দময় মুহূর্তে ছবি উঠিয়েছেন,আমি সেটি ব্যবহার থেকেও আপনাকে বিরত থাকার পরামর্শ দিবো। অথবা সব ঠিকঠাক আছে কিন্তু ব্যকগ্রাউন্ডে দেখা গেল দামী কোন মডেলের গাড়িতে হেলান দিয়ে তুলা হয়েছিল ছবিটি।বিশ্বাস করুন কোন ক্লায়েট এতো পয়সা ওয়ালা একজন কন্ট্রাক্টরকে হায়ার করবেন না।মুলত সে ভয় পাবে আপনার সাথে নেগোশিয়েশন করতে।জাস্ট বি প্রফেশনাল।তার মানে নিশ্চই কোট-টাই পড়া, ব্যাকগ্রাউন্ড সাদা কালারের, মুখ গম্ভীর করা কোন ছবি বাছাই করতে বলছি! জি না। এতটা প্রফেশনাল কোন ফ্রিল্যান্সারের হওয়া উচিত নয়।
প্রথমত প্রোফাইল পিকচারে আপনার চেহারা স্পষ্টবুঝা যেতে হবে।সিম্পল হাস্যোজ্যল হবে আপনার চেহারা। কোট-টাই প্রয়োজন নাই।টি শার্ট পড়া ছবি হলে আমি বেশী প্রাধান্য দিবো।কিন্তু আপনার চেহারাকে মাধুর্য প্রদান করবে এমন পোশাক পরিহিত ছবিই বাছাই করুন।খুবই সাধারণ ব্যকগ্রাউন্ড রাখুন ছবিটির যেন কোন ক্রমেই পর্যবেক্ষকআপনার চেহারার চাইতে বেশি দৃষ্টি সেখানে না দেয়। অমলিন এক চিলতে হাসি দেওয়া পোট্রেইট সাইজের ছবি রাখুন প্রোফাইল পিকচার হিসাবে।প্রয়োজনে প্রফেশনাল কোন ফটোগ্রাফার দিয়ে আজই একটি ছবি তুলে নিন।
টাইটেল-ট্যাগ, ডেসক্রিপশনঃ
আপনার স্কিল অনুযায়ী টাইটেল-ট্যাগ-ডেসক্রিপশন লিখুন। একই ধাচের কাজের নাম দিয়ে টাইটেল ও ট্যাগ লাইন বসান। ধরুন আপনি HTML,CSS,HTML5,CSS3,PSD  to HTML,PHP, JavaScript, WordPressএসব কাজ ভাল জানেন।তাহলে ক্রমানুসারে এগুলা বসান টাইটেল ট্যাগ হিসাবে। কিন্তু একই সাথে ওয়েব ডিজাইন,ইন্টারনেট মার্কেটিং, এপ্লিকেশন ডেভলাপমেন্ট,সার্ভার রক্ষনাবেক্ষন, কাস্টমার সার্ভিস এবং কন্সাল্টেন্সি জাতীয় কাজ আপনার প্রোফাইল রাখবেন না।এতে আপনার প্রোফাইলের সক্ষমতা নস্ট হয়।যা করছেন একটা কাজ করুন এতে আপনার ইন্ডস্ট্রিতে আপনি সহজে দক্ষতা অর্জন করতে পারবেন। সফলতাও পাবেন।তাছাড়া সার্চ ইঞ্জিনে আপনাকে খুজে পেতে টাইটেল অংশটি বিরাট ভুমিকা রাখে। ডেসক্রিপশন/অভারভিউ লিখার ক্ষেত্রে ক্রিয়েটিভিটি প্রদর্শন করুন। প্রথম লাইনে এমন কিছু বলার চেষ্টা করুন যেন ক্লায়েন্ট দেখা মাত্র সম্পূর্ণটি পড়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
আপনি কোন কাজে এক্সপার্ট বেশী,কোনটিতে কম এখানে এসব বলার প্রয়োজন নেই। কারন আপনার টাইটেল আর ট্যাগ লাইন বলে দিবে আপনার দক্ষতা।  ডেসক্রিপশনে আপনার অভিজ্ঞতা প্রকাশ করতে পারেন। এছাড়া আপনার কাজ করার স্ট্রেটিজি অল্প কথায় লিখুন।ক্লায়েন্টের সাথে যোগাযোগ এবং কাজের ব্যপারে আপনি যথেষ্ঠ বন্ধু ভাবাপন্য সেটি উল্লেখ করুন। বুঝাবার চেষ্টা করুন আপনি কাজকে ভালবাসেন বলেই এ ধরনের কাজ করেন। ডেস্ক্রিপশনে কোথাও গ্রামারটিক্যাল ভুল বা ভাবের আতিশয্য যেন প্রকাশ না পায় সেটি লক্ষনীয়। কারন আপনার নিজের প্রোফাইল ডেসক্রিপশনেই যদি টুকটাক ভুল রেখে দেন তা হলে ক্লায়েন্টের কাজে যে ভুল রাখবেন না সেটি কিভাবে আশা করা যায়! তাই ইংরেজীর প্রতি যত্নবান হউন। ইন্টারনেটে অনেক গ্রামার চেকার টুল রয়েছে। চাইলে অবশ্যই আপনার ডেসক্রিপশনটি সেখানে চেক করিয়ে নিতে পারেন।
ভিডিও ডেসক্রিপশনঃ
ফ্রিল্যান্সার পেশা মানেই নতুন কিছু করতে চাওয়ার আগ্রহ। তাই নতুনত্বের মর্যাদা এখানেই সব চেয়ে বেশী। প্রায় সব ফ্রিল্যান্স/আউটসোর্সিং মার্কের প্লেস তাদের কন্ট্রাকরদের জন্য সম্প্রতি নতুন এই ফিচারটি যোগ করেছে। আপনি চাইলে এখনই আপনার নিজের সম্পর্কে কিছু বলে ভিডিও রেকর্ড করে আপলোড করে দিতে পারেন আপনার প্রোফাইলে। সর্বোচ্চ ১ মিনিটের একটি ভিডিওতে আপনি কি ধরনের কাজ করেন,কাজের প্রতি আপনার আগ্রহ,কোন মড়ালের ভিত্তি করে কাজ করেন এবং সর্বশেষে ক্লায়েন্ট কিভাবে-কোথায় আপনার সাথে যোগাযোগ করতে পারে হাসি মুখে বলুন।ভিডিও ডেসক্রিপশন মুলত কন্ট্রাক্টর এবং ক্লায়েন্ট এর সম্পর্ককে আরও এক ধাপ সামনে এগিয়ে নিতে সাহায্য করে। ভিডিও রেকর্ডের সময় লক্ষ রাখুন যেন ব্যকগ্রাউন্ডে কোন নয়েজ না থাকে এবং সর্বোচ্চ রেজুলেশন রাখার চেষ্ঠা করুন।ভিডিও ডেসক্রিপশনটি কেমন হবে তার একটি নমুনাঃhttps://www.youtube.com/watch?v=hn_EG_1zXPY
কেমন হবে কাজের রেটঃ
আপনি কি রকম ঘন্টা প্রতি রেটে কাজ করতে আগ্রহী তার একটি সাধারন ধারণা ক্লায়েন্ট আপনার প্রোফাইলে দেয়া ঘন্টাপ্রতি রেট থেকে পায়।কাজেই এটি নির্বাচনের সময় একটু ভেবে চিন্তে লিখুন। সবচেয়ে ভাল হয় আপনার ইন্ডাস্ট্রির অন্যান্য দক্ষ ব্যক্তিরা কি রেটে কাজ করে তা জানুন। তাদের কাজের সাথে আপনার নিজের কাজের তুলনা করুন তারপর ঠিক করুন আপনার ঘণ্টা প্রতি কাজের দাম কত হওয়া উচিত। তবে কখনই কম দামে কাজ করবেন না।আপনার কাজের মুল্য কি সেটা আগে জানুন পরে দাম ঠিক করুন।আমি একটি নীতিতে বিশ্বাস করিঃ “Do it free rathen than doing it less”
পোর্টফোলিওঃ

আপনি এ পর্যন্ত যত ফ্রিল্যান্স কাজ করেছেন তার স্ক্রিনশট নিয়ে উক্ত কাজের বিবরন এবং লাইভ লিঙ্ক সহ আপনার প্রোফাইলে যোগ করতে পারেন।এখানে উল্লেখ্য যে আজে বাজে কোন কিছু পোর্টফোলিও আইটেম হিসাবে এড না করাই বুদ্ধিমানের কাজ। এতে আপনার ইম্প্রেশন নষ্ট হওয়া থেকে বেঁচে যাবে।তাই আপনার প্রোফাইলটাযেই ধরনের কাজ করার জন্য তৈরি করতে চাচ্ছেন সেই সম্পর্কিত অতীতের অনুশীলন এবং অন্য ক্লায়েন্ট এর জন্য করা কাজের স্ক্রিনশট দিতে পারেন। তবে অবশ্যই তাদের অনুমতি সাপেক্ষে।
টেস্টসঃ
ফ্রিল্যান্স প্রোফাইল তৈরির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে টেস্টস। একজন ফিল্যান্সার কোন ক্যাটাগরিতে কাজ করে সেখানে তার দক্ষতা কতটুকু তা বুঝার জন্য কোন ক্লায়েন্ট টেস্ট অংশটুকুতে চোখ ভুলাতে ভুল করেনা। তাই সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে এই টেস্ট অংশটি সাজানো উচিত আমাদের।প্রোফাইলের শুরুর দিকে যেই টাইটেল-ট্যাগ এবং ডেসক্রিপশন অংশটি শেষ করেছি এখানে তারই প্রতিফলন পরবে। তাই আপনি কেই ক্যাটাগরির কাজ করুন না কেন সকল মার্কেটপ্লেসেই সেগুলোর কিছু না কিছু টেস্ট রয়েছে। একটু সময় নিয়ে হলেও টেস্ট গুলো দিন। ভাল ফলাফল করা টেস্ট গুলোর রেজাল্ট পাবলিক ভিসিবল করে রাখুন আর খারাপ করা টেস্ট গুলো হাইড করে রাখতে পারেন ইচ্ছে করলে।
এমপ্লয়মেন্ট হিস্টোরি, শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং অন্যান্য অভিজ্ঞতাঃ
যদিও এই অংশগুলোর একটাও ততোটা গুরুত্ব পূর্ণ নয় তথাপি নিজের প্রফাইলের সৌন্দর্য বৃদ্ধিতে নিশ্চয়ই এই বিষয় গুলো হালনাগাদ করে নিতে কেও আপত্তি করবেন না। শুধু তাই নয় যখন একজন ক্লায়েন্ট আপনার প্রোফাইলে এসে দেখতে পাবে প্রত্যেকটা অংশে আপনার সুচারু হাতের স্পর্শ রয়েছে নিঃসন্দেহে এরকম একটি প্রোফাইলের প্রতি ক্লায়েন্ট দুর্বল হয়ে পরবে। সে বুঝবে আপনি আপনার ফ্রিল্যান্স প্রোফাইল নিয়ে কতটা সিরিয়াস এবং ভবিষ্যতে যদি সে আপনাকে হায়ার করে তাহলে তার কাজেও আপনি এরকমই সিরিয়াসনেস প্রদর্শন করবেন- এরকমই ধারণা জন্মাবে তার মনে।
আরও কিছু বিষয় রয়েছে হয়তো আমি জেনে শুনেই এরিয়ে গিয়েছি কারন এমন কিছু বিষয় আছে যা সবাই যানেন কাওকে বলে দেয়া লাগে না। অসংখ্য ভুল ভ্রান্তিতে ভরা থাকতে পারে আমার এই লিখাটিতে কিন্তু এ পর্যন্ত নিজে যে যে অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে তা আজকে এখানে তুলে ধরার প্রয়াস করেছি মাত্র। ভুল গুলো ক্ষমা সুন্দর দৃষ্টিতে দেখার অনুরোধ জানাচ্ছি।

লেখক: আনোয়ার হোসাইন
বিঃদ্রঃ - এই লেখাটি "মাসিক কম্পিউটার জগৎ" ম্যাগাজিনের "জানুয়ারী ২০১৪" সংখ্যায় প্রকাশিত হয়েছে।