Friday, January 18, 2019

চিকিৎসা গবাদি পশু

                                                                       ,,,,,,,,,পেটের ব্যথার জন্য
Tab Cosvet/Cipro A vet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,     ডায়রীয়া
Mecovet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, বিকার
Gluculyte,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,                   ডায়রীয়াতে স্যালাইন
Tab Salfadin/Civox/Tetravet,,,,,,,,,,,,,,                     এন্টিবায়োটিক
Tab Dellergin vet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,         এলার্জি
Tab Endex,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,, কৃমি
Tab Anorexon DS,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,          খাওয়ার রুচি
Stomavet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,      খাওয়ার রুচি/ হালকা পেট ফাঁপা
Soda,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,                 বদহজম,পেট ফাঁপা,
Bovi Care,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,                     বেশি করে পেট ফাঁপা
Magvet,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,            কেষ্টোকাঠিন্ন/শক্ত পায়খানা
সবচেয়ে বেশি দরকার
,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,,
Caldi Mag vet Calcium
মিল্ক ফিভার,চিকিৎসা শুরু করতে দেরী করলে গরু মারা যেতে পারে, আপনি রগে দিতে না পারলে অন্তত চামড়ার নিচে হলেও দিতে পারবেন, কোনটি গর্ভাবস্থায় ব্যবহার করতে হবে সেটি নিশ্চই ডাক্তার আপনাকে বলে দিবেন,

Thursday, January 17, 2019

সহজ ৩টি কৌশল পদযুগলকে নজরকাড়া সুন্দর করতে

শীত শুরু তো ত্বকের রুক্ষতা শুরু। আমরা ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে শীতকালে কত কিছুই না করে থাকি। সকালে বাসা থেকে বের হবার সময় সানস্ক্রিন, বাসায় ফিরে যত্ন-আত্তি, রাতে ঘুমোবার আগে ক্রিম লাগানো ইত্যাদি আরও কত কি। কিন্তু এই সব করতে গিয়ে বেশিরভাগ সময় পায়ের দিকে নজর দিতে ভুলে যাই। ভুলে যাই আমাদের পায়েরও দরকার শীতকালীন রুক্ষতা থেকে মুক্তি। যতই মুখ ও দেহের ত্বকের পেছেনে সময় ব্যয় করি না কেন, পায়ের দিকে নজর না গেলে শরীরের পুরোপুরি যত্ন হয় না। শীতের রুক্ষতা থেকে রক্ষা করে পা-কে কোমল ও সুন্দর করতে বেশি কিছু লাগে না। দরকার শুধু আপনার একটুখানি সময়। দিন শেষে বাসায় ফিরে সময় করতে না পারলেও রাতে একটু সময় বের করে পায়ের যত্নে ব্যয় করুন। জেনে নিন অল্প সময় ব্যয়ে কিভাবে শীতের রুক্ষতা থেকে রেহাই দেবেন আপনার পা-কে। আর পা-কে করে তুলবেন নজর কাড়া সুন্দর। পায়ের রুক্ষতা দূর করতে তেলের ব্যবহার নারকেল তেল ও ভিটামিন ই তেল ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে বেশ কার্যকরী উপাদান। মুখের ত্বক অনেক নরম হয় বিধায় মুখে সরাসরি নারকেল তেল ও ভিটামিন ই তেল ব্যবহার করা যায় না, ব্রনের সমস্যা দেখা দিতে পারে। কিন্তু নারকেল তেল ও ভিটামিন ই তেল অনায়াসে পায়ের ত্বকে ব্যবহার করা যায়। নারকেল তেল ব্যবহার করলে পায়ের ত্বক নরম ও কোমল হয়। রুক্ষতা দূর হয়। আবার ভিটামিন ই তেল ব্যবহারের পদ্ধতি জানা থাকলে প্রাকৃতিক উপায়ে আপনি আপনার পা ব্লিচ করতে পারবেন। এছাড়াও অলিভ অয়েল ও পায়ের ত্বকে সরাসরি ব্যবহার করলে পায়ের ত্বকের রুক্ষতা দূর করতে পারবেন।
পদ্ধতিঃ
নারকেল তেল ও অলিভ অয়েল ব্যবহারের ক্ষেত্রে আপনি শুধুমাত্র তেলগুলো হালকা গরম করে ম্যাসাজ করলেই পায়ের ত্বকে কমনীয়তা ও উজ্জলতা লক্ষ্য করতে পারবেন। প্রতিদিন ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। আর পায়ের ত্বক ব্লিচ করতে চাইলে আপনার দরকার হবে ভিটামিন ই তেল ও সামান্য কাঁচা হলুদ বাটা। প্রথমে একটি কাঁচা হলুদ বেটে নিন। তারপর এতে ভিটামিন ই তেল পরিমাণ মত মিশিয়ে পেস্টের মত তৈরি করুন। তারপর এই মিশ্রণটি পুরো পায়ে লাগিয়ে রাখুন ১৫-২০ মিনিট। এরপর কুসুম গরম পানি দিয়ে ঘষে তুলে নিন। এই মিশ্রণটি শুধুমাত্র পায়ের ত্বকের উজ্জলতাই বাড়ায় না, পাশাপাশি পায়ের ত্বককে টানটান করে তোলে।
পায়ের মৃতকোষ দূর করতে মুলতানি মাটি কিংবা ময়দা


পা ভালো ভাবে স্ক্রাব না করা হলে পায়ে কালচে ভাব চলে আসে। অর্থাৎ স্ক্রাবিং না করার ফলে পায়ের ত্বকের উপরিভাগে মৃতকোষ জমা হয়। যার ফলে পা কালো দেখায়। এর জন্য আপনার দরকার খুব ভালো একটি স্ক্রাবার। মুখের ত্বকের জন্য যে স্ক্রাবার ব্যবহার করেন তাতে পায়ের ত্বক ঠিক মত স্ক্রাব হয় না। আপনার দরকার আরও শক্তিশালী স্ক্রাবারের। প্রাকৃতিক উপায়ে স্ক্রাব করতে চাইলে আপনি খুব সহজেই বাসায় একটি স্ক্রাবার তৈরি করে নিতে পারেন। পায়ের মৃতকোষ দূর করে পা কে উজ্জলতা দিতে এর জুরি নেই।
পদ্ধতিঃ
ঘরোয়া এই স্ক্রাবারটির জন্য আপনার লাগবে মুলতানি মাটি, দুধ ও মধু। যদি মুলতানি মাটি না পান তবে ময়দা দিয়েও স্ক্রাবারটি তৈরি করতে পারবেন। প্রথমে একটি বাটিতে ৩ টেবিল চামচ মুলতানি মাটি কিংবা ময়দা মিয়ে তাতে ২ টেবিল চামচ মধু মেশান। এরপর এতে ১ টেবিল চামচ দুধ দিন। মিশ্রণটিকে পেস্টের মত তৈরি করে নিন। এরপর এই মিশ্রণটি পায়ে লাগিয়ে রাখুন। ইচ্ছে করলে এটি আপনি হাতেও লাগাতে পারেন। না শুকানো পর্যন্ত মিশ্রণটি লাগিয়ে রাখুন। শুকিয়ে গেলে হাত দিয়ে ঘষে তুলে নিন। এরপর হালকা গরম পানি দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এভাবে স্ক্রাব করুন।

পায়ের তলা মসৃণ করতে ভিনেগার ও লবণ
অনেকেই পায়ের গোড়ালি নিয়ে বিপদে পড়েন। শক্ত, মোটা ও খসখসে গোড়ালি যেন মসৃণ হয়ে উঠতেই চায় না। পায়ের উপরিভাগের যত্ন নিলেও পায়ের তলার এই যত্নটি অনেকেই আলসেমির জন্য করেন না। পায়ের তলার এই মোটা ও খসখসে ত্বক মোলায়েম জন্যও রয়েছে অনেক সহজ একটি পদ্ধতি। এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করলে শুধু যে মসৃণ গোড়ালি পাবেন তা নয়। এর সাথে পায়ের ছত্রাকজনিত সকল প্রকার রোগ থেকে রেহাই পাবেন। রোধ হবে পা ফাটাও।
পদ্ধতিঃ
প্রথমে পা ভালো ভাবে ধুয়ে ১ চা চামচ লবন নিয়ে ভেজা পায়ের উপরিভাগ ও তলার দিক ভালো ভাবে ঘষে নিন। এরপর একটি পাত্রে ২/৩ লিটার পানি পায়ের সহনশীলতা অনুযায়ী গরম করে নিন। তারপর চুলা থেকে নামিয়ে প্রতি লিটারের জন্য ১ কাপ ভিনেগার দিন। এই ভিনেগার মিশ্রিত পানিতে পা ডুবিয়ে রাখুন ২০ মিনিট। ২০ মিনিট পর পানি থেকে পা তুলে ব্রাশ দিয়ে হালকা ঘষে পায়ের তলার মোটা ও খসখসে চামড়া তুলে ফেলতে পারবেন। ব্রাশ দিয়ে ঘষা শেষ হলে কুসুম গরম পানি দিয়ে পা দুয়ে মুছে ফেলুন। সপ্তাহে অন্তত ১ বার এই পদ্ধতিটি ব্যবহার করুন।

Wednesday, September 27, 2017

তেলাপোকা তাড়াবেন যেভাবে


তেলাপোকা দেখেনি এমন মানুষের সংখ্যা বিরল। অনেকে রয়েছেন যারা নিজ ঘরেই তেলাপোকার অত্যাচারে অতিষ্ঠ।ঘরে অনেক সময় বেশি জিনিসপত্র থাকলে বা বাড়ি নোংরা থাকলে তেলাপোকার উপদ্রব দেখা যায়। বাড়ি থেকে তেলাপোকা তাড়াতে প্রাণ যায় যায় অবস্থা।

আবার চোখের সামনে তেলাপোকা দেখলে অনেকে ভয় পান এবং অযথা চেঁচামিচি-লাফালাফি শুরু করে দেন। কিন্তু তেলাপোকা দেখে ভয়ের কিছু নেই। তেলাপোকা মারার বহু রাসায়নিক বাজারে পাওয়া গেলেও, তা শিশুদের স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে অত্যন্ত হানিকর।

তাই জেনে নিন তেলাপোকা মারার ঘরোয়া উপায় -

১. বেকিং সোডা ও চিনি
তেলাপোকা মারতে বেকিং সোডা ও চিনি বেশ কাজে দেবে। বেকিং সোডা ও চিনি মিশিয়ে যদি ঘরের কোনো কোণায় মিশ্রণটি ছড়িয়ে দেন তাহলে তা কাজে দেয়। তেলাপোকা এ মিশ্রণটি খেলেই মারা যায়।

২. তেজপাতা
ঘর থেকে তেলাপোকা তাড়াতে তেজপাতা কাজে লাগাতে পারেন। তেজপাতার গন্ধ তেলাপোকা সহ্য করতে পারে না। ফলে যেখানে তেজপাতা থাকে সেখানে তেলাপোকা থাকে না। তাই তেলাপোকার আনাগোনা যেখানে বেশি সেখানে তেজপাতা ছিঁড়ে ফেলে রাখুন। বাড়ি থেকে তেলাপোকা ১০০ শতাংশ বিদায় হবে।

৩. অ্যামোনিয়া মিশ্রণ
পানি আর অ্যামোনিয়ার মিশ্রণ তেলাপোকা তাড়ানোয় অত্যন্ত উপযোগী। এক বালতি পানিতে ২ কাপ অ্যামোনিয়া গুলে নিন। এই পানি দিয়ে রান্নাঘর ধুইয়ে নিন। অ্যামোনিয়ার গন্ধে তেলাপোকা পালাবে।

৪. সাবান পানি
গায়ে মাখার সাবান ও পানি মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরি করুন। ঘরের কোণায় কোণায় এই পানি স্প্রে করে দিন।দেখবেন দূর হবে তেলাপোকা।

৫. বোরিক অ্যাসিড ও ময়দা
ময়দা ও বোরিক অ্যাসিড মেখে একটা ডো তৈরি করে নিন। এর ছোট ছোট লেচি কেটে ঘরের বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে রাখুন। এই লেচিতে মুখ দিলেই অক্কা পাবে তেলাপোকা।

৬. গোলমরিচ, পেঁয়াজ, রসুন
অরাসায়নিক পদ্ধতিতে তেলাপোকা মারার একটি সেরা উপায় গোলমরিচ, পেঁয়াজ, রসুন। এই তিন উপকরণ একসঙ্গে পেস্ট বানিয়ে নিন। এবার এক লিটার পানিতে এই বাটাটা দিয়ে ভালো করে গুলে নিন। ঘরের আনাচে-কানাচে এই পানি স্প্রে করলেও নিশ্চিহ্ন হবে তেলাপোকা।

৭. শশা
একটি টিনের কৌটায় কাটা শশা ভরে মুখ খুলে রেখে দিন। তেলাপোকা চলে যাবে। তবে দিনের পর দিন রাখবেন না। তাতে মাছির উপদ্রব শুরু হবে।

৮. লিস্টারিন, পানি ও প্লেট ধোয়ার তরল সাবান
লিস্টারিন, পানি ও প্লেট ধোয়ার তরল সাবান -এই তিনটি উপকরণ পানিতে মিশিয়ে ঘরের চারিদিকে স্প্রে করে দিন। কাজে দেবে।

৯. গুঁড়ো সাবান
ওয়াশিং মেশিনের জন্য গুঁড়ো সাবানে ব্লিচ থাকে, যা তেলাপোকা তাড়াতে সাহায্য করে।

১০. অর্ধেক পানি ভর্তি কাচের শিশি
ঘরের কোণায় কাচের জারে অর্ধেক পানি ভরে রেখে দিন। তেলাপোকা খালি ভেবে এর ভেতরে ঢুকলেই পানিতে আটকা পড়বে। আর উড়তে পারবে না।

Friday, December 23, 2016

পুরনো টুথব্রাশ ফেলবেন না!‌

টুথব্রাশ পুরনো হলেও ফেলবেন না। ওই দিয়ে হাসিল হবে অনেক কাজ।❏‌ জুতোয় কাদা লাগলে পুরনো কাজে লাগান পুরনো টুথব্রাশ। এই দিয়ে ঝেড়ে ফেলুন ময়লা। জুতো হবে আগের মতোই।

❏‌ কম্পিউটারের কিবোর্ডের ফাঁকে জমে থাকা ধুলোও কিন্তু অনায়াসে এই টুথব্রাশ দিয়ে ঝেড়ে ফেলতে পারেন।
❏‌ জামা–কাপড়ে খাবারের দাগ ওঠানো মুশকিল। বেশিক্ষণ সাবানে ভিজিয়ে রাখলে রং উঠে যায়। তাই দাগের জায়গায় সাবান লাগিয়ে ব্রাশ দিয়ে ঘষুন। দাগ উঠে যাবে।
❏‌ স্টিলের কলে জলের দাগ ধরে যায়। হাত দিয়ে ঘষলেও লাভ হয় না। কাজে লাগান টুথ ব্রাশ। কলে ভিনিগান লাগিয়ে ব্রাশ দিয়ে ঘষে তুলুন।
❏‌ রুপো বা সোনার সূক্ষ্ম গয়নার ফাঁকে ময়লা জমে। কাপড় দিয়ে ঘষে সেগুলো তোলা সম্ভব নয়। ব্রাশে শ্যাম্পু লাগিয়ে হালকা হাতে ঘষুন। ময়লা উঠে যাবে।
❏‌ শীতকাল এলেই গোড়ানি ফাটে। গরম জলে পা ডুবিয়ে রাখুন। তার পর টুথ ব্রাশ দিয়ে ঘষে গোড়ালির মরা চামড়া তুলুন। এর পর ক্রিম লাগাতে ভুলবেন না।
❏‌ চিরুনির ফাঁকে ময়লা তোলার জন্যও দারুণ কাজে আসবে টুথ ব্রাশ। সাবান জলে চিরুনি ভিজিয়ে রাখুন ১৫ মিনিট। তার পর ব্রাশ দিয়ে ঘষে ময়লা বের করুন।
❏‌ রান্নাঘরে টাইলসের ফাঁকে ময়লা জমে। সেগুলও টুথব্রাশ দিয়ে অনায়াসে সাফ করা যাবে।
- See more at: http://www.bd24live.com/bn/article/113916/index.html#sthash.6LVHxa3q.dpuf

Monday, December 19, 2016

ফ্রিজ পরিষ্কার রাখবার উপায়


সঠিকভাবে যত্ন করলে অনেকদিন ফ্রিজ নতুনের মতো রাখা সম্ভব।
জীবনযাপন বিষয়ক ওয়েবসাইটের প্রতিবেদন অবলম্বনে হাতের কাছে পাওয়া যায় এমন উপাদান দিয়ে ফ্রিজ ভালোভাবে পরিষ্কার রাখার কিছু পন্থা এখানে দেওয়া হল।

পুরানো থেকে নতুন দেখাতে: ফ্রিজের হারিয়ে যাওয়া উজ্জ্বলভাব ফিরিয়ে আনতে মসলিন কাপড়ে জলপাইয়ের তেল অথবা বেবি তেল লাগিয়ে বাইরের অংশ ঘষে নিতে হবে। পাঁচ মিনিট অপেক্ষা করার পর হালকাভাবে তা মুছে ফেলতে হবে।

দুর্গন্ধ: প্রতি সপ্তাহে একবার ফ্রিজের ভেতরে বেইকিং সোডা ও স্পঞ্জ দিয়ে ঘষে পরিষ্কার করতে হবে।

সুগন্ধ: একটি তুলার বল ভ্যানিলা এসেন্সে ভিজিয়ে ফ্রিজের ভেতরে রেখে দিলে সুগন্ধি হিসেবে কাজ করে।

নিখুঁতভাবে পরিষ্কার করতে: এক লিটার গরম পানিতে পাঁচ টেবিল-চামচ লবণ মিশিয়ে একটি দ্রবণ তৈরি করুন এবং এটি দিয়ে ফ্রিজের ভেতরে পরিষ্কার করুন।

ফল বা সবজি পচে গেলে: খাবার পঁচে গেলে ফ্রিজে পঁচা গন্ধের সৃষ্টি হয়। ফ্রিজের ভেতরের দুর্গন্ধ দূর করার জন্য টমেটোর রস ব্যবহার করুন, পরে গরম পানি দিয়ে পরিষ্কার করে ফেলুন।

দাগ বা ছোপ পড়লে: ফ্রিজের ভেতরে বা বাইরে যেখানেই দাগ ছোপ পড়ুক না কেনো ক্লাব সোডার মধ্যে কাপড় ভিজিয়ে তা মুছে ফেলুন।

প্রতিরক্ষামূলক স্তর: কাচ বা প্লাস্টিক থেকে দাগ বা ছোপ থেকে রক্ষা করতে পুরানো টেবিল ম্যাট ব্যবহার করতে পারেন, এটি ফ্রিজ পরিষ্কারকে আরও সহজ করে তোলে। বর্তমানে বাজারে রেফ্রিজারেটর পরিষ্কার রাখার ম্যাটও পাওয়া যায় ।  

সতেজ রাখা: ফল ও সবজি নষ্ট হওয়া থেকে বাঁচাতে ও সতেজ রাখতে বাবল র‍্যাপ ব্যবহার করতে পারেন।

ছত্রাক থেকে মুক্তি: সমপরিমাণ পানি ও ভিনিগার মিশিয়ে তা দিয়ে রেফ্রিজারেটরের ভেতরে কোনাগুলো পরিষ্কার করতে হবে।

ফ্রিজের নিচে পরিষ্কার করা: পুরানো কাপড় থেকে খানিকটা অংশ কেটে নিয়ে তা হ্যাঙারের সঙ্গে যুক্ত করতে পারেন। পরে এটি খুব সহজেই মপ হিসেবে ব্যবহার করা যায়।