Monday, December 15, 2014
Sunday, December 14, 2014
এক লোক একটা অভিজাত রেষ্টুরেন্টে ঢুকে দেখল তিনটা দরজা...
১ম দরজায় লিখাঃ চাইনিজ খাবার
২য় দরজায় লিখাঃ বাঙালী খাবার
৩য় দরজায় লিখাঃ ইংরেজ খাবার
লোকটি তার পছন্দ অনুযায়ী চাইনিজ খাবারের দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন...
১ম দরজায় লিখাঃ বাড়ি নিয়া খাইবেন
২য় দরজায় লিখাঃ হোটেলে খাইবেন
লোকটি হোটেলে খেতে চেয়েছিল তাই হোটেলে খাইবেন লিখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন...
১ম দরজায় লেখাঃ এসি
২য় দরজায় লেখাঃ নন এসি
লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিল তাইসে এসি লিখা দরজাটায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন...
১ম দরজায় লিখাঃ ক্যাশ খাইবেন
২য় দরজায় লিখাঃ বাকি খাইবেন
লোকটি ভাবল বাকি খেলেই ভাল হয় তাই সে বাকি খাবেন দরজা টা খুলে বেরোতেই সে নিজকে রাস্তার মধ্যে পেল।
দুই মশার ফোনালাপ:::::--------
১ম মশা: মামা কি খবর?
2য় মশা:মামা ভালো না রে শীত তো পইরা গেল মানুষগুলো সারাদিন কাপড় দিয়ে নিজেকে ঢেকে থাকে কামড়ানোর সুযোগ দেয় না।
১ম মশা আফ্রিকা থেকে :তবে যাই হোক মামা আমার দিনকাল ভালোই কাটে।মাইয়ারা সবসময় ছোট কাপড় পড়ে মন চাইলেই কামড় বসাই।
2য় মশা: ভালো তো।জানিস মামা যদিও চাস্ন পাই দিনের বেলা কিন্তু লাভ হয় না।আমি যে ড্রেনে থাকি তার পাশের বাড়ির পোলাডা দিন রাইত বিড়ি ফুকায়। ওই বাড়িতে তো যাইতেই পারি না। গেলেই তো মইরা যামু।
১ম মশা:আরে মামা বাংলাদেশে তো এক কাহিনি একবার এক বিড়িখোর পোলারে কামড় মারসিলাম। এ তো দেখি পুরাই নিকোটিন যুক্ত রক্ত। মরতে মরতে বাইচ্চা গেসি।তাই তো রাগের চোটে দেশটাই ছাড়তে বাধ্য হলাম.......
বাবাঃ কিরে কাঁদছিস কেন?
ছেলেঃ ঐ বুড়ো লোকটার পায়ে পাড়া মেরেছিলাম।
বাবাঃ সে কি! উনার কাছে ক্ষমা চাসনি?
ছেলেঃ হ্যাঁ চেয়েছি।
বাবাঃ তবু মারলো? চলতো গিয়ে দেখি।
বাবা বুড়োকে গিয়ে বললঃ কি ব্যাপার চাচা, ছেলেটা আপনার কাছে ক্ষমা চাইলো, তাও ওকে এভাবে মারলেন?
বুড়োঃ সাধে কি আর মারছি?? তোমার পোলায় আমার পায়ে পাড়া দিয়া সরি কইলো। আমিতার ভদ্রতায় খুশি হইয়া তারে ১০টা টাকা দিলাম।
.
.
.
.
.
হারামজাদা টাকার লোভে আবার আমার পায়ে পাড়া মারলো !!!
¤একদিন ছোট্ট বল্টুকে তারস্কুলের স্যারবাসা থেকে ৩টা ফলের নামলিখে আনতে বললেন!!
বল্টু বাসায় গিয়ে তার চাচাকে জিজ্ঞেসকরল............ ....
“চাচা ৩টা ফলের নাম বল?”চাচা বলল “তোর বকবকশুনার জন্য আমারহাতে সময় নাই”বল্টু লিখে নিল।
এরপর সে গিয়ে বড় ভাইকে জিজ্ঞেসকরল..... ......“ভাইয়া ২টা ফলের নাম বল”ভাইয়া উত্তরদিল“গার্লফ ্রেন্ডের ফোন আসবে এখন,জলদি এখানথেকে ভাগ”বল্টু এটা খাতায় লিখে নেয়এরপরসে গিয়ে বুড়ো দাদুকে জি করল“দাদু একটা ফলের নাম বল” দাদু হেসে বলে“তুইএকটা পাগল”বল্টু এটাও খাতায়লিখে নেয়। পরের দিন স্কুলে স্যারবল্টুকে জিজ্ঞেস করল......“৩টা ফলের নামলিখে আনছ??”বল্টুঃ “জি স্যার”স্যারঃ “বল”বল্টুঃ “তোর বকবক শুনার জন্য আমার হাতে সময়নাই”স্যারঃ “কি??
চলপ্রিন্সিপ্যাল ের কাছে” বল্টুঃ“গার্লফ্র েন্ডের ফোন আসবে এখন,জলদি এখান থেকে ভাগ”স্যারঃ “কি!!! জানিসআমি কে??”.. . . বল্টুঃ “তুই ,একটা পাগল”.
●এক নৌকায় তিন হিন্দু লোকের মধ্যে কথপোকথন....
১ম জনঃ ভাই আপনার নাম কি?
২য় জনঃ হরিপদ পাল।
আপনার নাম কি?
১ম জনঃ নিতাই হালদার।
৩য় জনকে লক্ষ্য করে ১ম জন বললঃ ভাই আপনার নাম কি?
৩য় জনঃ আমার নাম গোপাল চন্দ্র গুন।
৩য়জন মাঝিকে লক্ষ্য করে বললঃ এই তোমার নাম কি?
মাঝিঃ আমার নাম রহিম উদ্দিন বৈঠা।
২য় জনঃ তোমার নামের এই পদবি তো আগে শুনিনি।
মাঝিঃ ছিলো না, তবে অহন হইছে কারণ,
.
.
.
আপনারা একজন পাল ধরছেন, একজন হাল ধরছেন, আর একজন গুন টানছেন, অহন লগি আর বৈঠা না হইলে নৌকা চলবো কেমন করে?
●ক্লাসে গ্রুপ ফটো দেখার সময় শিক্ষক বাচ্ছাদের বললঃ যখন তোমরা বড়ো হবে তখন এই ফটো দেখে বলবে...... *এটা রাজু , ও আমেরিকায় চলে গেছে.....। *এটা গলু , ও লন্ডনে চলে গেছে.....। *এটা শিউলি, ব্রিটেনের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ওর বিয়ে হয়েছে.....। *আর এটা সেই স্টুপিড পাপ্পু , যেখানে ছিল, সেখানেই রয়ে গেছে.....। এটা শুনে পাপ্পু রেগে গিয়ে বললঃ আর এটাও বলবো, এটা আমাদের শিক্ষক, যে পরলোকে চলে গেছে.....।।
১ম দরজায় লিখাঃ চাইনিজ খাবার
২য় দরজায় লিখাঃ বাঙালী খাবার
৩য় দরজায় লিখাঃ ইংরেজ খাবার
লোকটি তার পছন্দ অনুযায়ী চাইনিজ খাবারের দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন...
১ম দরজায় লিখাঃ বাড়ি নিয়া খাইবেন
২য় দরজায় লিখাঃ হোটেলে খাইবেন
লোকটি হোটেলে খেতে চেয়েছিল তাই হোটেলে খাইবেন লিখা দরজায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন...
১ম দরজায় লেখাঃ এসি
২য় দরজায় লেখাঃ নন এসি
লোকটি এসি রুমে খেতে চেয়েছিল তাইসে এসি লিখা দরজাটায় ঢুকলে সেখানে আরো দুটি দরজা দেখতে পেলেন...
১ম দরজায় লিখাঃ ক্যাশ খাইবেন
২য় দরজায় লিখাঃ বাকি খাইবেন
লোকটি ভাবল বাকি খেলেই ভাল হয় তাই সে বাকি খাবেন দরজা টা খুলে বেরোতেই সে নিজকে রাস্তার মধ্যে পেল।
দুই মশার ফোনালাপ:::::--------
১ম মশা: মামা কি খবর?
2য় মশা:মামা ভালো না রে শীত তো পইরা গেল মানুষগুলো সারাদিন কাপড় দিয়ে নিজেকে ঢেকে থাকে কামড়ানোর সুযোগ দেয় না।
১ম মশা আফ্রিকা থেকে :তবে যাই হোক মামা আমার দিনকাল ভালোই কাটে।মাইয়ারা সবসময় ছোট কাপড় পড়ে মন চাইলেই কামড় বসাই।
2য় মশা: ভালো তো।জানিস মামা যদিও চাস্ন পাই দিনের বেলা কিন্তু লাভ হয় না।আমি যে ড্রেনে থাকি তার পাশের বাড়ির পোলাডা দিন রাইত বিড়ি ফুকায়। ওই বাড়িতে তো যাইতেই পারি না। গেলেই তো মইরা যামু।
১ম মশা:আরে মামা বাংলাদেশে তো এক কাহিনি একবার এক বিড়িখোর পোলারে কামড় মারসিলাম। এ তো দেখি পুরাই নিকোটিন যুক্ত রক্ত। মরতে মরতে বাইচ্চা গেসি।তাই তো রাগের চোটে দেশটাই ছাড়তে বাধ্য হলাম.......
বাবাঃ কিরে কাঁদছিস কেন?
ছেলেঃ ঐ বুড়ো লোকটার পায়ে পাড়া মেরেছিলাম।
বাবাঃ সে কি! উনার কাছে ক্ষমা চাসনি?
ছেলেঃ হ্যাঁ চেয়েছি।
বাবাঃ তবু মারলো? চলতো গিয়ে দেখি।
বাবা বুড়োকে গিয়ে বললঃ কি ব্যাপার চাচা, ছেলেটা আপনার কাছে ক্ষমা চাইলো, তাও ওকে এভাবে মারলেন?
বুড়োঃ সাধে কি আর মারছি?? তোমার পোলায় আমার পায়ে পাড়া দিয়া সরি কইলো। আমিতার ভদ্রতায় খুশি হইয়া তারে ১০টা টাকা দিলাম।
.
.
.
.
.
হারামজাদা টাকার লোভে আবার আমার পায়ে পাড়া মারলো !!!
¤একদিন ছোট্ট বল্টুকে তারস্কুলের স্যারবাসা থেকে ৩টা ফলের নামলিখে আনতে বললেন!!
বল্টু বাসায় গিয়ে তার চাচাকে জিজ্ঞেসকরল............ ....
“চাচা ৩টা ফলের নাম বল?”চাচা বলল “তোর বকবকশুনার জন্য আমারহাতে সময় নাই”বল্টু লিখে নিল।
এরপর সে গিয়ে বড় ভাইকে জিজ্ঞেসকরল..... ......“ভাইয়া ২টা ফলের নাম বল”ভাইয়া উত্তরদিল“গার্লফ ্রেন্ডের ফোন আসবে এখন,জলদি এখানথেকে ভাগ”বল্টু এটা খাতায় লিখে নেয়এরপরসে গিয়ে বুড়ো দাদুকে জি করল“দাদু একটা ফলের নাম বল” দাদু হেসে বলে“তুইএকটা পাগল”বল্টু এটাও খাতায়লিখে নেয়। পরের দিন স্কুলে স্যারবল্টুকে জিজ্ঞেস করল......“৩টা ফলের নামলিখে আনছ??”বল্টুঃ “জি স্যার”স্যারঃ “বল”বল্টুঃ “তোর বকবক শুনার জন্য আমার হাতে সময়নাই”স্যারঃ “কি??
চলপ্রিন্সিপ্যাল ের কাছে” বল্টুঃ“গার্লফ্র েন্ডের ফোন আসবে এখন,জলদি এখান থেকে ভাগ”স্যারঃ “কি!!! জানিসআমি কে??”.. . . বল্টুঃ “তুই ,একটা পাগল”.
●এক নৌকায় তিন হিন্দু লোকের মধ্যে কথপোকথন....
১ম জনঃ ভাই আপনার নাম কি?
২য় জনঃ হরিপদ পাল।
আপনার নাম কি?
১ম জনঃ নিতাই হালদার।
৩য় জনকে লক্ষ্য করে ১ম জন বললঃ ভাই আপনার নাম কি?
৩য় জনঃ আমার নাম গোপাল চন্দ্র গুন।
৩য়জন মাঝিকে লক্ষ্য করে বললঃ এই তোমার নাম কি?
মাঝিঃ আমার নাম রহিম উদ্দিন বৈঠা।
২য় জনঃ তোমার নামের এই পদবি তো আগে শুনিনি।
মাঝিঃ ছিলো না, তবে অহন হইছে কারণ,
.
.
.
আপনারা একজন পাল ধরছেন, একজন হাল ধরছেন, আর একজন গুন টানছেন, অহন লগি আর বৈঠা না হইলে নৌকা চলবো কেমন করে?
●ক্লাসে গ্রুপ ফটো দেখার সময় শিক্ষক বাচ্ছাদের বললঃ যখন তোমরা বড়ো হবে তখন এই ফটো দেখে বলবে...... *এটা রাজু , ও আমেরিকায় চলে গেছে.....। *এটা গলু , ও লন্ডনে চলে গেছে.....। *এটা শিউলি, ব্রিটেনের এক সম্ভ্রান্ত পরিবারে ওর বিয়ে হয়েছে.....। *আর এটা সেই স্টুপিড পাপ্পু , যেখানে ছিল, সেখানেই রয়ে গেছে.....। এটা শুনে পাপ্পু রেগে গিয়ে বললঃ আর এটাও বলবো, এটা আমাদের শিক্ষক, যে পরলোকে চলে গেছে.....।।
Jokes
আজ সকালে ঘুমাইতে ছিলাম বাসায়। এমন সময় মনে হইল কেও যেন আমার বাসার সামনে চিল্লাইয়া চিল্লিইয়া কইতাছে,
... “I love u….I love u” চোখ মুইছা বিছানা থেকে উঠে গিয়ে দেখলাম, ওরে হালা, ওইডা আসলে একটা লেবু বিক্রেতা।
/
/
/একটু স্টাইল কইরা কইতাছিলঃএয়াই ল্যায়াবু...এয় াই ল্যায়াবু। ঘুমের ঘোরে কি যে হুনছি।
বি.এ পাস করেও এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে চাকরি পাচ্ছে না। মামা খালুর জোর না থাকলে কি আর আজকাল চাকরি হয়?
হঠাৎ একদিন চিড়িয়াখানায় তার একটা চাকরি হয়ে গেল। চিড়িয়াখানার বাঘটা হঠাৎ করে মারা যাওয়ায় খাঁচাটা শূন্য পড়ে আছে। কর্তৃপক্ষ বললঃ তুমি যদি খাঁচার ভেতর একটা বাঘের পোষাক পরে বাঘের মত তর্জন গর্জন দিতে পারো তাহলে মাসে ৮হাজার টাকা পাবে। অগাত্যা বেকার ছেলেটা তাতেই রাজি। রোজ চিড়িয়াখানা খোলার আগে সে বাঘের পোষাক পরে খাঁচায় ঢুকে পড়ে। দর্শক এলে তাদেরকে তর্জন-গর্জন ও আরো নানা কায়দা-কুসরত দেখিয়ে ভীষণ আনন্দ দেয়। দেখতে দেখতে চিড়িয়াখানার দর্শক বেড়ে গেল। বাঘের খাঁচার সামনে বিরাট ভিড়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও খুশি হয়ে বেতন বাড়িয়ে দিল। ভালোই চলছিল দিন....... হঠাৎ একদিন হলো বিপত্তি...!!! বাঘের খাঁচার পাশেই ছিল সিংহের খাঁচা। দুই খাঁচার মাঝে একটা লোহার জালের বেঁড়া। একদিন সেই বেঁড়া ধরে লাফিয়ে নেচে-কুদে মজা দেখাতে গিয়ে পুরনো বেঁড়া ভেঙ্গে সে গিয়ে পড়লো সিংহের খাঁচার ভেতর। এখন কী হবে? পৈতৃক প্রাণটা বুঝি আজ সিংহের হাতেই গেল...! ভয়ে জবু থবু হয়ে খাঁচার এক কোনে বসে দোয়া-দুরুদ পড়তে লাগলো বেচারা। এদিকে সিংহটাও কিছুক্ষণ চুপকরে বসে থেকে ধিরে ধিরে উঠে দাঁড়ালো।
তারপর আস্তে আস্তে এগিয়ে আসতে লাগলো তার দিকে। ভয়ে তো তার প্রায় হার্ট এটাক হবার যোগার। এদিকে সিংহটা এক্কেবারে কাছে চলে এসেছে। প্রাণের মায়া ছেড়ে দিয়ে ছেলেটা যখন কালেমা পড়তে শুরু করলো ঠিক তখন সিংহটা বলে উঠলো,
.
ভাই, এতো ভয় পাবেন না, আমিও বাংলায় অনার্স.....।।
নিজের খারাপ কপালের কথা আর কি বলব!!!!!
"
গার্লফ্রেন্ডের মোবাইলে টাকা রিচার্জ করে দেয়ার জন্য দোকানে গেলাম......
"
রিচার্জ ওয়ালা : নাম্বার বলো.....
"
আমি : 0168*******
"
রিচার্জ ওয়ালা : এটা কার নাম্বার ????
"
আমি : আমার গার্লফ্রেন্ডের.......
"
রিচার্জ ওয়ালা : আব্বে সালা, তুই আমার বোনের সাথে........
"
এখন আমি হসপিটালে!!!!!!!!
... “I love u….I love u” চোখ মুইছা বিছানা থেকে উঠে গিয়ে দেখলাম, ওরে হালা, ওইডা আসলে একটা লেবু বিক্রেতা।
/
/
/একটু স্টাইল কইরা কইতাছিলঃএয়াই ল্যায়াবু...এয় াই ল্যায়াবু। ঘুমের ঘোরে কি যে হুনছি।
বি.এ পাস করেও এক যুবক দীর্ঘদিন ধরে চাকরি পাচ্ছে না। মামা খালুর জোর না থাকলে কি আর আজকাল চাকরি হয়?
হঠাৎ একদিন চিড়িয়াখানায় তার একটা চাকরি হয়ে গেল। চিড়িয়াখানার বাঘটা হঠাৎ করে মারা যাওয়ায় খাঁচাটা শূন্য পড়ে আছে। কর্তৃপক্ষ বললঃ তুমি যদি খাঁচার ভেতর একটা বাঘের পোষাক পরে বাঘের মত তর্জন গর্জন দিতে পারো তাহলে মাসে ৮হাজার টাকা পাবে। অগাত্যা বেকার ছেলেটা তাতেই রাজি। রোজ চিড়িয়াখানা খোলার আগে সে বাঘের পোষাক পরে খাঁচায় ঢুকে পড়ে। দর্শক এলে তাদেরকে তর্জন-গর্জন ও আরো নানা কায়দা-কুসরত দেখিয়ে ভীষণ আনন্দ দেয়। দেখতে দেখতে চিড়িয়াখানার দর্শক বেড়ে গেল। বাঘের খাঁচার সামনে বিরাট ভিড়। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষও খুশি হয়ে বেতন বাড়িয়ে দিল। ভালোই চলছিল দিন....... হঠাৎ একদিন হলো বিপত্তি...!!! বাঘের খাঁচার পাশেই ছিল সিংহের খাঁচা। দুই খাঁচার মাঝে একটা লোহার জালের বেঁড়া। একদিন সেই বেঁড়া ধরে লাফিয়ে নেচে-কুদে মজা দেখাতে গিয়ে পুরনো বেঁড়া ভেঙ্গে সে গিয়ে পড়লো সিংহের খাঁচার ভেতর। এখন কী হবে? পৈতৃক প্রাণটা বুঝি আজ সিংহের হাতেই গেল...! ভয়ে জবু থবু হয়ে খাঁচার এক কোনে বসে দোয়া-দুরুদ পড়তে লাগলো বেচারা। এদিকে সিংহটাও কিছুক্ষণ চুপকরে বসে থেকে ধিরে ধিরে উঠে দাঁড়ালো।
তারপর আস্তে আস্তে এগিয়ে আসতে লাগলো তার দিকে। ভয়ে তো তার প্রায় হার্ট এটাক হবার যোগার। এদিকে সিংহটা এক্কেবারে কাছে চলে এসেছে। প্রাণের মায়া ছেড়ে দিয়ে ছেলেটা যখন কালেমা পড়তে শুরু করলো ঠিক তখন সিংহটা বলে উঠলো,
.
ভাই, এতো ভয় পাবেন না, আমিও বাংলায় অনার্স.....।।
নিজের খারাপ কপালের কথা আর কি বলব!!!!!
"
গার্লফ্রেন্ডের মোবাইলে টাকা রিচার্জ করে দেয়ার জন্য দোকানে গেলাম......
"
রিচার্জ ওয়ালা : নাম্বার বলো.....
"
আমি : 0168*******
"
রিচার্জ ওয়ালা : এটা কার নাম্বার ????
"
আমি : আমার গার্লফ্রেন্ডের.......
"
রিচার্জ ওয়ালা : আব্বে সালা, তুই আমার বোনের সাথে........
"
এখন আমি হসপিটালে!!!!!!!!
Saturday, December 6, 2014
পেনড্রাইভে ভাইরাসের আক্রমণ
অনেক
সময় দেখা যায়, পেনড্রাইভ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছে। প্রয়োজনিয় ফাইল বা
ফোল্ডারটি খুলছে না। অর্থাৎ সেটি নষ্ট হয়ে গেছে। এ ক্ষেত্রে আমরা সাধারণত
কম্পিউটারে হালনাগাদ করা অ্যান্টিভাইরাস দিয়ে পেনড্রাইভ স্ক্যান করে থাকি।
স্ক্যান শেষ হওয়ার পর অনেক সময় প্রয়োজনিয় ফাইল বা ফোল্ডার আর ফিরে পাওয়া
যায় না। অর্থাৎ অ্যান্টিভাইরাস সেটি মুছে দেয়। এই ফাইল বা ফোল্ডারগুলো ফেরত
পেতে হলে প্রথমেই আপনাকে পেনড্রাইভে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে
প্রোপার্টিজে গিয়ে দেখবেন পেনড্রাইভে কিছু ডেটা আছে, কিন্তু সেগুলো দেখা
যাচ্ছে না। সেগুলো দেখার জন্য My Computer-এর মেনুবারের Tools থেকে Folder
options সিলেক্ট করে View-তে ক্লিক করুন। এখন Show hidden files and
folders এ ঠিক চিহ্ন দিন এবং Hide extensions... ও Hide protected... বক্স
থেকে টিক চিহ্ন তুলে দিয়ে ok করুন। এখন দেখবেন, পেনড্রাইভে আপনার ফাইল,
ফোল্ডারগুলো হিডেন অবস্থায় দেখা যাচ্ছে। তবে লক্ষ রাখা প্রয়োজন, পেনড্রাইভে
করে কোনো ফাইল বা ফোল্ডার অন্য কোনো কম্পিউটারে নিতে চাইলে সেগুলো জিপ করে
নেবেন। জিপ করা ফাইল বা ফোল্ডারে ভাইরাস সাধারণত আক্রমণ করে না। কোনো ফাইল
বা ফোল্ডার জিপ করতে চাইলে সেটিতে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Send to
Compressed (Zipped)-এ ক্লিক করুন। দেখবেন জিপ হয়ে গেছে। আবার আনজিপ করতে
চাইলে সেটিতে মাউস রেখে ডান বাটনে ক্লিক করে Extract All-এ ক্লিক করে পরপর
দুবার Next-এ ক্লিক করে দেখবেন আনজিপ হয়ে গেছে। কম্পিউটারে সব সময় লেটেস্ট
অ্যান্টিভাইরাস ব্যবহার করবেন এবং কয়েক দিন পরপর তা হালনাগাদ করবেন, যাতে
ভাইরাস আক্রমণ করতে না পারে। একবার ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে গেলে আর
এন্টিভাইরাস ব্যবহার করে লাভ নেই। তখন পুনরায় আবার অপারেটিং সিস্টেম সেটআপ
দিতে হবে।
Subscribe to:
Posts (Atom)




