Saturday, February 23, 2019

বয়স অনুপাতে কার কতো ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি

পরিশ্রমের পর বিশ্রাম আবশ্যক। আর বিশ্রামের সবচেয়ে ভালো পন্থা হচ্ছে ঘুম। ঘুম অপূর্ণ থাকলে শরীরে বাসা বাধতে পারে নানা ধরনের রোগ। একজন প্রাপ্ত বয়স্ক মানুষকে প্রতিদিন রাতে কমপক্ষে ৬ ঘণ্টা ঘুমাতে হবে। এর চেয়ে কম ঘুম শরীরের জন্য মারাত্মক ঝুঁকিপূর্ণ। আর এই পরিস্থিতি দীর্ঘদিন চলতে থাকলে এক সময় তা মানুষের আয়ুর ওপর প্রভাব ফেলে। আসুন জেনে নিই বয়স অনুপাতে কার কত ঘণ্টা ঘুমানো জরুরি।
নবজাত শিশু : (৩ মাস পর্যন্ত) ১৪ থেকে ১৭ ঘণ্টা। যদিও ১১ থেকে ১৩ ঘণ্টাও যথেষ্ট হতে পারে। তবে কোন ভাবেই ১৯ ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয়।
শিশু (৪ থেকে ১১ মাস): কমপক্ষে ১০ ঘণ্টা আর সর্বোচ্চ ১৮ ঘণ্টা।
শিশু (১/২ বছর বয়স): ১১ থেকে ১৪ ঘণ্টা
প্রাক স্কুল পর্ব (৩-৫ বছর বয়স): বিশেষজ্ঞরা মনে করেন ১০ থেকে ১৩ ঘণ্টা।
স্কুল পর্যায় ( ৬-১৩ বছর): এনএসএফ’র পরামর্শ ৯-১০ ঘণ্টার ঘুম
টিন এজ (১৪-১৭ বছর): ৮-১০ ঘণ্টার ঘুম প্রয়োজন।
প্রাপ্ত বয়স্ক তরুণ (১৮-২৫ বছর): ৭-৯ ঘণ্টা ঘুমানো উচিত।
প্রাপ্ত বয়স্ক (২৬-৬৪ বছর): প্রাপ্ত বয়স্ক তরুণদের মতোই।
অন্য বয়স্ক ( ৬৫ বা তার বেশি বছর): ৭/৮ ঘণ্টার ঘুম আদর্শ। কিন্তু ৫ ঘণ্টার কম বা ৯ ঘণ্টার বেশি হওয়া উচিত নয়।

Tuesday, February 12, 2019

উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের ওজন

জেনে নিন, উচ্চতা অনুযায়ী শরীরের আদর্শ ওজন

শরীরের ওজন নিয়ে আমাদের মাথা ব্যথার শেষ নেই। কেউ চান ওজন কমাতে আবার কারো চিন্তার কারণ কম ওজন। অর্থাৎ, ওজন বেশি হলেও সমস্যা, কম হলেও সমস্যা। আসলে চিকিৎসকরাও গুরুত্ব দেন ওজনের ওপরে। তবে অনেক ক্ষেত্রে আমরা না জেনেই শারীরিক গঠন রোগা না মোটা সেই অনুযায়ী ওজন বাড়ানোর বা কমানোর চেষ্টা করি। অথচ এতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতিও হয়ে যেতে পারে। তাই উচ্চতা অনুযায়ী কত ওজন হওয়া উচিৎ সেটা জেনে রাখা দরকার।

একজন মানুষের আদর্শ ওজন নির্ণয় করতে গেলে ওই ব্যক্তির ওজন কিলোগ্রামে মাপা হয় এবং উচ্চতা মিটারে মাপা হয়। তারপর ওই ওজনকে উচ্চতার বর্গফল দিয়ে ভাগ করা হয়। আর এই ভাগফলকে বলা হয় বিএমআই।

একজন মানুষের ক্ষেত্রে বিএমআই ১৮ থেকে ২৪'র মধ্যে হলে স্বাভাবিক। ২৫ থেকে ৩০'র মধ্যে হলে স্বাস্থ্যবান বা অল্প মোটা, ৩০ থেকে ৩৫'র মধ্যে হলে বেশি মোটা। আর ৩৫'র ওপরে হলে অত্যন্ত ও অসুস্থ পর্যায়ের মোটা বলা যেতে পারে।

তবে কোন কোন ক্ষেত্রে এই পরিমাপের তারতম্য হতে পারে।

নীচে উচ্চতা অনুযায়ী আদর্শ ওজনের একটি তালিকা তুলে ধরা হলো-

উচ্চতা অনুযায়ী, আদর্শ ওজন-

উচ্চতা          পুরুষ(কেজি)              নারী(কেজি)
৪’৭”               ৩৯-৪৯                      ৩৬-৪৬
৪’৮”               ৪১-৫০                       ৩৮-৪৮
৪’৯”                ৪২-৫২                      ৩৯–৫০
৪’১০”              ৪৪-৫৪                       ৪১–৫২
৪’১১”              ৪৫-৫৬                      ৪২-৫৩
৫ফিট              ৪৭-৫৮                      ৪৩-৫৫
৫’১”                ৪৮-৬০                      ৪৫-৫৭
৫’২”                ৫০-৬২                     ৪৬-৫৯
৫’৩”                ৫১-৬৪                      ৪৮-৬১
৫’৪”                ৫৩-৬৬                     ৪৯-৬৩
৫’৫”                ৫৫-৬৮                    ৫১-৬৫
৫’৬”                ৫৬-৭০                     ৫৩-৬৭
৫’৭”                ৫৮-৭২                     ৫৪-৬৯
৫’৮”                ৬০-৭৪                     ৫৬-৭১
৫’৯”                ৬২-৭৬                     ৫৭-৭১
৫’১০”               ৬৪-৭৯                     ৫৯-৭৫
৫’১১”               ৬৫-৮১                     ৬১-৭৭
৬ ফিট             ৬৭-৮৩                     ৬৩-৮০
৬’১”                 ৬৯-৮৬                    ৬৫-৮২
 ৬’২”                 ৭১-৮৮                     ৬৭-৮৪

Friday, January 18, 2019

চিকিৎসা গবাদি পশু

                                                                       ,,,,,,,,,পেটের ব্যথার জন্য
Tab Cosvet/Cipro A vet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,     ডায়রীয়া
Mecovet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, বিকার
Gluculyte,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,                   ডায়রীয়াতে স্যালাইন
Tab Salfadin/Civox/Tetravet,,,,,,,,,,,,,,                     এন্টিবায়োটিক
Tab Dellergin vet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,         এলার্জি
Tab Endex,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, কৃমি
Tab Anorexon DS,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,          খাওয়ার রুচি
Stomavet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,      খাওয়ার রুচি/ হালকা পেট ফাঁপা
Soda,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,                 বদহজম,পেট ফাঁপা,
Bovi Care,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,                     বেশি করে পেট ফাঁপা
Magvet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,            কেষ্টোকাঠিন্ন/শক্ত পায়খানা
সবচেয়ে বেশি দরকার
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
Caldi Mag vet Calcium
মিল্ক ফিভার,চিকিৎসা শুরু করতে দেরী করলে গরু মারা যেতে পারে, আপনি রগে দিতে না পারলে অন্তত চামড়ার নিচে হলেও দিতে পারবেন, কোনটি গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করতে হবে সেটি নিশ্চই ডাক্তার আপনাকে বলে দিবেন,

Thursday, January 17, 2019

সহজ ৩টি কৌশল পদযুগলকে নজরকাড়া সুন্দর করতে

শীত শুরু তো ত্বকের রুক্ষতা শুরু। আমরা ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে শীতকালে কত কিছুই না করে থাকি। সকালে বাসা থেকে বের হবার সময় সানস্ক্রিন, বাসায় ফিরে যত্ন-আত্তি, রাতে ঘুমোবার আগে ক্রিম লাগানো ইত্যাদি আরও কত কি। কিন্তু এই সব করতে গিয়ে বেশিরভাগ সময় পায়ের দিকে নজর দিতে ভুলে যাই। ভুলে যাই আমাদের পায়েরও দরকার শীতকালীন রুক্ষতা থেকে মুক্তি। যতই মুখ ও দেহের ত্বকের পেছেনে সময় ব্যয় করি না কেন, পায়ের দিকে নজর না গেলে শরীরের পুরোপুরি যত্ন হয় না। শীতের রুক্ষতা থেকে রক্ষা করে পা-কে কোমল ও সুন্দর করতে বেশি কিছু লাগে না। দরকার শুধু আপনার একটুখানি সময়। দিন শেষে বাসায় ফিরে সময় করতে না পারলেও রাতে একটু সময় বের করে পায়ের যত্নে ব্যয় করুন। জেনে নিন অল্প সময় ব্যয়ে কিভাবে শীতের রুক্ষতা থেকে রেহাই দেবেন আপনার পা-কে। আর পা-কে করে তুলবেন নজর কাড়া সুন্দর। পায়ের রুক্ষতা দূর করতে তেলের ব্যবহার নারকেল তেল ও ভিটামিন ই তেল ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে বেশ কার্যকরী উপাদান। মুখের ত্বক অনেক নরম হয় বিধায় মুখে সরাসরি নারকেল তেল ও ভিটামিন ই তেল ব্যবহার করা যায় না, ব্রনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু নারকেল তেল ও ভিটামিন ই তেল অনায়াসে পায়ের ত্বকে ব্যবহার করা যায়। নারকেল তেল ব্যবহার করলে পায়ের ত্বক নরম ও কোমল হয়। রুক্ষতা দূর হয়। আবার ভিটামিন ই তেল ব্যবহারের পদ্ধতি জানা থাকলে প্রাকৃতিক উপায়ে আপনি আপনার পা ব্লিচ করতে পারবেন। এছাড়াও অলিভ অয়েল ও পায়ের ত্বকে সরাসরি ব্যবহার করলে পায়ের ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে পারবেন।
পদ্ধতিঃ
নারকেল তেল ও অলিভ অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনি শুধুমাত্র তেলগুলো হালকা গরম করে ম্যাসাজ করলেই পায়ের ত্বকে কমনীয়তা ও উজ্জলতা লক্ষ্য করতে পারবেন। প্রতিদিন ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। আর পায়ের ত্বক ব্লিচ করতে চাইলে আপনার দরকার হবে ভিটামিন ই তেল ও সামান্য কাঁচা হলুদ বাটা। প্রথমে একটি কাঁচা হলুদ বেটে নিন। তারপর এতে ভিটামিন ই তেল পরিমাণ মত মিশিয়ে পেস্টের মত তৈরি করুন। তারপর এই মিশ্রণটি পুরো পায়ে লাগিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ঘষে তুলে নিন। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র পায়ের ত্বকের উজ্জলতাই বাড়ায় না, পাশাপাশি পায়ের ত্বককে টানটান করে তোলে।
পায়ের মৃতকোষ দূর করতে মুলতানি মাটি কিংবা ময়দা


পা ভালো ভাবে স্ক্রাব না করা হলে পায়ে কালচে ভাব চলে আসে। অর্থাৎ স্ক্রাবিং না করার ফলে পায়ের ত্বকের উপরিভাগে মৃতকোষ জমা হয়। যার ফলে পা কালো দেখায়। এর জন্য আপনার দরকার খুব ভালো একটি স্ক্রাবার। মুখের ত্বকের জন্য যে স্ক্রাবার ব্যবহার করেন তাতে পায়ের ত্বক ঠিক মত স্ক্রাব হয় না। আপনার দরকার আরও শক্তিশালী স্ক্রাবারের। প্রাকৃতিক উপায়ে স্ক্রাব করতে চাইলে আপনি খুব সহজেই বাসায় একটি স্ক্রাবার তৈরি করে নিতে পারেন। পায়ের মৃতকোষ দূর করে পা কে উজ্জলতা দিতে এর জুরি নেই।
পদ্ধতিঃ
ঘরোয়া এই স্ক্রাবারটির জন্য আপনার লাগবে মুলতানি মাটি, দুধ ও মধু। যদি মুলতানি মাটি না পান তবে ময়দা দিয়েও স্ক্রাবারটি তৈরি করতে পারবেন। প্রথমে একটি বাটিতে ৩ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি কিংবা ময়দা মিয়ে তাতে ২ টেবিল চামচ মধু মেশান। এরপর এতে ১ টেবিল চামচ দুধ দিন। মিশ্রণটিকে পেস্টের মত তৈরি করে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে রাখুন। ইচ্ছে করলে এটি আপনি হাতেও লাগাতে পারেন। না শুকানো পর্যন্ত মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে হাত দিয়ে ঘষে তুলে নিন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এভাবে স্ক্রাব করুন।

পায়ের তলা মসৃণ করতে ভিনেগার ও লবণ
অনেকেই পায়ের গোড়ালি নিয়ে বিপদে পড়েন। শক্ত, মোটা ও খসখসে গোড়ালি যেন মসৃণ হয়ে উঠতেই চায় না। পায়ের উপরিভাগের যত্ন নিলেও পায়ের তলার এই যত্নটি অনেকেই আলসেমির জন্য করেন না। পায়ের তলার এই মোটা ও খসখসে ত্বক মোলায়েম জন্যও রয়েছে অনেক সহজ একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করলে শুধু যে মসৃণ গোড়ালি পাবেন তা নয়। এর সাথে পায়ের ছত্রাকজনিত সকল প্রকার রোগ থেকে রেহাই পাবেন। রোধ হবে পা ফাটাও।
পদ্ধতিঃ
প্রথমে পা ভালো ভাবে ধুয়ে ১ চা চামচ লবন নিয়ে ভেজা পায়ের উপরিভাগ ও তলার দিক ভালো ভাবে ঘষে নিন। এরপর একটি পাত্রে ২/৩ লিটার পানি পায়ের সহনশীলতা অনুযায়ী গরম করে নিন। তারপর চুলা থেকে নামিয়ে প্রতি লিটারের জন্য ১ কাপ ভিনেগার দিন। এই ভিনেগার মিশ্রিত পানিতে পা ডুবিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। ২০ মিনিট পর পানি থেকে পা তুলে ব্রাশ দিয়ে হালকা ঘষে পায়ের তলার মোটা ও খসখসে চামড়া তুলে ফেলতে পারবেন। ব্রাশ দিয়ে ঘষা শেষ হলে কুসুম গরম পানি দিয়ে পা দুয়ে মুছে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করুন।

Wednesday, September 27, 2017

তেলাপোকা তাড়াবেন যেভাবে


তেলাপোকা দেখেনি এমন মানুষের সংখ্যা বিরল। অনেকে রয়েছেন যারা নিজ ঘরেই তেলাপোকার অত্যাচারে অতিষ্ঠ।ঘরে অনেক সময় বেশি জিনিসপত্র থাকলে বা বাড়ি নোংরা থাকলে তেলাপোকার উপদ্রব দেখা যায়। বাড়ি থেকে তেলাপোকা তাড়াতে প্রাণ যায় যায় অবস্থা।

আবার চোখের সামনে তেলাপোকা দেখলে অনেকে ভয় পান এবং অযথা চেঁচামিচি-লাফালাফি শুরু করে দেন। কিন্তু তেলাপোকা দেখে ভয়ের কিছু নেই। তেলাপোকা মারার বহু রাসায়নিক বাজারে পাওয়া গেলেও, তা শিশুদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত হানিকর।

তাই জেনে নিন তেলাপোকা মারার ঘরোয়া উপায় -

১. বেকিং সোডা ও চিনি
তেলাপোকা মারতে বেকিং সোডা ও চিনি বেশ কাজে দেবে। বেকিং সোডা ও চিনি মিশিয়ে যদি ঘরের কোনো কোণায় মিশ্রণটি ছড়িয়ে দেন তাহলে তা কাজে দেয়। তেলাপোকা এ মিশ্রণটি খেলেই মারা যায়।

২. তেজপাতা
ঘর থেকে তেলাপোকা তাড়াতে তেজপাতা কাজে লাগাতে পারেন। তেজপাতার গন্ধ তেলাপোকা সহ্য করতে পারে না। ফলে যেখানে তেজপাতা থাকে সেখানে তেলাপোকা থাকে না। তাই তেলাপোকার আনাগোনা যেখানে বেশি সেখানে তেজপাতা ছিঁড়ে ফেলে রাখুন। বাড়ি থেকে তেলাপোকা ১০০ শতাংশ বিদায় হবে।

৩. অ্যামোনিয়া মিশ্রণ
পানি আর অ্যামোনিয়ার মিশ্রণ তেলাপোকা তাড়ানোয় অত্যন্ত উপযোগী। এক বালতি পানিতে ২ কাপ অ্যামোনিয়া গুলে নিন। এই পানি দিয়ে রান্নাঘর ধুইয়ে নিন। অ্যামোনিয়ার গন্ধে তেলাপোকা পালাবে।

৪. সাবান পানি
গায়ে মাখার সাবান ও পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। ঘরের কোণায় কোণায় এই পানি স্প্রে করে দিন।দেখবেন দূর হবে তেলাপোকা।

৫. বোরিক অ্যাসিড ও ময়দা
ময়দা ও বোরিক অ্যাসিড মেখে একটা ডো তৈরি করে নিন। এর ছোট ছোট লেচি কেটে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রাখুন। এই লেচিতে মুখ দিলেই অক্কা পাবে তেলাপোকা।

৬. গোলমরিচ, পেঁয়াজ, রসুন
অরাসায়নিক পদ্ধতিতে তেলাপোকা মারার একটি সেরা উপায় গোলমরিচ, পেঁয়াজ, রসুন। এই তিন উপকরণ একসঙ্গে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এক লিটার পানিতে এই বাটাটা দিয়ে ভালো করে গুলে নিন। ঘরের আনাচে-কানাচে এই পানি স্প্রে করলেও নিশ্চিহ্ন হবে তেলাপোকা।

৭. শশা
একটি টিনের কৌটায় কাটা শশা ভরে মুখ খুলে রেখে দিন। তেলাপোকা চলে যাবে। তবে দিনের পর দিন রাখবেন না। তাতে মাছির উপদ্রব শুরু হবে।

৮. লিস্টারিন, পানি ও প্লেট ধোয়ার তরল সাবান
লিস্টারিন, পানি ও প্লেট ধোয়ার তরল সাবান -এই তিনটি উপকরণ পানিতে মিশিয়ে ঘরের চারিদিকে স্প্রে করে দিন। কাজে দেবে।

৯. গুঁড়ো সাবান
ওয়াশিং মেশিনের জন্য গুঁড়ো সাবানে ব্লিচ থাকে, যা তেলাপোকা তাড়াতে সাহায্য করে।

১০. অর্ধেক পানি ভর্তি কাচের শিশি
ঘরের কোণায় কাচের জারে অর্ধেক পানি ভরে রেখে দিন। তেলাপোকা খালি ভেবে এর ভেতরে ঢুকলেই পানিতে আটকা পড়বে। আর উড়তে পারবে না।